সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়া ও পূর্বস্থলীর ভাগীরথীর তীরে বসবাসকারী মানুষরা আশায় বুক বাঁধছেন। রাজ্য বাজেটে গঙ্গা ভাঙন রোধে অর্থ বরাদ্দ করায় এবার হয়তো সুদিন ফিরতে পারে।
Advertisement
কাটোয়ার অগ্রদ্বীপের বাসিন্দা জেলা পরিষদ সদস্য নিতাই সুন্দর মুখোপাধ্যায় বলেন, ভাঙন রোধে কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থ বরাদ্দ করা দরকার ছিল। কিন্তু কেন্দ্রের বঞ্চনা সত্ত্বেও বাংলার দরদি মুখ্যমন্ত্রী ভাঙন রোধে অর্থ বরাদ্দ করায় আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।
কাটোয়া মহকুমার মধ্যে কেতুগ্রাম-২ ব্লক, কাটোয়া-২ ব্লকের মধ্যে দিয়ে ভাগীরথী বয়ে গিয়েছে। কেতুগ্রামের সীতাহাটি, মৌগ্রাম অঞ্চল দু’টি ভাঙন প্রবণ। মৌগ্রামের নতুনগ্রামে ভয়ানক ভাবে ভাগীরথীর পাড় ভাঙছে। কয়েকদিন আগেও সেচদপ্তরের কর্তারা সেই ভাঙন পরিদর্শন করে যান। নতুনগ্রামে একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র নদীগর্ভে চলে গিয়েছে। ভিটেমাটি সব শেষ। নতুনগ্রামে তিনটি বুথে ভোটার রয়েছে প্রায় তিন হাজার। আর গ্রামে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষের বসবাস। এরমধ্যে তিনশ পরিবার নদী ভাঙনের কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত। সারাদিন নদীর পাড়ে ঝুপঝাপ শব্দে পাড়ের মাটি ধসে যাচ্ছে। বাড়িগুলি বিপজ্জনক ভাবে নদীতে ঝুলছে। নতুনগ্রামের বাসিন্দা আল্লারাখা শেখ, সাহিদা বিবি বলেন, নদীর ধারে খুব ভয়ে থাকি। রাতে ঘুম আসে না। যে কোনও মুহূর্তে আমরা তলিয়ে যেতে পারি। গ্রামের বাসিন্দা আকাই শেখ, সাহিন শেখ বলেন, গ্রামে জুনিয়র স্কুল, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ সবই রয়েছে। সব ভাঙনে তলিয়ে যাবে। বাজেটে টাকা বরাদ্দ হওয়ায় আমরা খুব খুশি। গ্রামটাকে অন্তত বাঁচানো যাবে।
কাটোয়া ২ ব্লকের অগ্রদ্বীপ পঞ্চায়েতের চর সাহাপুর, চর বিষ্ণুপুর, কালিকাপুর গ্রামগুলির পাশ দিয়েই বয়ে গিয়েছে ভাগীরথী। চর বিষ্ণুপুর মৌজা ভাঙন কবলিত। প্রতি নিয়ত নদীর পাড় ভেঙে পড়ছে জলে। ধীরে ধীরে গোটা গ্রামটাই যেন গিলে নিচ্ছে নদী। গ্রাম ছেড়ে বাসিন্দারা আগেই কালিকাপুর, বেলেঘাটা প্রভৃতি গ্রামগুলিতে উঠে গিয়েছেন। ১৯৯৬ সালের ভয়াবহ বন্যার পর ভাগীরথী কয়েকবারই তার গতিপথ পাল্টেছে। চর বিষ্ণুপুর গ্রামের সঙ্গে বিষ্ণুপুর গ্রামখানি আলাদা করেছে ভাগীরথী।
পূর্বস্থলী-২ ব্লকের দামপালে ভাগীরথীর ফের ভাঙন শুরু হয়েছে। নদী পাড়ের মাটি ধসছে। ঢালাই রাস্তা রয়েছে সেখানে। তড়িঘড়ি ব্যবস্থা না নিলে ওই রাস্তা ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। ভাগীরথীর ভাঙনে পূর্বস্থলীর পাটুলি, ঝাউডাঙা, যজ্ঞেশ্বরপুর, ছাতনী গ্রামগুলির মানচিত্র বদলে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা সুষ্মিতা সরকার, পদ্ম সরকার, ঝুমা শাকারি বলেন কাজ যদি ঠিকঠাক হয় তাহলে অন্তত আমাদের ভিটে হারাবার ভয় থাকবে না।
পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাজেটে গঙ্গা ভাঙন রোধে টাকা বরাদ্দ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এতে আমাদের পূর্বস্থলী ১ ও ২ দু’টি ব্লকই উপকৃত হবে। এর আগেও অবশ্য কাজ হয়েছিল। সেচদপ্তরের এক অফিসার জানান, আমাদের এসব এলাকায় অনেক ডিপিআর জমা দেওয়া রয়েছে। এবার আশা করছি সব বরাদ্দ হয়ে যাবে।
কাটোয়া মহকুমার মধ্যে কেতুগ্রাম-২ ব্লক, কাটোয়া-২ ব্লকের মধ্যে দিয়ে ভাগীরথী বয়ে গিয়েছে। কেতুগ্রামের সীতাহাটি, মৌগ্রাম অঞ্চল দু’টি ভাঙন প্রবণ। মৌগ্রামের নতুনগ্রামে ভয়ানক ভাবে ভাগীরথীর পাড় ভাঙছে। কয়েকদিন আগেও সেচদপ্তরের কর্তারা সেই ভাঙন পরিদর্শন করে যান। নতুনগ্রামে একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র নদীগর্ভে চলে গিয়েছে। ভিটেমাটি সব শেষ। নতুনগ্রামে তিনটি বুথে ভোটার রয়েছে প্রায় তিন হাজার। আর গ্রামে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষের বসবাস। এরমধ্যে তিনশ পরিবার নদী ভাঙনের কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত। সারাদিন নদীর পাড়ে ঝুপঝাপ শব্দে পাড়ের মাটি ধসে যাচ্ছে। বাড়িগুলি বিপজ্জনক ভাবে নদীতে ঝুলছে। নতুনগ্রামের বাসিন্দা আল্লারাখা শেখ, সাহিদা বিবি বলেন, নদীর ধারে খুব ভয়ে থাকি। রাতে ঘুম আসে না। যে কোনও মুহূর্তে আমরা তলিয়ে যেতে পারি। গ্রামের বাসিন্দা আকাই শেখ, সাহিন শেখ বলেন, গ্রামে জুনিয়র স্কুল, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ সবই রয়েছে। সব ভাঙনে তলিয়ে যাবে। বাজেটে টাকা বরাদ্দ হওয়ায় আমরা খুব খুশি। গ্রামটাকে অন্তত বাঁচানো যাবে।
কাটোয়া ২ ব্লকের অগ্রদ্বীপ পঞ্চায়েতের চর সাহাপুর, চর বিষ্ণুপুর, কালিকাপুর গ্রামগুলির পাশ দিয়েই বয়ে গিয়েছে ভাগীরথী। চর বিষ্ণুপুর মৌজা ভাঙন কবলিত। প্রতি নিয়ত নদীর পাড় ভেঙে পড়ছে জলে। ধীরে ধীরে গোটা গ্রামটাই যেন গিলে নিচ্ছে নদী। গ্রাম ছেড়ে বাসিন্দারা আগেই কালিকাপুর, বেলেঘাটা প্রভৃতি গ্রামগুলিতে উঠে গিয়েছেন। ১৯৯৬ সালের ভয়াবহ বন্যার পর ভাগীরথী কয়েকবারই তার গতিপথ পাল্টেছে। চর বিষ্ণুপুর গ্রামের সঙ্গে বিষ্ণুপুর গ্রামখানি আলাদা করেছে ভাগীরথী।
পূর্বস্থলী-২ ব্লকের দামপালে ভাগীরথীর ফের ভাঙন শুরু হয়েছে। নদী পাড়ের মাটি ধসছে। ঢালাই রাস্তা রয়েছে সেখানে। তড়িঘড়ি ব্যবস্থা না নিলে ওই রাস্তা ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। ভাগীরথীর ভাঙনে পূর্বস্থলীর পাটুলি, ঝাউডাঙা, যজ্ঞেশ্বরপুর, ছাতনী গ্রামগুলির মানচিত্র বদলে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা সুষ্মিতা সরকার, পদ্ম সরকার, ঝুমা শাকারি বলেন কাজ যদি ঠিকঠাক হয় তাহলে অন্তত আমাদের ভিটে হারাবার ভয় থাকবে না।
পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাজেটে গঙ্গা ভাঙন রোধে টাকা বরাদ্দ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এতে আমাদের পূর্বস্থলী ১ ও ২ দু’টি ব্লকই উপকৃত হবে। এর আগেও অবশ্য কাজ হয়েছিল। সেচদপ্তরের এক অফিসার জানান, আমাদের এসব এলাকায় অনেক ডিপিআর জমা দেওয়া রয়েছে। এবার আশা করছি সব বরাদ্দ হয়ে যাবে।



