Bartaman Logo
১৬ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

চরমপন্থীদের বিরোধিতা, লাহোরে এলাকার নাম বদলের পরিকল্পনা স্থগিত

চরমপন্থীদের বিরোধিতায় নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসতে হল পাকিস্তানের পাঞ্জাব সরকারকে। ক্ষমতায় আসার পরেই প্রাচীন এবং সাংস্কৃতিক স্থাপত্যের সংস্কার ও নাম বদলের জন্য লাহোর অথরিটি ফর হেরিটেজ রিভাইভাল (এলএএইচআর) নামে একটি সংস্থা তৈরি করেছিলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মারিয়ম নওয়াজ।

চরমপন্থীদের বিরোধিতা, লাহোরে এলাকার নাম বদলের পরিকল্পনা স্থগিত
  • ২৭ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

লাহোর: চরমপন্থীদের বিরোধিতায় নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসতে হল পাকিস্তানের পাঞ্জাব সরকারকে। ক্ষমতায় আসার পরেই প্রাচীন এবং সাংস্কৃতিক স্থাপত্যের সংস্কার ও নাম বদলের জন্য লাহোর অথরিটি ফর হেরিটেজ রিভাইভাল (এলএএইচআর) নামে একটি সংস্থা তৈরি করেছিলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মারিয়ম নওয়াজ। সম্প্রতি সেই সংস্থাই লাহোরের বিভিন্ন এলাকার ঔপনিবেশিক আমলের নাম ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তারপরেই চরমপন্থীদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় মারিয়াম প্রশাসনকে। বিষয়টিকে মুসলিমপ্রধান দেশের ‘হিন্দু ও শিখ পরিচয়’ পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা বলে প্রচার করা হয়। 

Advertisement

লাহোর প্রশাসনের প্রস্তাব অনুসারে, ফতিমা জিন্নাহ রোডের নাম বদলে হওয়ার কথা ছিল কুইনস রোড। আল্লামা ইকবালের নামাঙ্কিত রাস্তার নাম বদলে হত ঔপনিবেশিক আমলের জেল রোড। ইসলামপুরা ও জাফর আলি খান চক ফিরে পেত তাঁদের পুরানো নাম কৃষ্ণপুর ও লক্ষ্মী চক। একইভাবে মুস্তাফাবাদের নাম বদলে হওয়ার কথা ছিল ধরমপুরা। হামিদ নিজামি রোডের নাম বদলে হত টেম্পল স্ট্রিট। বাবরি মসজিদ চক ফিরে পেত তার পুরানো নাম জৈন মন্দির রোড। তবে চরমপন্থীদের বিরোধিতার জেরে আপাতত সে সব সিদ্ধান্তই স্থগিত রাখা হয়েছে। লাহোরের ডেপুটি কমিশনার ক্যাপ্টেন (অবসরপ্রাপ্ত) মহম্মদ আলি ইজাজ জানিয়েছেন, ‘নাম পরিবর্তনের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে।’ 
যদিও স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, ঔপনিবেশিক আমলের নামগুলি এখনও লাহোরের মানুষের মুখে মুখে ঘুরছে। এলএএইচআরের সভাপতি কামরান লস্করি  জানিয়েছেন, ‘বহুক্ষেত্রেই স্থানীয় বাসিন্দারা ওই এলাকাগুলিকে পুরানো নামেই ডাকে।’ এমনকি সরকারি নথিপত্রেও বহু পুরানো নামের উল্লেখ এখনো হয় বলেও জানিয়েছেন তিনি।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ