নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: এবার ‘কমিশন’ না মেলায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল জেলা পরিষদের তৃণমূলের সদস্যার স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় সরগরম পুরুলিয়া জেলা পরিষদ। কাজে বাধা পেয়ে ওই নির্মাণকারী সংস্থার তরফে পুরুলিয়ার জেলাশাসক থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। সংস্থার কর্ণধারের দাবি, এভাবে যদি কমিশন দিতে হয় তাহলে কাজ করব কী করে? যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই সদস্যার স্বামী।
Advertisement
জেলা পরিষদ সূত্রের খবর, ঝালদা-২ ব্লকের চিটমু ভিআইপি মোড় থেকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র পর্যন্ত রাস্তার দূরত্ব মেরেকেটে ৫৫০ মিটার। তবে, এতদিন কোনও রাস্তা ছিল না। মেঠো পথ ধরেই যাতায়াত করতেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাই তাঁরা ওই এলাকায় একটি রাস্তার দাবি করে আসছিলেন। বাসিন্দাদের দাবি বিবেচনা করে জেলা পরিষদের তরফে রাস্তা তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়। পঞ্চদশ অর্থ কমিশন থেকে রাস্তার কাজের জন্য ২৫লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজের বরাত পায় ঠিকাদার সংস্থা। গত ২২ অক্টোবর ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়। তিন মাসের মধ্যে কাজ শেষের নির্দেশ দেওয়া হয়। সম্প্রতি সেই কাজ করতে গিয়েই সংস্থার কর্মীরা বাধার মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ।
গত সোমবার থেকে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জেসিবি দিয়ে মাটি সমান করার কাজ চলছে। অভিযোগ, রাস্তার কাজ হচ্ছে জানতে পেরেই বুধবার ওই এলাকায় দলবল নিয়ে যান স্থানীয় জেলা পরিষদের তৃণমূল সদস্যা যুগ্নিবালা গড়াইয়ের স্বামী মন্টু গড়াই ও ছেলে আস্তিক। তাঁরা ১০শতাংশ ‘কাটমানি’ দাবি করেন। কিন্তু ঠিকাদার দিতে অস্বীকার করায় তাঁরা কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ। কর্মরত শ্রমিকদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন। ঘটনার ভিডিও করতে গেলে মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। বাধ্য হয়ে কাজ বন্ধ রেখে ফিরে যান শ্রমিকরা। এরপরেই ওই সংস্থার তরফে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে লিখিত অভিযোগ করা হয়। ওই ঠিকাদার সংস্থার কর্ণধার বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বরাদ্দ অর্থের থেকে প্রায় ২০শতাংশ কমে কাজের বরাত পেয়েছি। এরপর যদি কমিশন দিতে হয়, তাহলে কীভাবে রাস্তার কাজ হবে? বিষয়টি লিখিতভাবে যেখানে জানানোর জানিয়েছি।
এব্যাপারে জেলা পরিষদের সদস্যার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে তাঁর স্বামী বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এলাকার বাসিন্দাদের ডাকে রাস্তার কাজ পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। বাসিন্দাদের দাবি ছিল, জায়গা মেপে রাস্তার কাজ করতে হবে। কী কাজ হচ্ছে, তার বোর্ড লাগাতে হবে। সেটাই ওদের বলতে গিয়েছিলাম। আমাদের সঙ্গে অভদ্র আচরণ করা হয়। তারপর জানতে পারি, যে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে, এদিন জেলা পরিষদে গ্রামবাসীদের তরফে পাল্টা একটি অভিযোগও জমা পড়েছে। জেলা পরিষদের সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাত বলেন, প্রায় ১৫০জন গ্রামবাসী পাল্টা অভিযোগ করেছেন। ঠিকাদার সংস্থার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়াই কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি তৈরি করা হচ্ছে। তাছাড়া ১০শতাংশ কমিশনের যে তত্ত্ব খাড়া করা হচ্ছে, সেব্যাপারে কী প্রমাণ আছে, তাও জানতে চাওয়া হবে।
গত সোমবার থেকে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জেসিবি দিয়ে মাটি সমান করার কাজ চলছে। অভিযোগ, রাস্তার কাজ হচ্ছে জানতে পেরেই বুধবার ওই এলাকায় দলবল নিয়ে যান স্থানীয় জেলা পরিষদের তৃণমূল সদস্যা যুগ্নিবালা গড়াইয়ের স্বামী মন্টু গড়াই ও ছেলে আস্তিক। তাঁরা ১০শতাংশ ‘কাটমানি’ দাবি করেন। কিন্তু ঠিকাদার দিতে অস্বীকার করায় তাঁরা কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ। কর্মরত শ্রমিকদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন। ঘটনার ভিডিও করতে গেলে মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। বাধ্য হয়ে কাজ বন্ধ রেখে ফিরে যান শ্রমিকরা। এরপরেই ওই সংস্থার তরফে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে লিখিত অভিযোগ করা হয়। ওই ঠিকাদার সংস্থার কর্ণধার বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বরাদ্দ অর্থের থেকে প্রায় ২০শতাংশ কমে কাজের বরাত পেয়েছি। এরপর যদি কমিশন দিতে হয়, তাহলে কীভাবে রাস্তার কাজ হবে? বিষয়টি লিখিতভাবে যেখানে জানানোর জানিয়েছি।
এব্যাপারে জেলা পরিষদের সদস্যার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে তাঁর স্বামী বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এলাকার বাসিন্দাদের ডাকে রাস্তার কাজ পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। বাসিন্দাদের দাবি ছিল, জায়গা মেপে রাস্তার কাজ করতে হবে। কী কাজ হচ্ছে, তার বোর্ড লাগাতে হবে। সেটাই ওদের বলতে গিয়েছিলাম। আমাদের সঙ্গে অভদ্র আচরণ করা হয়। তারপর জানতে পারি, যে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে, এদিন জেলা পরিষদে গ্রামবাসীদের তরফে পাল্টা একটি অভিযোগও জমা পড়েছে। জেলা পরিষদের সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাত বলেন, প্রায় ১৫০জন গ্রামবাসী পাল্টা অভিযোগ করেছেন। ঠিকাদার সংস্থার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়াই কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি তৈরি করা হচ্ছে। তাছাড়া ১০শতাংশ কমিশনের যে তত্ত্ব খাড়া করা হচ্ছে, সেব্যাপারে কী প্রমাণ আছে, তাও জানতে চাওয়া হবে।



