সংবাদদাতা, কাঁথি: শনিবার রাতে কাঁথিতে সরকারি বাস থেকে ১৩২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করল কাঁথি থানার পুলিস। সেই সঙ্গে তিনজন মহিলা সহ ১১ জন গাঁজা কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনায় কাঁথি শহরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। ওড়িশা থেকে আনা ওই বিপুল পরিমাণ গাঁজা এ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় পাচারের জন্য নিয়ে আসছিল কারবারিরা। এই কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল মহিলাদেরও। সকলেই বাসে যাত্রী সেজে বসেছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ওই বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার ও অভিযুক্তদের ধরে পুলিস।
Advertisement
দীঘা-আসানসোল রুটের একটি সরকারি বাস থেকে ওই পরিমাণ গাঁজা সহ ১১ জনকে পাকড়াও করে পুলিস। গাঁজা কারবারিরা প্রথমে ২০টি ব্যাগে ওড়িশা থেকে বাসে ওই গাঁজা দীঘায় নিয়ে আসে। এরপর তারা ওই সরকারি বাসে চাপে। ধৃতদের অধিকাংশই বর্ধমানের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। বাকিদের বাড়ি মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম জেলায়। সকলে আন্তঃরাজ্য গাঁজা পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে জানতে পেরেছে পুলিস। রবিবার তাদের কাঁথি এসিজেএম স্পেশাল কোর্টে তোলা হয়। এর মধ্যে আটজন গাঁজা কারবারিকে পাঁচ দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।
শনিবার রাতে পুলিসের কাছে খবর আসে, দীঘা থেকে আসা একটি বাসে বিপুল পরিমাণ গাঁজা নিয়ে আসছে কারবারিরা। এরপর মহকুমা পুলিস আধিকারিক দিবাকর দাস ও আইসি প্রদীপকুমার দাঁ’র নেতৃত্বে বিশাল বাহিনী শহরের খড়্গপুর ও দীঘা বাইপাস এলাকায় অপেক্ষায় থাকে। বাসটি খড়্গপুর বাইপাস এলে পুলিস তাতে তল্লাশি চালায়। দেখা যায়, সেটা সরকারি বাস। তল্লাশিতে ট্রাভেল ব্যাগ সহ বিভিন্ন ব্যাগে থরে থরে সাজানো গাঁজার প্যাকেট পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস মহিলা সহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর বাসটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
বাসের কর্মীরা পুলিসকে জানান, অভিযুক্তদের দেখে সন্দেহজনক কিছু মনে হয়নি। এই বিপুল পরিমাণ গাঁজার প্যাকেট উদ্ধার হওয়ার পর তা হিসেব-নিকেশ করতে রাত কাবার হয়ে যায়। মহকুমা পুলিস আধিকারিক বলেন, আমরা জানতে পেরেছি, ওড়িশা থেকে গাঁজা নিয়ে এসে বর্ধমান সহ বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এদের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, তা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা চলছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য, দীঘায় ওড়িশা বর্ডার এলাকা এখন গাঁজা পাচারের ‘করিডর’ হয়ে উঠেছে। ওড়িশার বিভিন্ন এলাকা থেকে খুব সহজেই দীঘা হয়ে এরাজ্যে দেদার গাঁজা নিয়ে ঢুকছে কারবারিরা। কখনও সরকারি বা লোকাল বাসে আবার কখনও প্রাইভেট গাড়িতে লুকিয়ে গাঁজা নিয়ে আসা হচ্ছে। তারপর সেই গাঁজা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করা হচ্ছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার গাঁজা সহ কারবারিরা পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। তারপরও গাঁজা পাচারের ঘটনায় কোনওভাবে ভাটা পড়েনি। তবে এই ঘটনার পর ওড়িশা বর্ডার এলাকায় নাকা তল্লাশির জোরদার করার দাবি উঠেছে। মহকুমা পুলিস আধিকারিক বলেন, ওড়িশা সীমান্ত এলাকায় নাকা তল্লাশির উপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার রাতে পুলিসের কাছে খবর আসে, দীঘা থেকে আসা একটি বাসে বিপুল পরিমাণ গাঁজা নিয়ে আসছে কারবারিরা। এরপর মহকুমা পুলিস আধিকারিক দিবাকর দাস ও আইসি প্রদীপকুমার দাঁ’র নেতৃত্বে বিশাল বাহিনী শহরের খড়্গপুর ও দীঘা বাইপাস এলাকায় অপেক্ষায় থাকে। বাসটি খড়্গপুর বাইপাস এলে পুলিস তাতে তল্লাশি চালায়। দেখা যায়, সেটা সরকারি বাস। তল্লাশিতে ট্রাভেল ব্যাগ সহ বিভিন্ন ব্যাগে থরে থরে সাজানো গাঁজার প্যাকেট পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস মহিলা সহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর বাসটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
বাসের কর্মীরা পুলিসকে জানান, অভিযুক্তদের দেখে সন্দেহজনক কিছু মনে হয়নি। এই বিপুল পরিমাণ গাঁজার প্যাকেট উদ্ধার হওয়ার পর তা হিসেব-নিকেশ করতে রাত কাবার হয়ে যায়। মহকুমা পুলিস আধিকারিক বলেন, আমরা জানতে পেরেছি, ওড়িশা থেকে গাঁজা নিয়ে এসে বর্ধমান সহ বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এদের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, তা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা চলছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য, দীঘায় ওড়িশা বর্ডার এলাকা এখন গাঁজা পাচারের ‘করিডর’ হয়ে উঠেছে। ওড়িশার বিভিন্ন এলাকা থেকে খুব সহজেই দীঘা হয়ে এরাজ্যে দেদার গাঁজা নিয়ে ঢুকছে কারবারিরা। কখনও সরকারি বা লোকাল বাসে আবার কখনও প্রাইভেট গাড়িতে লুকিয়ে গাঁজা নিয়ে আসা হচ্ছে। তারপর সেই গাঁজা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করা হচ্ছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার গাঁজা সহ কারবারিরা পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। তারপরও গাঁজা পাচারের ঘটনায় কোনওভাবে ভাটা পড়েনি। তবে এই ঘটনার পর ওড়িশা বর্ডার এলাকায় নাকা তল্লাশির জোরদার করার দাবি উঠেছে। মহকুমা পুলিস আধিকারিক বলেন, ওড়িশা সীমান্ত এলাকায় নাকা তল্লাশির উপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হচ্ছে।



