নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: মার্চের শুরু থেকেই সিউড়ি শহরে কিউআর কোডভিত্তিক টোটো চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদিও এখনও বহু টোটোতেই কিআর কোড লাগানো হয়নি। মূলত টোটো চালকদের গা ছাড়া মনোভাবের কারণেই ওই কাজ শেষ করা যাচ্ছে না। অভিযোগ, সময় না থাকার অজুহাত দেখিয়ে চালকরা বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। তবে সিউড়ি পুরসভা দ্রুত সেই কাজ শেষ করতে চাইছে। এছাড়াও বেশকিছু টোটো বিনা রেজিস্ট্রেশনেই শহরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সিউড়ি শহরে ধরপাকড় শুরু হতে চলেছে। পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, এখনও বহু টোটোতে এখনও কিউআর কোড লাগানো যায়নি। সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। সেই সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর কোনও টোটোতে কিউআর কোড না থাকলে আমরা ধরপাকড় শুরু করব।
Advertisement
চলতি মাসের ৫ তারিখ থেকে পুরসভার তরফে রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত টোটোতে কিউআর কোড লাগানো শুরু হয়েছিল। প্রথম ধাপে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, গত সপ্তাহেই সেই কাজ শেষ করা হবে। তবে চালকদের উদাসীনতায় সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ। বৃহস্পতিবার অবধি প্রায় ১৫০০ টোটোতে কিউআর কোড লাগানো বাকি রয়েছে। এদিন প্রায় ১৬৯টি টোটোতে কিউআর কোড লাগানো হয়েছে। সিউড়ি পুর এলাকার রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত মোট ২৪৯০টি টোটো রয়েছে। সেই অনুযায়ী এখনও বহু টোটোয় কিআউআর কোড বসেনি। স্বাভাবিকভাবেই মার্চের শুরু থেকে টোটোয় রাশ টানা পুরসভার কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শহর সিউড়িকে যানজট মুক্ত করতে টোটোর দাপাদাপিতে রাশ টানার সিদ্ধান্ত হয়। এরপরই সিউড়ি মহকুমা প্রশাসনের সহযোগিতায় শহরের সিধো-কানহো মঞ্চ চত্বরে পুরসভা কিউআর কোড লাগানোর কাজ শুরু করে। নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ায় মেয়াদ বাড়ানো হয়। পুরসভার তরফে জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শনিবার অবধি কিউআর কোড লাগানোর কাজ চলবে। এরপর যদি কোনও টোটোয় কিউআর কোড না থাকে তবে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। প্রয়োজনে জরিমানাও করা হতে পারে। টোটো চালক সাজেদ আনসারি বলেন, সকাল থেকে রুটিরুজির জন্য ছুটতে হচ্ছে। সময় করে উঠতে পারছি না। তবে দ্রুত কিউআর কোড লাগিয়ে নেব। সিউড়ি শহর টোটো ইউনিয়নের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বলেন, অজুহাত দিয়ে টোটো চালকরা দায় সারছে। সেটা আমরাও বুঝতে পেরেছি। চালকদের সচেতন করতে আমরা প্রচার চালাব। একটি টোটোও যাতে বাদ না যায় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। এরপরও চালকরা সহযোগিতা না করলে প্রশাসন যা সিদ্ধান্ত নেবে তাতে আমাদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।
শহর সিউড়িকে যানজট মুক্ত করতে টোটোর দাপাদাপিতে রাশ টানার সিদ্ধান্ত হয়। এরপরই সিউড়ি মহকুমা প্রশাসনের সহযোগিতায় শহরের সিধো-কানহো মঞ্চ চত্বরে পুরসভা কিউআর কোড লাগানোর কাজ শুরু করে। নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ায় মেয়াদ বাড়ানো হয়। পুরসভার তরফে জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শনিবার অবধি কিউআর কোড লাগানোর কাজ চলবে। এরপর যদি কোনও টোটোয় কিউআর কোড না থাকে তবে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। প্রয়োজনে জরিমানাও করা হতে পারে। টোটো চালক সাজেদ আনসারি বলেন, সকাল থেকে রুটিরুজির জন্য ছুটতে হচ্ছে। সময় করে উঠতে পারছি না। তবে দ্রুত কিউআর কোড লাগিয়ে নেব। সিউড়ি শহর টোটো ইউনিয়নের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বলেন, অজুহাত দিয়ে টোটো চালকরা দায় সারছে। সেটা আমরাও বুঝতে পেরেছি। চালকদের সচেতন করতে আমরা প্রচার চালাব। একটি টোটোও যাতে বাদ না যায় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। এরপরও চালকরা সহযোগিতা না করলে প্রশাসন যা সিদ্ধান্ত নেবে তাতে আমাদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।



