সংবাদদাতা, কাটোয়া : ইংরেজি নববর্ষ শুরুর দিন বুধবার কাটোয়া মহকুমা জুড়ে সতীপীঠগুলিতে উপচে পড়েছে ভিড়। দেবী মা দর্শনের পাশাপাশি বিশেষ পুজোপাঠেরও আয়োজন করা হয়। পুজো দেওয়া ছাড়াও সতীপীঠ চত্বরে পিকনিকের আনন্দে মেতে ওঠেন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার পর্যটকরা।
Advertisement
কেতুগ্রামের সতীপীঠ অট্টহাস মন্দিরেও এবার প্রচুর ভিড় ছিল। পুজো দেওয়ার জন্য ব্যপক ভিড় জমিয়েছেন ভক্তরা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রচুর ভক্তের সমাগম হয় এদিন। শুধু তাই নয়, অট্টহাস মন্দিরের পাশে নদীর ধারেও পিকনিকের আমেজে মেতে ওঠেন অনেকেই। অট্টহাস মন্দিরে ভক্তদের ভিড়ের জন্য পুলিসের কড়া নজরদারি চালানো হয়। বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে সিভিক ভলেন্টিয়ারদের মোতায়েন রাখা হয়েছিল। অট্টহাস মন্দিরের মহারাজ জানান, প্রতিবছর ইংরাজি নববর্ষের শুরুতেই ভক্তদের আগমন ঘটে। কয়েক হাজার ভক্ত এসেছিলেন দেবীকে দর্শন করতে। পাশাপাশি তাঁরা দেবীর ভোগও গ্রহণ করেন। তবে সবটাই আয়োজন করা হয় মন্দিরের রীতিনীতি ও ঐতিহ্য মেনেই। কাটোয়া মহকুমায় চারটি সতীপীঠ আছে। মঙ্গলকোটের ক্ষীরগ্রামে মা যোগাদ্যা সতীপীঠগুলির মধ্যে অন্যতম। এখানে দেবীর ডান পায়ের বুড়ো আঙুল পড়েছিল। এদিন এখানেও সকাল থেকে পর্যটকদের ব্যাপক ভিড় ছিল। এদিন মঙ্গলকোটের আর এক সতীপীঠ কোগ্রামে দেবী মঙ্গলচন্ডীর পুজো হয়। এখানেই কালীপুজোর সময় শক্তির আরাধনা করা হয়। এখানে দেবীর বাঁহাতের কনুই পড়েছিল। এখানেও এদিন ভিড় হয় পুজো দেওয়ার জন্য। পাশাপাশি কোগ্রামে অজয় নদের বাঁকে কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের বসত ভিটেতেও পর্যটকদের আগমন হয়। এছাড়া কেতুগ্রামের সতীপীঠ বাহুলক্ষ্মীতলাতেও এদিন প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়। কেতুগ্রামের নিরোল পঞ্চায়েতের দক্ষিনডিহি গ্রামের শেষ প্রান্তে অবস্থিত অট্টহাস মন্দির। অট্টহাস মূলত সতীপীঠ। এখানে দেবীর অধঃওষ্ঠ পড়েছিল। এখানে এদিন রেকর্ড ভিড় হয়।
জানা গিয়েছে, অট্টহাসের এই সতীপীঠে দেবীর পাষাণ মূর্তির উপর মহিষমর্দিনীর প্রস্তর মূর্তি রেখে নিত্য সেবা করা হয়। কথিত আছে সাধক বামাক্ষ্যাপা, গিরীশ ঘোষ এই সতীপীঠে থাকা পঞ্চমুণ্ডির আসনে বসে সাধনা করেছেন। অট্টহাসের প্রায় তিরিশ একর ঘনজঙ্গল এখানকার মূল আকর্ষণ। তাছাড়া জঙ্গলে প্রচুর গাছগাছালি ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখির সমাগম মাতিয়ে রাখে পর্যটকদের। তাই এবারও শীত পড়তেই রাজ্যের পর্যটকদের নজর থাকে এই অট্টহাস। কেউ কেউ আবার মন্দির দর্শনের পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশে চুটিয়ে পিকনিক করেন। মন্দিরের পাশ দিয়ে গিয়েছে ঈশানি নদী। নদীর চরে ও তার পার্শ্ববর্তী মাঠ গুলিতে এদিন প্রচুর মানুষ পিকনিক করেন। কলকাতার রাজারহাটের বাসিন্দা বিশাল দত্ত, সায়নী দত্ত বলেন, আমরা প্রতিবছর জানুয়ারি মাসের প্রথমদিনেই দেবীকে দর্শন করে যাই। এবছরও প্রথম দিনেই এসেছি। দেবীর কাছে একটাই প্রার্থনা করেছি ২০২৫ সাল ভালো কাটুক। পাশ্ববর্তী গ্রামাঞ্চল, কাটোয়া শহর থেকেও পিকনিক করতে এসেছেন কলেজ পড়ুয়া উৎপল ঘোষ, মানবী সাহা। তাঁরা বলেন, এখানকার ঘন জঙ্গল আর প্রাকৃতিক পরিবেশ আমাদের খুব ভালো লাগে। তাই সারদিন এখানে প্রচুর মজা করেছি। চুটিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক করেছি।
জানা গিয়েছে, অট্টহাসের এই সতীপীঠে দেবীর পাষাণ মূর্তির উপর মহিষমর্দিনীর প্রস্তর মূর্তি রেখে নিত্য সেবা করা হয়। কথিত আছে সাধক বামাক্ষ্যাপা, গিরীশ ঘোষ এই সতীপীঠে থাকা পঞ্চমুণ্ডির আসনে বসে সাধনা করেছেন। অট্টহাসের প্রায় তিরিশ একর ঘনজঙ্গল এখানকার মূল আকর্ষণ। তাছাড়া জঙ্গলে প্রচুর গাছগাছালি ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখির সমাগম মাতিয়ে রাখে পর্যটকদের। তাই এবারও শীত পড়তেই রাজ্যের পর্যটকদের নজর থাকে এই অট্টহাস। কেউ কেউ আবার মন্দির দর্শনের পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশে চুটিয়ে পিকনিক করেন। মন্দিরের পাশ দিয়ে গিয়েছে ঈশানি নদী। নদীর চরে ও তার পার্শ্ববর্তী মাঠ গুলিতে এদিন প্রচুর মানুষ পিকনিক করেন। কলকাতার রাজারহাটের বাসিন্দা বিশাল দত্ত, সায়নী দত্ত বলেন, আমরা প্রতিবছর জানুয়ারি মাসের প্রথমদিনেই দেবীকে দর্শন করে যাই। এবছরও প্রথম দিনেই এসেছি। দেবীর কাছে একটাই প্রার্থনা করেছি ২০২৫ সাল ভালো কাটুক। পাশ্ববর্তী গ্রামাঞ্চল, কাটোয়া শহর থেকেও পিকনিক করতে এসেছেন কলেজ পড়ুয়া উৎপল ঘোষ, মানবী সাহা। তাঁরা বলেন, এখানকার ঘন জঙ্গল আর প্রাকৃতিক পরিবেশ আমাদের খুব ভালো লাগে। তাই সারদিন এখানে প্রচুর মজা করেছি। চুটিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক করেছি।



