সিদ্ধারামাইয়ার স্টিং অপারেশন কাণ্ডে নাম জড়াল কুমারস্বামীর, ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
  • ৩ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

বেঙ্গালুরু: কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়ার বিরুদ্ধে স্টিং অপারেশন কাণ্ডে নাম জড়াল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা জেডিএস নেতা এইচ ডি কুমারস্বামীর। বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার সীমন্ত কুমার সিং বলেন, যে ফোন দিয়ে স্টিং অপারেশন চালানো হয়েছিল, সেটি কেনা হয় দিল্লির করোল বাগ থেকে। এবং রাজধানীতে কুমারস্বামীর বাড়িতেই সেই ফোন প্রজ্জ্বল প্রসাদ নামে এক ব্যক্তির কাছে তা হস্তান্তর করা হয়। স্টিং কাণ্ডে গত ২৪ অক্টোবর গ্রেপ্তার করা হয়েছে দিল্লির বাসিন্দা রীতেশ পান্ডেকে। রীতেশ ও বিনোদ শর্মা নামে এক ব্যক্তি দিল্লি থেকে ওই মোবাইল ফোন কেনে। পরে কুমারস্বামীর দিল্লির বাসভবনে গিয়ে সেই মোবাইল প্রজ্জ্বলের হাতে তুলে দেয়। তিনজনই কুমারস্বামীর দপ্তরের কর্মী। কাজেই এই ঘটনায় যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সরাসরি মদত রয়েছে, সেটাই দাবি করেছে কংগ্রেস। কর্ণাটকে মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও স্টিং অপারেশনের বিপদ নিয়ে সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার।

Advertisement

এই স্টিং অপারেশন ইস্যুতে গত অক্টোবরে সিদ্ধারামাইয়াকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শিবকুমার। তবে কংগ্রেসের তরফে সেই সব ভিডিয়োকে ভুয়ো ও চক্রান্ত আখ্যা দিয়ে পুলিশে অভিযোগও দায়ের হয়। সেই মামলার তদন্তে উঠে এসেছে কুমারস্বামীর নাম। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কুমারস্বামীর অভিযোগ, রাজ্য সরকার পরিকল্পনামাফিক তাঁকে ফাঁসাতে চাইছে। আর সবটাই হচ্ছে কর্ণাটকের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিয়ঙ্ক খাড়্গের সাজানো ছক মেনে। 
কুমারস্বামীর সাফাই, অভিযুক্ত ব্যক্তি ইতিমধ্যেই স্টিং অপারেশনের কথা স্বীকার করে নিয়েছে। তার পরও যেভাবে তাঁকে ও তাঁর দপ্তরকে টেনে আনা হচ্ছে, তা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছাড়া আর কিছুই নয়।