সংবাদদাতা, কাঁথি: এগরার দীঘা মোড়ে কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ডেলিগেট নির্বাচনে জয়ের পর তৃণমূলের সভায় এলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। সেখানে নিজের বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে ২৯টি আসন তৃণমূলের দখলে এসেছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনেও গতবারের তুলনায় আসনসংখ্যা বাড়বে। কয়েকদিন আগেই এগরায় সভা করেছিল বিজেপি। সেখানে প্রধান বক্তা ছিলেন বিরোধী দলনেতা। তারই পাল্টা হিসেবে এদিন তৃণমূল সভা করে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।
Advertisement
এদিন এগরা শহর তৃণমূলের তরফে এই সভা আয়োজিত হয়। সেখানে ব্যাঙ্কের নির্বাচনে জয়ের জন্য শেয়ারহোল্ডার ও এগরাবাসীকে অভিনন্দন জানানো হয়। ওই সভায় পটাশপুরের বিধায়ক উত্তম বারিক, এগরার বিধায়ক তরুণকুমার মাইতি, দলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি পীযূষকান্তি পণ্ডা সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলার বেশ কিছু সমবায় নির্বাচনে বিজেপিকে টেক্কা দিয়ে জয়ের শিরোপা ছিনিয়ে এনেছে তৃণমূল। পরিবহণমন্ত্রী বলেন, মানুষ যে বিজেপিকে চায় না, কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনে তৃণমূলের বিপুল জয়ে তা ফের প্রমাণিত। কেন্দ্রে ক্ষমতায় থেকে বিজেপি সাম্প্রদায়িক বিভেদ তৈরি করছে। বাংলায় ১০০দিনের কাজ বন্ধ করেছে। মানুষ এটা মেনে নেয়নি। লোকসভা নির্বাচনে তার উপযুক্ত জবাব পেয়েছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সবাই দেশে বিরোধী জোটের মুখ হিসেবে দেখতে চাইছেন। কারণ তিনিই একমাত্র নেত্রী, যিনি বিজেপিকে রুখে দিতে পারেন। কর্মীদের কাজ নিজের এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। আগামী বিধানসভা ভোট যাতে রাজ্যে বিজেপির শেষ নির্বাচন হয়, সেজন্য নেতাকর্মীদের এখন থেকেই প্রস্তুত হতে হবে।
সভায় দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা এগরা-২ ব্লকের বিবেকানন্দ পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান রাজনারায়ণ মান্না তাঁর অনুগামীদের নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। এগরা শহরের কয়েকজন তৃণমূল নেতাকর্মীও সভায় যোগ দিয়ে দলের মূলস্রোতে ফেরেন।
জেলার বেশ কিছু সমবায় নির্বাচনে বিজেপিকে টেক্কা দিয়ে জয়ের শিরোপা ছিনিয়ে এনেছে তৃণমূল। পরিবহণমন্ত্রী বলেন, মানুষ যে বিজেপিকে চায় না, কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনে তৃণমূলের বিপুল জয়ে তা ফের প্রমাণিত। কেন্দ্রে ক্ষমতায় থেকে বিজেপি সাম্প্রদায়িক বিভেদ তৈরি করছে। বাংলায় ১০০দিনের কাজ বন্ধ করেছে। মানুষ এটা মেনে নেয়নি। লোকসভা নির্বাচনে তার উপযুক্ত জবাব পেয়েছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সবাই দেশে বিরোধী জোটের মুখ হিসেবে দেখতে চাইছেন। কারণ তিনিই একমাত্র নেত্রী, যিনি বিজেপিকে রুখে দিতে পারেন। কর্মীদের কাজ নিজের এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। আগামী বিধানসভা ভোট যাতে রাজ্যে বিজেপির শেষ নির্বাচন হয়, সেজন্য নেতাকর্মীদের এখন থেকেই প্রস্তুত হতে হবে।
সভায় দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা এগরা-২ ব্লকের বিবেকানন্দ পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান রাজনারায়ণ মান্না তাঁর অনুগামীদের নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। এগরা শহরের কয়েকজন তৃণমূল নেতাকর্মীও সভায় যোগ দিয়ে দলের মূলস্রোতে ফেরেন।



