নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: দালালচক্র সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা! তাই মঙ্গলবার শিলিগুড়ির গ্রামে গ্রামে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের উপভোক্তাদের নিয়ে সচেতনতা শিবির করল প্রশাসন। উপভোক্তাদের উদ্দেশ্যে প্রশাসনের বার্তা— নিজের বাড়ি নিজে তৈরি করুন। দালাল চক্রের ফাঁদে পা দেবেন না। বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার নামে কেউ টাকা চাইলে পুলিস ও প্রশাসনকে জানান। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Advertisement
এদিন নকশালবাড়ি ব্লকের মণিরাম, নকশালবাড়ি সহ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্যাম্পে যোগ দেন শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ। তিনি নিজে উপভোক্তকদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি বলেন, গরিব গ্রামবাসীদের গৃহ নির্মাণের এই প্রকল্প নিয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রশাসন তৎপর। তাই উপভোক্তাদের দালালদের সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে।
অতীতে গৃহ নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছে। কখনও সরকারি গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার কথা বলে কমিশন আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। আবার কখনও গৃহ নির্মাণ করে দেওয়ার নামে তোলা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এবার বাংলার বাড়ি প্রকল্প নিয়ে এ ধরনের অভিযোগ যাতে না ওঠে সেজন্য সতর্ক রয়েছে প্রশাসন। তারা একাধিকবার সমীক্ষা চালিয়ে প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকা প্রস্তুত করেছে। কয়েকদিন আগে নবান্নের সভাকক্ষে অনুষ্ঠান করে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের উপভোক্তাদের গৃহ নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সংশ্লিষ্ট উপভোক্তাদের নিয়ে সচেতনতা শিবির করা হল।
প্রথম পর্যায়ে শিলিগুড়ির গ্রামীণ এলাকায় বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন ৫১৭৫ জন। এরমধ্যে ফাঁসিদেওয়া ব্লকে উপভোক্তর সংখ্যা সর্বাধিক, ২১৮৮ জন। এদিন ব্লকের সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতে উপভোক্তাদের নিয়ে সচেতনতামূলক শিবির করা হয়। বিডিও বিপ্লব বিশ্বাস বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুসারে প্রকল্পের টাকা উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হচ্ছে। সেই অর্থ দিয়ে তাঁরা নিজেদের পছন্দমতো ঘর নির্মাণ করবেন। অ্যাটাচ কিচেন সহ শোবার ঘর তৈরি করবেন। এক্ষেত্রে তাঁরা দরকার হলে প্রশাসনের সহযোগিতা নিতে পারেন। কিন্তু কোনও প্রয়োজনে তাঁরা যাতে অসাধু ব্যক্তির দ্বারস্থ না হন, সেই বিষয়ে তাঁদের সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, উপভোক্তা তালিকায় নাম ওঠার জন্য কেউ টাকা চাইলে, তাতে সাড়া না দেওয়ার আবেদন গ্রামবাসীদের করা হয়েছে। এমন ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে জানাতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে পুলিসের সঙ্গেও কথা হয়েছে। এ ধরনের অভিযোগ মিললেই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হবে।
এদিকে, অতীতে বিভিন্ন সময় গৃহ নির্মাণের টাকা পেয়েও অনেক উপভোক্তা ঘর নির্মাণ করেননি বলে অভিযোগ। অনেকে সেই অর্থ নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দীর্ঘদিন ফেলে রেখেছিলেন। আবার অনেকে সেই অর্থ ব্যক্তিগত কাজে বিনিয়োগ করেছিলেন বলে অভিযোগ। এবার এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে বলে ফাঁসিদেওয়ার বিডিও জানান। তিনি বলেন, যাঁরা প্রকল্পের অর্থ খরচ করবেন না, তাঁদের কাছ থেকে সেই অর্থ ফেরত নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট উপভোক্তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়টিও ক্যাম্পে জানানো হয়েছে।
অতীতে গৃহ নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছে। কখনও সরকারি গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার কথা বলে কমিশন আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। আবার কখনও গৃহ নির্মাণ করে দেওয়ার নামে তোলা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এবার বাংলার বাড়ি প্রকল্প নিয়ে এ ধরনের অভিযোগ যাতে না ওঠে সেজন্য সতর্ক রয়েছে প্রশাসন। তারা একাধিকবার সমীক্ষা চালিয়ে প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকা প্রস্তুত করেছে। কয়েকদিন আগে নবান্নের সভাকক্ষে অনুষ্ঠান করে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের উপভোক্তাদের গৃহ নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সংশ্লিষ্ট উপভোক্তাদের নিয়ে সচেতনতা শিবির করা হল।
প্রথম পর্যায়ে শিলিগুড়ির গ্রামীণ এলাকায় বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন ৫১৭৫ জন। এরমধ্যে ফাঁসিদেওয়া ব্লকে উপভোক্তর সংখ্যা সর্বাধিক, ২১৮৮ জন। এদিন ব্লকের সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতে উপভোক্তাদের নিয়ে সচেতনতামূলক শিবির করা হয়। বিডিও বিপ্লব বিশ্বাস বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুসারে প্রকল্পের টাকা উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হচ্ছে। সেই অর্থ দিয়ে তাঁরা নিজেদের পছন্দমতো ঘর নির্মাণ করবেন। অ্যাটাচ কিচেন সহ শোবার ঘর তৈরি করবেন। এক্ষেত্রে তাঁরা দরকার হলে প্রশাসনের সহযোগিতা নিতে পারেন। কিন্তু কোনও প্রয়োজনে তাঁরা যাতে অসাধু ব্যক্তির দ্বারস্থ না হন, সেই বিষয়ে তাঁদের সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, উপভোক্তা তালিকায় নাম ওঠার জন্য কেউ টাকা চাইলে, তাতে সাড়া না দেওয়ার আবেদন গ্রামবাসীদের করা হয়েছে। এমন ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে জানাতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে পুলিসের সঙ্গেও কথা হয়েছে। এ ধরনের অভিযোগ মিললেই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হবে।
এদিকে, অতীতে বিভিন্ন সময় গৃহ নির্মাণের টাকা পেয়েও অনেক উপভোক্তা ঘর নির্মাণ করেননি বলে অভিযোগ। অনেকে সেই অর্থ নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দীর্ঘদিন ফেলে রেখেছিলেন। আবার অনেকে সেই অর্থ ব্যক্তিগত কাজে বিনিয়োগ করেছিলেন বলে অভিযোগ। এবার এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে বলে ফাঁসিদেওয়ার বিডিও জানান। তিনি বলেন, যাঁরা প্রকল্পের অর্থ খরচ করবেন না, তাঁদের কাছ থেকে সেই অর্থ ফেরত নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট উপভোক্তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়টিও ক্যাম্পে জানানো হয়েছে।



