নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে ডিরেক্টর বাছতে বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের বিধায়কদের নিয়ে কলকাতায় ম্যারাথন মিটিং হল। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ওই বৈঠক হয়। সেখানে ১৫জনের ডিরেক্টর পদের একটি তালিকা তৈরি হয়েছে। ওই তালিকা অনুমোদনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পাঠানো হবে। জানা গিয়েছে, অসংরক্ষিত পদে কাঁথি থেকে তরুণ জানা, মামুদ হোসেন, আলেম আলি খান, দেবাশিস পাহাড়ী, সুনীতকুমার পট্টনায়েক, হরিসাধন দাসঅধিকারী, হেঁড়িয়া কেন্দ্র থেকে প্রাক্তন বিধায়ক অমিয়কান্তি ভট্টাচার্য, রামনগর থেকে মীর মোমরেজ আলি, এগরা থেকে তরুণ মাইতি এবং নন্দকুমার কেন্দ্র থেকে দিব্যেন্দু রায়ের নাম সুপারিশ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ওই তালিকা অনুমোদন করলেই তাঁরা ডিরেক্টর পদের জন্য মনোনয়ন জমা করবেন।
Advertisement
উল্লেখ্য, আগামী ৩১জানুয়ারি কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ডিরেক্টর পদে নির্বাচন হবে। মোট ১৫জন ডিরেক্টর হবেন। তারমধ্যে তিনটি সংরক্ষিত পদ। হলদিয়া এবং কাঁথি থেকে জয়ী দু’জন মহিলা ডেলিগেট সংরক্ষিত ডিরেক্টর পদে মনোনয়ন জমা করবেন। ১২টি অসংরক্ষিত পদে কারা সুযোগ পাবেন তানিয়ে ব্যাপক টানাপোড়েন চলছিল। ওই ১২টি পদের জন্য দাবিদার ৪০এর বেশি থাকায় সমস্যা হচ্ছিল। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠী নিজেদের শিবির থেকে ডিরেক্টর করার জন্য তদ্বির শুরু করে। আসলে কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক পূর্ব ভারতের মধ্যে এগিয়ে থাকা একটি শহরাঞ্চলীয় সমবায়। প্রতি বছর কয়েকশো কোটি টাকা লোন মঞ্জুর করা হয়। এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঙ্কে চেয়ারম্যান পদে কে বসবেন সেদিকেই সকলের নজর। ডিরেক্টরদের মধ্যে থেকে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচন হবে। তাই ডিরেক্টর পদের জন্য লড়াই জমে উঠেছে।
কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে ডিরেক্টর নির্বাচন নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে গিয়েছে। আগামী ১৩জানুয়ারি ব্যাঙ্কের মুখ্য কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র তোলা যাবে। ১৪তারিখ মনোনয়ন জমা হবে। তার আগে বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সকল বিধায়ক এবং দুই সাংগঠনিক জেলা সভাপতিকে নিয়ে রাজ্য নেতৃত্ব মিটিংয়ে বসে। সেখানে ব্যাঙ্কের ১৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩টি থেকে ১৫জন ডিরেক্টর পদে নাম বাছাই করা হয়। কাঁথি-৬নম্বর কেন্দ্রে তিনটি আসনের মধ্যে তৃণমূলের তিনজনই পরাজিত হয়েছেন। তাই একটি কেন্দ্র বাদে বাকি ১৩টি থেকে ডিরেক্টর পদে ১৫জনের নাম বেছে নেওয়া হয়েছে। ওই লিস্ট অনুমোদন হলেই সেটি চূড়ান্ত হিসেবে স্বীকৃতি পাবে।
গত ১৫ডিসেম্বর কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। মোট ১০৮টি আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের প্যানেলের ১০১জন জয়ী হয়েছেন। বিজেপির থেকে জয়ী হয়েছেন চারজন। বাকি তিনজন নির্দল হিসেবে লড়াই করে জিতেছেন। আগামী ৩১জানুয়ারি ১৫টি ডিরেক্টর পদে ওই ১০৮জন ভোট দেবেন। ডিরেক্টর নির্বাচনের পর ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচন হবে। আগামী পাঁচ বছর এই বোর্ড কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক পরিচালনা করবে।
বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ছিল। যেমন, হেঁড়িয়া কেন্দ্রে প্রাক্তন বিধায়ক অমিয়কান্তি ভট্টাচার্যের সঙ্গে জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মানব পড়ুয়ার লড়াই ছিল। একইভাবে নন্দকুমার কেন্দ্রে সভাধিপতি ঘনিষ্ঠ প্রদীপ দে, পাঁশকুড়া পুরপ্রশাসক বোর্ডের চেয়ারপার্সন নন্দ মিশ্র এবং তমলুক শহর তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি দিব্যেন্দু রায়ের মধ্যে জোর লড়াই ছিল।
কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে ডিরেক্টর নির্বাচন নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে গিয়েছে। আগামী ১৩জানুয়ারি ব্যাঙ্কের মুখ্য কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র তোলা যাবে। ১৪তারিখ মনোনয়ন জমা হবে। তার আগে বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সকল বিধায়ক এবং দুই সাংগঠনিক জেলা সভাপতিকে নিয়ে রাজ্য নেতৃত্ব মিটিংয়ে বসে। সেখানে ব্যাঙ্কের ১৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩টি থেকে ১৫জন ডিরেক্টর পদে নাম বাছাই করা হয়। কাঁথি-৬নম্বর কেন্দ্রে তিনটি আসনের মধ্যে তৃণমূলের তিনজনই পরাজিত হয়েছেন। তাই একটি কেন্দ্র বাদে বাকি ১৩টি থেকে ডিরেক্টর পদে ১৫জনের নাম বেছে নেওয়া হয়েছে। ওই লিস্ট অনুমোদন হলেই সেটি চূড়ান্ত হিসেবে স্বীকৃতি পাবে।
গত ১৫ডিসেম্বর কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। মোট ১০৮টি আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের প্যানেলের ১০১জন জয়ী হয়েছেন। বিজেপির থেকে জয়ী হয়েছেন চারজন। বাকি তিনজন নির্দল হিসেবে লড়াই করে জিতেছেন। আগামী ৩১জানুয়ারি ১৫টি ডিরেক্টর পদে ওই ১০৮জন ভোট দেবেন। ডিরেক্টর নির্বাচনের পর ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচন হবে। আগামী পাঁচ বছর এই বোর্ড কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক পরিচালনা করবে।
বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ছিল। যেমন, হেঁড়িয়া কেন্দ্রে প্রাক্তন বিধায়ক অমিয়কান্তি ভট্টাচার্যের সঙ্গে জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মানব পড়ুয়ার লড়াই ছিল। একইভাবে নন্দকুমার কেন্দ্রে সভাধিপতি ঘনিষ্ঠ প্রদীপ দে, পাঁশকুড়া পুরপ্রশাসক বোর্ডের চেয়ারপার্সন নন্দ মিশ্র এবং তমলুক শহর তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি দিব্যেন্দু রায়ের মধ্যে জোর লড়াই ছিল।



