সংবাদদাতা, কাঁথি: কাঁথি সহ বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল চুরির ঘটনায় এবার এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম আজিম শেখ। বাড়ি বাংলাদেশের যশোহর জেলার বেলতলা বৌবাজার এলাকায়। সে চোরাই মালপত্রের ‘রিসিভার’ হিসেবে কাজ করত। তবে বাংলাদেশে বাড়ি হলেও বর্তমানে কলকাতার ওয়াটগঞ্জ থানার কবিতীর্থ সরণী এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়িতে থাকত। মেডিক্যাল ভিসায় সে কলকাতায় এসেছিল।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, কাঁথির সাতমাইলে মোবাইল দোকানে চুরির ঘটনায় আগে নুরুল ইসলাম নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাকে জেরা করে ২৬টি মোবাইল, প্রিন্টার, ল্যামিনেশনের মেশিন উদ্ধার হয়েছিল। তার কাছ থেকেই চুরি যাওয়া মালপত্রের রিসিভার আজিমের নাম জানা যায়। সেইমতো তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিস আরও জানতে পেরেছে, বাংলাদেশে আজিমের মোবাইলের দোকান রয়েছে। এখানে চোরাই ফোন অল্প দামে কেনার পর সে নিজের দোকানে পাঠিয়ে দিত। আজিমকে গ্রেপ্তারের জন্য ফাঁদ পাতে পুলিস। পুলিস হেফাজতে থাকা নুরুলকে মঙ্গলবার কলকাতা নিয়ে গিয়ে তাকে দিয়ে ফোন করানো হয়। নুরুল আজিমকে বলে, তার কাছে কয়েকটি ফোন রয়েছে। ফোন নেওয়ার জন্য খিদিরপুর ফ্যান্সি মার্কেটে আসে আজিম। তখনই আজিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। বুধবার আজিমকে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। তদন্তকারী অফিসার প্রণব বেরা বলেন, ধৃতদের জেরা করে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চালাচ্ছি। আমরা আশাবাদী, চুরি যাওয়া ফোন সহ অন্যান্য মালপত্র সবই উদ্ধার হবে।
পুলিস আরও জানতে পেরেছে, বাংলাদেশে আজিমের মোবাইলের দোকান রয়েছে। এখানে চোরাই ফোন অল্প দামে কেনার পর সে নিজের দোকানে পাঠিয়ে দিত। আজিমকে গ্রেপ্তারের জন্য ফাঁদ পাতে পুলিস। পুলিস হেফাজতে থাকা নুরুলকে মঙ্গলবার কলকাতা নিয়ে গিয়ে তাকে দিয়ে ফোন করানো হয়। নুরুল আজিমকে বলে, তার কাছে কয়েকটি ফোন রয়েছে। ফোন নেওয়ার জন্য খিদিরপুর ফ্যান্সি মার্কেটে আসে আজিম। তখনই আজিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। বুধবার আজিমকে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। তদন্তকারী অফিসার প্রণব বেরা বলেন, ধৃতদের জেরা করে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চালাচ্ছি। আমরা আশাবাদী, চুরি যাওয়া ফোন সহ অন্যান্য মালপত্র সবই উদ্ধার হবে।



