সংবাদদাতা, কাটোয়া: রাজ্যে হস্তশিল্পের কদর বাড়ছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের হাতের তৈরি নানা শিল্পকর্মের চাহিদা রয়েছে বাজারে। গ্রামীণ এলাকার মহিলা শিল্পীদের তৈরি নানা শিল্পকর্ম বিক্রির জন্যই রাজ্য সরকার সবলা মেলার আয়োজন করে। যাতে মহিলারা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন। সরকারের সেই উদ্দেশ্যই যেন সফল হল। কাটোয়ায় পূর্ব বর্ধমান জেলা সবলা মেলায় মাত্র ১০দিনে প্রায় ৩৪লক্ষ টাকার বিক্রি হয়েছে। যাতে খুশি হয়েছেন শিল্পী থেকে প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
Advertisement
কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, মেলায় রেকর্ড বিক্রি হয়েছে। আমরা এতে খুশি। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারাও খুশি। হস্তশিল্পের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তা মেলায় বিক্রি দেখে বোঝাই যাচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২১সালে কাটোয়া শহরে সবলা মেলায় ২৪লক্ষ টাকার রেকর্ড বিক্রি হয়েছিল। ২০২৩ সালে ২৫লক্ষ টাকার সামগ্রী বিক্রি হয়েছিল। এবার ১০দিনের মেলায় গতবারের রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার পুরসভা ও গ্রামীণ এলাকা থেকে ৮০টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী মেলায় ৭০টি স্টল দিয়েছিল। কাটোয়া শহরের কাশীরাম দাস বিদ্যায়তনের মাঠে ২৭ডিসেম্বর থেকে এই মেলা শুরু হয়েছিল। রবিবার পর্যন্ত মেলা চলে। প্রথম ১০ দিনে মোট ৩৩ লক্ষ ৭২ হাজার ৭১৭ টাকার সামগ্রী বিক্রি হয়েছে।
মেলায় ঘোষহাট স্বল্প সঞ্চয় গোষ্ঠীর মেয়েরা পিঠের স্টল দিয়েছিলেন। সেখানে ম্যাংগো, চকোলেট, অরেঞ্জ সহ নানা ফ্লেভারের পাটিসাপ্টা খেতে ভিড় জমে। প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার হাজার টাকার পিঠে বিক্রি হয়েছে। গ্রুপের সদস্য দীপা সেন, আলপনা সরকার বলেন, আমরা ছোটদের কথা ভেবেই নানা স্বাদের পিঠে তৈরি করেছি। ব্যাপক চাহিদা ছিল। অগ্রদ্বীপের কাঠের নানা জিনিসপত্রও ভালো বিক্রি হয়েছে। কাঁথাস্টিচের নানা শাড়ি বিক্রি হয়েছে। মেলায় হস্তশিল্পীদের তৈরি নানা শিল্পকর্ম দেদার বিক্রি হয়েছে। তাঁতশিল্পীদের তৈরি জামদানি সহ নানা ধরনের শাড়ি, পোড়ামাটির শো-পিস, পাটশিল্পের নানা শো-পিস বিক্রি হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২১সালে কাটোয়া শহরে সবলা মেলায় ২৪লক্ষ টাকার রেকর্ড বিক্রি হয়েছিল। ২০২৩ সালে ২৫লক্ষ টাকার সামগ্রী বিক্রি হয়েছিল। এবার ১০দিনের মেলায় গতবারের রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার পুরসভা ও গ্রামীণ এলাকা থেকে ৮০টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী মেলায় ৭০টি স্টল দিয়েছিল। কাটোয়া শহরের কাশীরাম দাস বিদ্যায়তনের মাঠে ২৭ডিসেম্বর থেকে এই মেলা শুরু হয়েছিল। রবিবার পর্যন্ত মেলা চলে। প্রথম ১০ দিনে মোট ৩৩ লক্ষ ৭২ হাজার ৭১৭ টাকার সামগ্রী বিক্রি হয়েছে।
মেলায় ঘোষহাট স্বল্প সঞ্চয় গোষ্ঠীর মেয়েরা পিঠের স্টল দিয়েছিলেন। সেখানে ম্যাংগো, চকোলেট, অরেঞ্জ সহ নানা ফ্লেভারের পাটিসাপ্টা খেতে ভিড় জমে। প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার হাজার টাকার পিঠে বিক্রি হয়েছে। গ্রুপের সদস্য দীপা সেন, আলপনা সরকার বলেন, আমরা ছোটদের কথা ভেবেই নানা স্বাদের পিঠে তৈরি করেছি। ব্যাপক চাহিদা ছিল। অগ্রদ্বীপের কাঠের নানা জিনিসপত্রও ভালো বিক্রি হয়েছে। কাঁথাস্টিচের নানা শাড়ি বিক্রি হয়েছে। মেলায় হস্তশিল্পীদের তৈরি নানা শিল্পকর্ম দেদার বিক্রি হয়েছে। তাঁতশিল্পীদের তৈরি জামদানি সহ নানা ধরনের শাড়ি, পোড়ামাটির শো-পিস, পাটশিল্পের নানা শো-পিস বিক্রি হয়েছে।



