সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়া রেলগেট সংলগ্ন চাউলপট্টিতে রেলের জায়গা জবর দখল করে তৈরি করা দোকান, বস্তি বাড়ি ভেঙে দিল রেল। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই একের পর এক দোকান, ঝুপড়ি ঘর ভেঙে দেওয়া হয়। আরপিএফকে সঙ্গে নিয়ে দখল মুক্ত করল রেলের অফিসাররা। ওই এলাকায় বেশির ভাগই রেলের জায়গায় অস্থায়ী ভাবে শেড তৈরি করে চালের ব্যবসা করতেন। অনেকে আবার বস্তা সেলাই, মাটির ভাঁড় তৈরি করতেন। কেউ দশকর্মার দোকান খুলে বসেছিলেন। অনেকে বহু বছর ধরে করোগেটেড ছাউনি দেওয়া ঘরে বসবাস করতেন। এদিন সব ভেঙে দেওয়া হয়। মাথাগোঁজার ঠাঁই হারিয়ে চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন বহু বাসিন্দা।
Advertisement
কাটোয়া আরপিএফের ইনসপেক্টর আশুতোষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রেল আগেই জবর দখল করে থাকা দোকান ও ঝুপড়ি ঘর সরিয়ে দিতে নোটসি দিয়েছিল। এদিন সেসব দোকান ও ঝুপড়ি ঘর ভেঙে রেলের জমি দখলমুক্ত করা হয়। কারণ রেলের প্রতিটা স্টেশনেই এখন উন্নয়ন কর্মসূচি চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়া-ব্যান্ডেল শাখার কাটোয়া রেলগেট সংলগ্ন চাউলপট্টিতে প্রচুর অস্থায়ী দোকান ঘর ছিল। রাস্তার একপাশে দীর্ঘদিন ধরে বহু বেকার মানুষ সেখানে অস্থায়ী ভাবে দোকান ঘর করে ব্যবসা করছিলেন। এদিন আচমকা আরপিএফ ও রেলের অফিসাররা প্রায় ৪৯টি দোকান ও ঝুপড়ি জেসিবি দিয়ে ভেঙে দেয়। মনিকা সাহানি, নারান সাহানি বলেন, আমরা বহু বছর ধরে ঝুপড়ি করে থাকতাম। আমাদের ঘর ভেঙে দিল রেল। তাঁবু খাটিয়ে থাকা ছাড়া কোনও উপায় নেই।
চাউলপট্টিতে দোকান ভেঙে দেওয়ার পর ব্যবসায়ী গণেশ সাউ, প্রেম সাউ, শঙ্কর সাউরা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এখানে বস্তা সেলাই করেই সংসার চালাতাম। রেল এভাবে তুলে দেওয়ায় এখন আমরা সংসার চালাব কীভাবে বুঝতে পারছি না। আমাদের যদি অন্য কোথাও ব্যবসার সুযোগ করে দিত তাহলে সংসারটা অন্তত বাঁচত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়া-ব্যান্ডেল শাখার কাটোয়া রেলগেট সংলগ্ন চাউলপট্টিতে প্রচুর অস্থায়ী দোকান ঘর ছিল। রাস্তার একপাশে দীর্ঘদিন ধরে বহু বেকার মানুষ সেখানে অস্থায়ী ভাবে দোকান ঘর করে ব্যবসা করছিলেন। এদিন আচমকা আরপিএফ ও রেলের অফিসাররা প্রায় ৪৯টি দোকান ও ঝুপড়ি জেসিবি দিয়ে ভেঙে দেয়। মনিকা সাহানি, নারান সাহানি বলেন, আমরা বহু বছর ধরে ঝুপড়ি করে থাকতাম। আমাদের ঘর ভেঙে দিল রেল। তাঁবু খাটিয়ে থাকা ছাড়া কোনও উপায় নেই।
চাউলপট্টিতে দোকান ভেঙে দেওয়ার পর ব্যবসায়ী গণেশ সাউ, প্রেম সাউ, শঙ্কর সাউরা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এখানে বস্তা সেলাই করেই সংসার চালাতাম। রেল এভাবে তুলে দেওয়ায় এখন আমরা সংসার চালাব কীভাবে বুঝতে পারছি না। আমাদের যদি অন্য কোথাও ব্যবসার সুযোগ করে দিত তাহলে সংসারটা অন্তত বাঁচত।



