নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: আটটি পঞ্চায়েতের ছ’টিতেই গৃহীত হয়েছে প্রকল্প। কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে পাঁচটিতে। ফলে, হরিণঘাটা ব্লক কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে জেলার সব ব্লককে টেক্কা দিয়ে উঠে এসেছে প্রথম সারিতে। সবমিলিয়ে বরাদ্দ হয়েছে প্রায় ২৩ লক্ষ টাকা।
Advertisement
সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট বা কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে জেলার দশটি গ্রাম পঞ্চায়েত ছিল টার্গেট। সেই মতো পায়রাডাঙ্গা, আনুলিয়া, তাঁতলা ২, রুই পুকুর, বার্ণপুর সহ মোট সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। পরবর্তী ধাপে স্বরূপগঞ্জ, চাপড়া এবং হাঁসখালিতেও শুরু হয় এই প্রকল্পের কাজ। কিছুটা পিছিয়ে থেকেই দৌড় শুরু করেছিল হরিণঘাটা ব্লক। কিন্তু, দেখা গিয়েছে, আশপাশের ব্লককে তো বটেই, প্রতিবেশী রানাঘাট মহকুমারও একাধিক ব্লককে রীতিমতো টেক্কা দিয়ে জেলায় কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়নে সফল হরিণঘাটা।
সাজানো-গোছানো শহর কল্যাণীর গা ঘেঁষা হরিণঘাটা ব্লকে রয়েছে মোট মোট ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েত। এরমধ্যে ৬টিতেই সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প গৃহীত হয়েছে। যার মধ্যে পাঁচটি প্রকল্প ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে। তালিকায় রয়েছে বিরহী ১ ও ২, নগরউখড়া ২, কাষ্ঠডাঙ্গা ২। এছাড়াও কাষ্ঠডাঙ্গা ১ পঞ্চায়েত এলাকাতেও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রকল্প তৈরি হয়েছে। তাতেই জুড়ে দেওয়া হয়েছে নগরউখড়া ১ এবং ফতেহপুর পঞ্চায়েতকে। একমাত্র মোল্লাবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতেই প্রকল্পের কাজ ঝুলে রয়েছে জমি জটে। কারণ বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা তৈরির জন্য উপযুক্ত জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না সেখানে। প্রশাসনিক হিসেব বলছে, এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পে খরচ হয়েছে ২২ লক্ষ ২৯ হাজার ৪৫১ টাকা।
অথচ, ব্লক কল্যাণীর ৭টি পঞ্চায়েতের মধ্যে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প হয়েছে মাত্র তিনটিতে। রানাঘাট ১ ব্লকের পায়রাডাঙ্গা এবং আনুলিয়া পঞ্চায়েতে এই প্রকল্প চলছে। বাকি প্রায় সব জায়গাতেই জমি জোটের কারণে থমকে রয়েছে প্রকল্প। হরিণঘাটা ব্লকের বিডিও মহাশ্বেতা বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা দ্রুত মোল্লাবেরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে জমি জট মিটিয়ে প্রকল্পের কাজ শুরু করতে চাইছি। যেহেতু আমাদের ব্লকের চরিত্র প্রায় শহুরে তাই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকলে দূষণ অন্যতম সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। তাই আমরা প্রথম থেকেই প্রকল্প গুরুত্ব সহকারে দেখেছি। অধিকাংশ জায়গাতেই চালু হয়ে গিয়েছে। যতটুকু বাকি রয়েছে, তাও নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে চালু করার সবরকম চেষ্টা করছি।’
সাজানো-গোছানো শহর কল্যাণীর গা ঘেঁষা হরিণঘাটা ব্লকে রয়েছে মোট মোট ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েত। এরমধ্যে ৬টিতেই সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প গৃহীত হয়েছে। যার মধ্যে পাঁচটি প্রকল্প ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে। তালিকায় রয়েছে বিরহী ১ ও ২, নগরউখড়া ২, কাষ্ঠডাঙ্গা ২। এছাড়াও কাষ্ঠডাঙ্গা ১ পঞ্চায়েত এলাকাতেও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রকল্প তৈরি হয়েছে। তাতেই জুড়ে দেওয়া হয়েছে নগরউখড়া ১ এবং ফতেহপুর পঞ্চায়েতকে। একমাত্র মোল্লাবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতেই প্রকল্পের কাজ ঝুলে রয়েছে জমি জটে। কারণ বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা তৈরির জন্য উপযুক্ত জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না সেখানে। প্রশাসনিক হিসেব বলছে, এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পে খরচ হয়েছে ২২ লক্ষ ২৯ হাজার ৪৫১ টাকা।
অথচ, ব্লক কল্যাণীর ৭টি পঞ্চায়েতের মধ্যে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প হয়েছে মাত্র তিনটিতে। রানাঘাট ১ ব্লকের পায়রাডাঙ্গা এবং আনুলিয়া পঞ্চায়েতে এই প্রকল্প চলছে। বাকি প্রায় সব জায়গাতেই জমি জোটের কারণে থমকে রয়েছে প্রকল্প। হরিণঘাটা ব্লকের বিডিও মহাশ্বেতা বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা দ্রুত মোল্লাবেরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে জমি জট মিটিয়ে প্রকল্পের কাজ শুরু করতে চাইছি। যেহেতু আমাদের ব্লকের চরিত্র প্রায় শহুরে তাই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকলে দূষণ অন্যতম সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। তাই আমরা প্রথম থেকেই প্রকল্প গুরুত্ব সহকারে দেখেছি। অধিকাংশ জায়গাতেই চালু হয়ে গিয়েছে। যতটুকু বাকি রয়েছে, তাও নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে চালু করার সবরকম চেষ্টা করছি।’



