নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: উপ নির্বাচনে ভোটদান মিটতেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মেদিনীপুর পুরসভার রাস্তায় রাস্তায় এলইডি লাইট লাগানোর কাজ শুরু করল। গ্রিন সিটি মিশন প্রকল্পের আওতায় এই আলো লাগানো হচ্ছে। খরচ হচ্ছে ১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, বিশেষ করে শহরের সেতুগুলোকে আলোয় মুড়ে ফেলা হচ্ছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপ কমবে। একইসঙ্গে নদীঘাট, পুকুরপাড় ঢেলে সাজাবে পুরসভা। একইসঙ্গে পুরসভার বেশকিছু ওয়ার্ড থেকে আলো নিয়ে নানা অভিযোগ আসছিল। তাই মাসখানেক আগে থেকে গ্রিন সিটি মিশন প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা হয়।
Advertisement
এদিন মেদিনীপুরের পুর চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, পুর এলাকায় একাধিক উন্নয়নমূলক কাজের পরিকল্পনা আছে। গোটা শহর সাজানো হবে। আপতত শহরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যাতে মানুষের সমস্যা না হয়। শুক্রবার থেকে আলো লাগানোর কাজ শুরু হল। এছাড়া শহরের বিভিন্নপ্রান্তে সৌন্দর্যায়নের কাজও হবে। মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, কংসাবতী নদীর ঘাটগুলো ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শহরের ১, ২, ৫, ১৭, ১৮, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড সহ বেশকিছু ওয়ার্ডে উন্নয়নমূলক কাজের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পুর এলাকায় কোনও পার্ক বা শিশু উদ্যান থাকলে তাও সাজিয়ে তুলবে পুরসভা। তবে আলোর সমস্যার সমাধানে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহরে বড় হাই মাস্ট লাইটের সংখ্যা ৬টি। এছাড়াও লো হাই মাস্ট লাইটের সংখ্যা ১৯৬টি। একইসঙ্গে ১৪ হাজার ৩০০টি লাইট পোস্ট রয়েছে। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহরে সৃজনপল্লি, বিবেকানন্দ পল্লি, শরৎপল্লি, বামুনপাড়া, সূর্যনগর, বিদ্যাসাগর পল্লি, নজরগঞ্জ, হরিজন পাড়া, নিবেদিতা পল্লি এলাকায় আলোর সমস্যা রয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষুব্ধ ওই সব এলাকার মানুষ।
পুর এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, বাম আমলে শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা অন্ধকারে ডুবে থাকত। কোথাও কোথাও ছোট বাল্ব জ্বলত। ২০১২ সালের পর থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। শহরের গান্ধী ঘাট সহ বিভিন্ন এলাকায় সৌন্দর্যায়নের কাজ হয়েছে। তবে পুরসভার তরফে রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপক গাফিলতিও রয়েছে। বিভিন্ন পার্ক, শিশু উদ্যান, পুকুর পাড় বেহাল দশায় পড়ে রয়েছে। এনিয়ে পুরসভার কোনও মাথাব্যথা নেই। এছাড়া বিভিন্ন এলাকা সমাজ বিরোধীদের আখড়া হয়ে উঠছে।
মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা পেশায় ব্যবসায়ী বাসুদেব চক্রবর্তী বলেন, নারী নির্যাতনের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। তাই বলব পুরসভা খুব ভালো উদ্যোগ নিয়েছে। বহু এলাকা অন্ধকার হয়ে থাকে। এছাড়া শহরকে সাজিয়ে তুললে পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে পর্যটকও আসবে।
তবে এনিয়ে উপ নির্বাচনের মরশুমে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠেছে। এদিন জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, লাইট লাগানো হচ্ছে ভালো বিষয়। কিন্তু এতেও দেখা যাবে দুর্নীতি হয়েছে। তৃণমূল সরকার মানুষের জন্য কাজ করে না। নেতারা দুর্নীতি করতেই সারা বছর ব্যস্ত থাকেন।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, কংসাবতী নদীর ঘাটগুলো ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শহরের ১, ২, ৫, ১৭, ১৮, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড সহ বেশকিছু ওয়ার্ডে উন্নয়নমূলক কাজের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পুর এলাকায় কোনও পার্ক বা শিশু উদ্যান থাকলে তাও সাজিয়ে তুলবে পুরসভা। তবে আলোর সমস্যার সমাধানে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহরে বড় হাই মাস্ট লাইটের সংখ্যা ৬টি। এছাড়াও লো হাই মাস্ট লাইটের সংখ্যা ১৯৬টি। একইসঙ্গে ১৪ হাজার ৩০০টি লাইট পোস্ট রয়েছে। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহরে সৃজনপল্লি, বিবেকানন্দ পল্লি, শরৎপল্লি, বামুনপাড়া, সূর্যনগর, বিদ্যাসাগর পল্লি, নজরগঞ্জ, হরিজন পাড়া, নিবেদিতা পল্লি এলাকায় আলোর সমস্যা রয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষুব্ধ ওই সব এলাকার মানুষ।
পুর এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, বাম আমলে শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা অন্ধকারে ডুবে থাকত। কোথাও কোথাও ছোট বাল্ব জ্বলত। ২০১২ সালের পর থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। শহরের গান্ধী ঘাট সহ বিভিন্ন এলাকায় সৌন্দর্যায়নের কাজ হয়েছে। তবে পুরসভার তরফে রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপক গাফিলতিও রয়েছে। বিভিন্ন পার্ক, শিশু উদ্যান, পুকুর পাড় বেহাল দশায় পড়ে রয়েছে। এনিয়ে পুরসভার কোনও মাথাব্যথা নেই। এছাড়া বিভিন্ন এলাকা সমাজ বিরোধীদের আখড়া হয়ে উঠছে।
মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা পেশায় ব্যবসায়ী বাসুদেব চক্রবর্তী বলেন, নারী নির্যাতনের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। তাই বলব পুরসভা খুব ভালো উদ্যোগ নিয়েছে। বহু এলাকা অন্ধকার হয়ে থাকে। এছাড়া শহরকে সাজিয়ে তুললে পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে পর্যটকও আসবে।
তবে এনিয়ে উপ নির্বাচনের মরশুমে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠেছে। এদিন জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, লাইট লাগানো হচ্ছে ভালো বিষয়। কিন্তু এতেও দেখা যাবে দুর্নীতি হয়েছে। তৃণমূল সরকার মানুষের জন্য কাজ করে না। নেতারা দুর্নীতি করতেই সারা বছর ব্যস্ত থাকেন।



