সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: ক্যুরিয়ার সার্ভিসে গাঁজা পাচারের ছক বানচাল করল মাথাভাঙা থানার পুলিস। ক্যুরিয়ার সার্ভিসের অফিসে পৌঁছনোর আগেই ২৭ কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজা সহ এক যুবক গ্রেপ্তার। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম সাধন বিশ্বাস। বাড়ি নিশিগঞ্জের মাঘপালায়। একটি বস্তায় গাঁজা ভরে সে মাথাভাঙা শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে এসেছিল। সেখান থেকে পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃত যুবক ক্যুরিয়ার সার্ভিসে গাঁজা পাচারের কথা বলেছে। ঘটনার সঙ্গে শহরের ক্যুরিয়ার সার্ভিসের কোনও কর্মী যুক্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
মাথাভাঙা-২ ব্লকের নিশিগঞ্জ ও সংলগ্ন কোচবিহার-১ ও শীতলকুচি ব্লকের কিছু অংশে ব্যাপক গাঁজা চাষ হয়। এখানকার গাঁজা মাথাভাঙা ভায়া শিলিগুড়ি হয়ে দেশের নানা প্রান্তে পাচার করা হয়। সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশেও পাচার হয় বলে খবর। সম্প্রতি কোচবিহার মাথাভাঙা ভায়া শিলিগুড়ি রাজ্য সড়কে একাধিক গাঁজা পাচারকারীকে ধরেছে মাথাভাঙা থানার পুলিস। পুলিসের হাত থেকে বাঁচতে এবার অভিনব পদ্ধতি নিয়েছে পাচারকারীরা।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবক জানিয়েছে ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে সে ওই বস্তাটি শিলিগুড়িতে পাঠাতে চেয়েছিল। নতুন এই পদ্ধতির কথা জানার পরই চিন্তা বেড়েছে পুলিস কর্তাদের। প্রশ্ন উঠেছে ক্যুরিয়ার সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের যোগসাজশ নিয়েও। কারণ, ক্যুরিয়ার সার্ভিসে কী পাঠানো হচ্ছে, স্ক্যান করার পরই তার ছাড়পত্র মেলে। এদিনের ঘটনার পরই এনিয়ে ক্যুরিয়ার সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের সতর্কও করেছে পুলিস।
মাথাভাঙার অতিরিক্ত পুলিস সুপার সন্দীপ গড়াই বলেন, শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় শুক্রবার রাতে ওই যুবককে গাঁজা সহ ধরা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে গাঁজা পাচার করতে এসেছিল। তার আগেই আমরা ধরে ফেলি। ক্যুরিয়ার সার্ভিসের যোগসাজশ থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আমরা এনিয়ে যথেষ্ট সতর্ক রয়েছি।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবক জানিয়েছে ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে সে ওই বস্তাটি শিলিগুড়িতে পাঠাতে চেয়েছিল। নতুন এই পদ্ধতির কথা জানার পরই চিন্তা বেড়েছে পুলিস কর্তাদের। প্রশ্ন উঠেছে ক্যুরিয়ার সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের যোগসাজশ নিয়েও। কারণ, ক্যুরিয়ার সার্ভিসে কী পাঠানো হচ্ছে, স্ক্যান করার পরই তার ছাড়পত্র মেলে। এদিনের ঘটনার পরই এনিয়ে ক্যুরিয়ার সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের সতর্কও করেছে পুলিস।
মাথাভাঙার অতিরিক্ত পুলিস সুপার সন্দীপ গড়াই বলেন, শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় শুক্রবার রাতে ওই যুবককে গাঁজা সহ ধরা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে গাঁজা পাচার করতে এসেছিল। তার আগেই আমরা ধরে ফেলি। ক্যুরিয়ার সার্ভিসের যোগসাজশ থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আমরা এনিয়ে যথেষ্ট সতর্ক রয়েছি।



