Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কেতুগ্রামের চুরির ঘটনার কিনারা না হওয়ায় পুলিসের ভূমিকায় প্রশ্ন 

কেতুগ্রামের চুরির ঘটনার কিনারা না হওয়ায় পুলিসের ভূমিকায় প্রশ্ন 
  • ৩ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, কাটোয়া: আউশগ্রামে দু’দিনের ব্যবধানে দু’টি কালী মন্দিরে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। দু’টি মন্দিরের তালা ভেঙে বিগ্রহের গা থেকে সোনা ও রুপোর গয়না চুরি হয়েছে। গুসকরা পুলিস ফাঁড়ির অধীনে পরপর চুরির ঘটনায় আতঙ্কে ভুগছেন এলাকার বাসিন্দারা। ২০দিন পেরিয়ে গেলেও কেতুগ্রামের দুর্গা মন্দিরে চুরির ঘটনার এখনও কিনারা করতে পারল না পুলিস। তদন্ত নিয়ে পুলিসের ভূমিকায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের পুলিস সুপার সায়ক দাস বলেন, তিনটি চুরির ঘটনাই গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আউশগ্রাম-১ ব্লকের গুসকরা পুলিস ফাঁড়ির অধীনেই দেয়াশা ও ব্রজপুর গ্রাম। শনিবার সকালে ব্রজপুর গ্রামে কোঁয়ার বাড়ির প্রাচীন কালীমন্দিরের দরজার তালা ভেঙে চুরির ঘটনা নজরে আসে। পরিবারের সদস্য সাগর কোঁয়ার বলেন, আমাদের পারিবারিক পুজো। শুক্রবার আমাদের বিসর্জন হয়নি। ছেলে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মন্দিরে ছিল। তারপর সে চলে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বিগ্রহের গয়না নেই। এক ভরি সোনা ও পাঁচ থেকে ছ’ভরি রুপোর গয়না নেই। কালীর গায়ে থাকা সীতাহার, টিপ, পায়ের নূপুর সব চুরি হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি মহাদেবের বেলপাতা, হার সব নিয়ে গিয়েছে। এর আগে কখনও চুরি হয়নি। এদিন ব্রজপুর মন্দিরে চুরির খবর পেয়েই গুসকরা ফাঁড়ির পুলিস গিয়ে তদন্ত শুরু করে।
Advertisement
কালীপুজোর রাতে আউশগ্রামের দেয়াশা গ্রামের দাস পরিবারের কালী মন্দিরে চুরি হয়েছে। পুজো শেষে পরিবারের সদস্যরা মন্দির বন্ধ রেখে বাড়ি চলে যান। শুক্রবার সকালে তাঁরা মন্দিরের তালা খুলতে গিয়ে দেখেন মন্দিরের সদর দরজার তালা ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। পাশাপাশি মায়ের গায়ের সোনা ও রুপোর গয়না চুরি হয়ে গিয়েছে। 
প্রসঙ্গত, গত ১৩অক্টোবর রাতে কেতুগ্রাম থানার পাঁচুন্দি দুর্গামন্দিরে চুরি হয়। মাত্র সাত মিনিটেই এক দুষ্কৃতী চুরি করে পালায়। চট্টোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গা প্রতিমার গায়ে থাকা প্রায় ৪০ ভরি সোনা ও প্রায় ৪০০ ভরি রুপোর গয়না চুরি হয়। সিসি ক্যামেরায় চোরকে দেখাও যায়। কেতুগ্রাম থানায় চুরির অভিযোগ জানানো হয়। কিন্তু ২০দিন পেরিয়ে গেলেও সেই চুরির কিনারা করতে পারল না কেতুগ্রাম থানার পুলিস। তদন্ত নিয়ে হতাশ চট্টোপাধ্যায় পরিবার। পরিবারের সদস্য অমিতাভ চট্টোপাধ্যায় বলেন, পুলিস শুধুই দেখছি দেখছি বলে সাফাই দিচ্ছে। দ্রুত চুরির কিনারা করা হোক।
সম্পর্কিত সংবাদ