সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়া মহকুমাজুড়ে বাড়ছে শিয়ালের সংখ্যা। বিকেল হলেই মাঠের ধারে ঝোপজঙ্গল থেকে শিয়ালের দল বেরিয়ে পড়ছে। আশপাশের পোল্ট্রি ফার্মগুলি থেকে মুরগি টেনে নিয়ে যাচ্ছে। নাজেহাল মঙ্গলকোটের ফার্ম মালিকরা। মুরগি বাঁচাতে ফার্ম চত্বর জাল দিয়ে ঘিরে রাখছেন তাঁরা। আক্রমণাত্মক হয়ে শিয়ালের দল আক্রমণ করছে মানুষদেরও।
Advertisement
পূর্ব বর্ধমান জেলার বনদপ্তরের এডিএফও সৌগত মুখোপাধ্যায় অবশ্য বলেন, শিয়ালের সংখ্যা বাড়ছে, এটা খুব ভালো। তবে সেগুলি আক্রমণাত্মক আচরণ করছে এমন খবর পেলে আমরা খতিয়ে দেখি।
একটা সময় ছিল যখন দিনের বেলায় শিয়ালের দেখা মিলত না। শীতের সন্ধ্যায় মাঠে ধান কাটার পর হুক্কাহুয়া ডাক শুনতে পাওয়া যেত। সেখানে এখন সারাদিন কুকুরের মতোই শিয়াল ঘুরে বেড়ায়। বিশেষজ্ঞদের দাবি, খাদ্যাভাস বদলাচ্ছে শিয়ালের। আগে যেমন মাঠের কচু, আলু তুলে খেত, এখন তার বদলে গ্রামের দিকে হাঁস, মুরগি চুরি করে নিয়ে পালাচ্ছে। পোল্ট্রি ফার্ম থাকলে তো কথাই নেই, বিকেল থেকেই ফার্মের পাশেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আঁধার নামার।
কয়েকদিন ধরে মঙ্গলকোটের খেড়ুয়া, শাঁড়ি প্রভৃতি গ্রামগুলিতে শিয়ালের উপদ্রব ব্যাপক বেড়েছে। ওই গ্রামগুলিতে পোল্ট্রি ফার্ম বেশি। খেড়ুয়া গ্রামের বাসিন্দা দেবু ধারা বলেন, শিয়ালের উপদ্রব বেড়েছে। মুরগি নিয়ে পালাচ্ছে শিয়ালের দল। গ্রামের বাসিন্দা ফার্ম মালিক প্রসেনজিৎ ঘোষ জানান, তাঁর ফার্ম থেকে প্রায়ই মুরগি চুরি করে নিয়ে পালাচ্ছে শিয়ালের দল। উপদ্রব ঠেকাতে এখন ফার্মের চারিদিকে জাল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে কেতুগ্রাম-২ ব্লকেরও একই চিত্র। ভাগীরথীর পাড় এলাকা সীতাহাটি পঞ্চায়েতের উদ্ধারণপুর থেকে মাসিসাঁকো পর্যন্ত এক একটি দলে ১০-১৫টি করে শিয়াল থাকছে। কেতুগ্রাম-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশ বিশ্বাস বলেন, বিকেল হলে যেভাবে শিয়ালের দল রাস্তায় উঠে আসছে, তাতে বাইক নিয়ে যাওয়ার উপায় নেই। ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনা ঘটছে।
গত মঙ্গলবার দিনদুপুরে গুসকরার ইটাচাঁদায় শিয়ালের কামড়ে জখম হয়েছিলেন বধূ মালা দাস। তিনি তাঁর স্বামীর বাইকে চড়ে মাঠে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ে মাঠের রাস্তায় একটি শিয়াল তাড়া করে এসে বধূর পায়ে কামড়ে দেয়। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিনের জন্য বধূকে বন নবগ্রাম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, দু’ বছর আগে কাটোয়া থানার করুই, গিঁধগ্রাম, কারুলিয়া, কৈথন গ্রামগুলিতে ব্যাপক ভাবে শিয়ালের আক্রমণ বেড়ে গিয়েছিল। অনেকেই শিয়ালের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন। রাতভর খাঁচা পেতে মুরগির টোপ দিয়েও শিয়াল ধরতে পারেনি বনদপ্তর। কাটোয়া-১ ব্লকের কারুলিয়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান, আক্রমনাত্মক হয়ে উঠেছিল শিয়ালগুলি। কাউকে বাড়িতে ঢুকে কামড়াচ্ছে। আবার কেউ বাড়ির সামনে শিয়ালের আক্রমণের মুখে পড়েন। এবারও বাড়িতে ঢুকে হাঁস, মুরগি চুরি করছে।
একটা সময় ছিল যখন দিনের বেলায় শিয়ালের দেখা মিলত না। শীতের সন্ধ্যায় মাঠে ধান কাটার পর হুক্কাহুয়া ডাক শুনতে পাওয়া যেত। সেখানে এখন সারাদিন কুকুরের মতোই শিয়াল ঘুরে বেড়ায়। বিশেষজ্ঞদের দাবি, খাদ্যাভাস বদলাচ্ছে শিয়ালের। আগে যেমন মাঠের কচু, আলু তুলে খেত, এখন তার বদলে গ্রামের দিকে হাঁস, মুরগি চুরি করে নিয়ে পালাচ্ছে। পোল্ট্রি ফার্ম থাকলে তো কথাই নেই, বিকেল থেকেই ফার্মের পাশেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আঁধার নামার।
কয়েকদিন ধরে মঙ্গলকোটের খেড়ুয়া, শাঁড়ি প্রভৃতি গ্রামগুলিতে শিয়ালের উপদ্রব ব্যাপক বেড়েছে। ওই গ্রামগুলিতে পোল্ট্রি ফার্ম বেশি। খেড়ুয়া গ্রামের বাসিন্দা দেবু ধারা বলেন, শিয়ালের উপদ্রব বেড়েছে। মুরগি নিয়ে পালাচ্ছে শিয়ালের দল। গ্রামের বাসিন্দা ফার্ম মালিক প্রসেনজিৎ ঘোষ জানান, তাঁর ফার্ম থেকে প্রায়ই মুরগি চুরি করে নিয়ে পালাচ্ছে শিয়ালের দল। উপদ্রব ঠেকাতে এখন ফার্মের চারিদিকে জাল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে কেতুগ্রাম-২ ব্লকেরও একই চিত্র। ভাগীরথীর পাড় এলাকা সীতাহাটি পঞ্চায়েতের উদ্ধারণপুর থেকে মাসিসাঁকো পর্যন্ত এক একটি দলে ১০-১৫টি করে শিয়াল থাকছে। কেতুগ্রাম-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশ বিশ্বাস বলেন, বিকেল হলে যেভাবে শিয়ালের দল রাস্তায় উঠে আসছে, তাতে বাইক নিয়ে যাওয়ার উপায় নেই। ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনা ঘটছে।
গত মঙ্গলবার দিনদুপুরে গুসকরার ইটাচাঁদায় শিয়ালের কামড়ে জখম হয়েছিলেন বধূ মালা দাস। তিনি তাঁর স্বামীর বাইকে চড়ে মাঠে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ে মাঠের রাস্তায় একটি শিয়াল তাড়া করে এসে বধূর পায়ে কামড়ে দেয়। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিনের জন্য বধূকে বন নবগ্রাম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, দু’ বছর আগে কাটোয়া থানার করুই, গিঁধগ্রাম, কারুলিয়া, কৈথন গ্রামগুলিতে ব্যাপক ভাবে শিয়ালের আক্রমণ বেড়ে গিয়েছিল। অনেকেই শিয়ালের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন। রাতভর খাঁচা পেতে মুরগির টোপ দিয়েও শিয়াল ধরতে পারেনি বনদপ্তর। কাটোয়া-১ ব্লকের কারুলিয়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান, আক্রমনাত্মক হয়ে উঠেছিল শিয়ালগুলি। কাউকে বাড়িতে ঢুকে কামড়াচ্ছে। আবার কেউ বাড়ির সামনে শিয়ালের আক্রমণের মুখে পড়েন। এবারও বাড়িতে ঢুকে হাঁস, মুরগি চুরি করছে।



