সংবাদদাতা, পতিরাম: ঠাণ্ডা থেকে আড়াই মাসের সন্তানকে বাঁচাতে কাঁথা দিয়ে ঢেকে দিয়েছিলেন মা। কিন্তু সেই কাঁথার ভারেই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে প্রাণ হারাল একরত্তি। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে তপনের মালঞ্চা গ্রাম পঞ্চায়েতের অভিরামপুরে। সন্তানশোকে কথা হারিয়েছেন মা।
Advertisement
পুলিস সূত্রে খবর, মৃত শিশুর নাম সঞ্জু মার্ডি। বাবা সুকুমার মার্ডি পেশায় শ্রমিক। বছর দুয়েক আগেই সুকুমারের বিয়ে হয়। সঞ্জু ছিল তাদের প্রথম সন্তান। ওই শিশু জন্মের পর আলোকিত করেছিল গোটা বাড়ি। অভাব থাকলেও ছেলেকে যত্ন করেই আড়াই মাস ধরে আগলে লেগেছিলেন তার মা ও বাবা। এদিকে পুজোর পর থেকে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে রাতের দিকে প্রবল ঠাণ্ডা অনূভুত হচ্ছিল। এদিকে ঠাণ্ডার কারণে শিশুর যাতে ক্ষতি না হয়, সেজন্য কাঁথা দিয়ে তাকে ঢেকে রাখছিলেন মা। পরিবার সূত্র খবর, সোমবার রাতে ঘুমোতে যাওয়ার সময় তার মা কাথা দিয়ে ঢেকে দেন। এদিকে শিশুর পরিবার জানিয়েছে, প্রতিদিনই ওই শিশু রাতে একবার হলেও ঘুম থেকে জেগে ওঠে। ফের তাকে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সোমবার রাতে আর সাড়া শব্দ ছিল না শিশুটির। এরপরই ভোররাতে দেখা যায়, পুরো শরীর কাঁথা দিয়ে ঢাকা রয়েছে।
শিশুকে কোলে তুলে দেখেন শরীর ঠাণ্ডা হয়ে রয়েছে। ঘুম থেকে জাগানোর চেষ্টা করলেও সে আর জেগে উঠছে না। তা দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা মা। তড়িঘড়ি ভোরেই শিশুকে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। শ্বাসরুদ্ধ হয়েই মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান চিকিৎসকদের। ঘটনায় শোকে পাথর মা। বাবা সহ পরিবারের সকলেই কান্নায় ভেঙে পড়েছে। এবিষয়ে মৃত শিশুর বাবা সুকুমার বলেন, রাতে একসঙ্গে শুয়েছিলাম। ভোরে দেখি, ছেলের কোনও সাড়া শব্দ নেই। বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে আসলে চিকিৎসকরা জানান, ও আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছে। অন্যদিকে, বালুরঘাট থানার পুলিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার ওই শিশুদের ময়না তদন্ত হয়। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে বালুরঘাট ও তপন থানার পুলিস।
শিশুকে কোলে তুলে দেখেন শরীর ঠাণ্ডা হয়ে রয়েছে। ঘুম থেকে জাগানোর চেষ্টা করলেও সে আর জেগে উঠছে না। তা দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা মা। তড়িঘড়ি ভোরেই শিশুকে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। শ্বাসরুদ্ধ হয়েই মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান চিকিৎসকদের। ঘটনায় শোকে পাথর মা। বাবা সহ পরিবারের সকলেই কান্নায় ভেঙে পড়েছে। এবিষয়ে মৃত শিশুর বাবা সুকুমার বলেন, রাতে একসঙ্গে শুয়েছিলাম। ভোরে দেখি, ছেলের কোনও সাড়া শব্দ নেই। বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে আসলে চিকিৎসকরা জানান, ও আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছে। অন্যদিকে, বালুরঘাট থানার পুলিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার ওই শিশুদের ময়না তদন্ত হয়। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে বালুরঘাট ও তপন থানার পুলিস।



