সংবাদদাতা, কাটোয়া: স্বল্পবসনা নর্তকীরা নাচছেন। দেদার দেওয়া হচ্ছে টাকা। কেতুগ্রামের দধিয়ায় গোপাল দাস বাবাজির মেলার পাশের মাঠে এমনই নাচ ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকেই চটুল নাচ দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন। প্রাচীন এই মেলার পাশে কীভাবে চটুল নাচ চলছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অবশ্য কেতুগ্রামের বিধায়ক শেখ শাহনেওয়াজ বলেন, মেলায় এধরনের নাচ কোথাও হয়নি। আমি নিজে মেলায় ঘুরেছি। কোথাও এমন ধরনের নাচ দেখতে পেলে কড়া ব্যবস্থা নেব। তবে এত বড় মেলায় কে কোথায় কী করছে তার দায়িত্ব মেলা কমিটি কেন নেবে? গত ৩১ জানুয়ারি থেকে কেতুগ্রাম-১ ব্লকের পালিটা পঞ্চায়েতের দধিয়া গ্রামে পুরনো রীতি মেনেই গোপাল দাস বাবাজির মেলা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন প্রচুর জনসমাগম হচ্ছে। প্রাচীন এই মেলা ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উন্মাদনা রয়েছে। জেলার অন্যতম বড় মেলা বলেই পরিচিত এটি। বীরভূম, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ জেলা থেকেও আখড়া করেছেন ভক্তরা। মেলার নিরাপত্তার জন্য প্রচুর পুলিসকর্মী, সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হয়েছে। মেলায় দু’টি তাঁবুতে রাত হলেই চলছে চটুল নাচ। স্বল্পবসনা যুবতীরা হিন্দি গানের তালে নাচছে। যুবকরা মত্ত অবস্থায় নর্তকীদের টাকা দিচ্ছে। মত্ত অবস্থায় থাকা যুবকদের সামলাতে হিমশিমও খাচ্ছে উদ্যোক্তারা। অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিও করা হচ্ছে সেখানে। ৩০টাকার টিকিট কেটে ভিতরে ঢুকতে হচ্ছে। পুলিস থাকা সত্ত্বেও মেলার পাশের মাঠে কীভাবে চটুল নাচ চলছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই নিন্দায় সরব হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বলছেন, অনেক কমবয়সি ছেলে নর্তকীদের নাচ দেখতে ভিড় জমাচ্ছে। তারা বিপথে চালিত হচ্ছে। তাছাড়া কোনও অঘটন ঘটলে তার দায় কে নেবে? পূর্ব বর্ধমানের অতিরিক্ত পুলিস সুপার রাহুল পাণ্ডে বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখছি। ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



