সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়ার পর্যটন কেন্দ্রগুলি ঢেলে সাজার উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে ঠাঁই পেতে চলেছে ছ’টি স্থান। এলাকাগুলিতে পর্যটক টানতে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকার অর্থনীতি আরও চাঙ্গা হবে। পাশাপাশি পর্যটকমুখর হবে কাটোয়া। কাটোয়া-১ ব্লকের বিডিও ইন্দ্রজিৎ মারিচ বলেন, পর্যটন স্থলগুলির ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আমরা পর্যটন কেন্দ্রগুলির উন্নয়নের জন্য ডিপিআর পাঠিয়েছি।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়া-১ ব্লকে দু’টি ঐতিহাসিক কালীমন্দির সহ ছ’টি পর্যটন কেন্দ্রকে বাছাই করা হয়েছে। সারা বছর যেসব স্থানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটক আসেন সেখানকার পরিস্থিতি জানা হয়েছে। সেসব স্থান ঢেলে সাজার জন্য দেড় থেকে তিন লক্ষ টাকা করে চাওয়া হয়েছে। কাটোয়ার নলাহাটির মুঘল আমলের বড় ঠাকরুন, চুড়পুনির দেবী উমাক্ষার মন্দির, শ্রীপাট জাজিগ্রাম, শ্রীখণ্ডে নরহরি সরকার সহ একাধিক বৈষ্ণব প্রভুর স্থান, কাটোয়ার বিকিহাটে শুকদেব বাবার আশ্রম, একাইহাট পাটবাড়ি পর্যটন মানচিত্রে স্থান পেতে চলেছে। মূলত পর্যটক টানতে গেলে এসব দর্শনীয় স্থানে কী কী প্রয়োজন তা জেনে উদ্যোগ নেবে প্রশাসন। যাতে আগামী দিনে আরও বেশি পর্যটক আসতে পারেন। সম্প্রতি এসব পর্যটন কেন্দ্রগুলির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ব্লক অফিসে ডাকা হয়েছিল। তাঁদের কাছে ইতিহাস ও গুরুত্ব জেনে পর্যটন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। শ্রীপাট জাজিগ্রামে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু রাঢ়বঙ্গে সন্ন্যাস গ্রহণের পর গাছের তলায় বিশ্রাম নিয়েছিলেন। এখানে শ্রীনিবাস আচার্যের লীলাভূমি। পাশাপাশি শ্রীখণ্ডে নরহরি সরকার ঠাকুর, তাঁর শিষ্য লোচনদাস ঠাকুরের স্থান রয়েছে। যিনি ‘শ্রীচৈতন্যমঙ্গল’ গ্রন্থ রচনা করেছিলেন।
এছাড়াও শ্রীখণ্ড গ্রাম বৈষ্ণবধর্মের মানুষের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানেই আছে মুকুন্দ দাস ঠাকুর, রঘুনন্দন ঠাকুর, চিরঞ্জীব ঠাকুর, সুলোচন ঠাকুরের হাজার বছরের প্রাচীন মন্দির। গোপীনাথ মহাপ্রভু, রাধা মদনগোপাল, রাধা মদনমোহন ও রাধাগোবিন্দর প্রাচীন মন্দিরও রয়েছে। প্রতিদিন এসব মন্দিরে পূজার্চনা ও আরতি হয়। প্রসাদ খাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। বিকিহাটে শুকদেব বাবার আশ্রমে দোল উৎসবে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়। তাছাড়া একাইহাট পাটবাড়িও পর্যটনের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পরম বৈষ্ণব কাঁলাকৃষ্ণ দাস এর সমাধিস্থল রয়েছে। ঠাকুর রঘুনন্দনের পায়ের নূপুর পাটবাড়িতে পড়েছে। তাতে নূপুর কুণ্ডু হয়েছে। এছাড়াও নলাহাটি বড় ঠাকরুন মুঘল আমলের ঠাকুর। ঘট ছাড়াই পুজো হয়। পঞ্চমুণ্ডির আসনে বড় ঠাকরুনকে বসিয়ে পুজো শুরু হয়। একসময় নলাহাটি গ্রামে সাধক রুদ্ররাম ভট্টাচার্য সাধনা করতেন। তখন ওই এলাকা ঘন জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল। তাঁর হাত ধরেই প্রতিষ্ঠা হয় মা বড় ঠাকরুনের। তিনি সাধনা শেষে স্বপ্নাদেশ পান। তারপর তালপাতার ছাউনি দেওয়া মন্দির করে তিনি পুজো শুরু করেন। পরবর্তীকালে মুঘল আমলের কেউ মন্দির তৈরিতে সাহায্যে করেন। ভট্টাচার্য পরিবারের হাত ধরেও পুজোর সূচনা হলেও বর্তমানে ভট্টাচার্য, বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখোপাধ্যায়, চট্টোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যরা পুজো পরিচালনা করে আসছেন। মা বড় ঠাকরুনের হাড়িকাঠ গ্রানাইটের পাথরের তৈরি। পাশেই রয়েছে নহবতখানা।
এসব দর্শনীয় স্থানে বছরভর পর্যটক আসেন। তাই তাঁদের খাওয়াদাওয়া থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করার জন্যই রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে আনার উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন।
এছাড়াও শ্রীখণ্ড গ্রাম বৈষ্ণবধর্মের মানুষের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানেই আছে মুকুন্দ দাস ঠাকুর, রঘুনন্দন ঠাকুর, চিরঞ্জীব ঠাকুর, সুলোচন ঠাকুরের হাজার বছরের প্রাচীন মন্দির। গোপীনাথ মহাপ্রভু, রাধা মদনগোপাল, রাধা মদনমোহন ও রাধাগোবিন্দর প্রাচীন মন্দিরও রয়েছে। প্রতিদিন এসব মন্দিরে পূজার্চনা ও আরতি হয়। প্রসাদ খাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। বিকিহাটে শুকদেব বাবার আশ্রমে দোল উৎসবে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়। তাছাড়া একাইহাট পাটবাড়িও পর্যটনের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পরম বৈষ্ণব কাঁলাকৃষ্ণ দাস এর সমাধিস্থল রয়েছে। ঠাকুর রঘুনন্দনের পায়ের নূপুর পাটবাড়িতে পড়েছে। তাতে নূপুর কুণ্ডু হয়েছে। এছাড়াও নলাহাটি বড় ঠাকরুন মুঘল আমলের ঠাকুর। ঘট ছাড়াই পুজো হয়। পঞ্চমুণ্ডির আসনে বড় ঠাকরুনকে বসিয়ে পুজো শুরু হয়। একসময় নলাহাটি গ্রামে সাধক রুদ্ররাম ভট্টাচার্য সাধনা করতেন। তখন ওই এলাকা ঘন জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল। তাঁর হাত ধরেই প্রতিষ্ঠা হয় মা বড় ঠাকরুনের। তিনি সাধনা শেষে স্বপ্নাদেশ পান। তারপর তালপাতার ছাউনি দেওয়া মন্দির করে তিনি পুজো শুরু করেন। পরবর্তীকালে মুঘল আমলের কেউ মন্দির তৈরিতে সাহায্যে করেন। ভট্টাচার্য পরিবারের হাত ধরেও পুজোর সূচনা হলেও বর্তমানে ভট্টাচার্য, বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখোপাধ্যায়, চট্টোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যরা পুজো পরিচালনা করে আসছেন। মা বড় ঠাকরুনের হাড়িকাঠ গ্রানাইটের পাথরের তৈরি। পাশেই রয়েছে নহবতখানা।
এসব দর্শনীয় স্থানে বছরভর পর্যটক আসেন। তাই তাঁদের খাওয়াদাওয়া থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করার জন্যই রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে আনার উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন।



