সংবাদদাতা, কাটোয়া: সরকারি কর্মীদের অবসর নেওয়ার পর পারিবারিক পেনশন সুনিশ্চিত করতে বিয়ের রেজিস্ট্রি বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেকেই বিয়ের রেজিস্ট্রি করাননি। তাই অবসরের মাত্র দু’তিনমাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে কাটোয়ার ম্যারেজ রেজিস্ট্রি অফিসে ভিড় করছেন সরকারি চাকুরেরা। কয়েকমাস ধরে শ’য়ে শ’য়ে সরকারি কর্মীর বিয়ের রেজিস্ট্রি করাতে হিমসিম খাচ্ছেন সেখানকার কর্মীরা। তবে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হলে অফিসের কর্মীদের মিষ্টিমুখ করাতে কিন্তু ভুলছেন না কেউই।
Advertisement
কাটোয়া, কেতুগ্রাম, মন্তেশ্বর এলাকার ম্যারেজ অফিসার কাম রেজিস্ট্রার শ্রীধর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সরকারি কর্মীদের অবসর নেওয়ার পর পারিবারিক পেনশন সুনিশ্চিত করতে বিয়ের রেজিস্ট্রির শংসাপত্র প্রয়োজন। তাই এখন সরকারি কর্মীরা অবসর নেওয়ার মুখে রেজিস্ট্রি করাতে ভিড় জমাচ্ছেন।
সাধারণত সামাজিকভাবে বিয়ের পরই অনেকে রেজিস্ট্রি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নেন। কেউ কেউ আবার বিয়ের বহু বছর পরে রেজিস্ট্রি করান। কিন্তু সরকারি কর্মীদের বিয়ে রেজিস্ট্রি না করা থাকলে তাঁর স্ত্রীর পেনশন চালু করতে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। সেই নিয়মের গেরোয় এখন সরকারি কর্মীদের একটা বড় অংশ অবসরের মাত্র দু’মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে রেজিস্ট্রি অফিসে ছুটছেন। কয়েকমাস ধরে কয়েকশো সরকারি কর্মী এমন কাজ করেছেন। কাটোয়া রেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।
অনেক সরকারি কর্মী আবার কর্মসূত্রে কাটোয়ার বাইরে থাকেন। এবার কাটোয়ায় ছুটি কাটাতে এসে কাগুজে বিয়ে সেরে ফেলছেন। এমনটা দেখে অনেকে হাসি-মশকরাও করছেন। এবছর পুজোর ছুটিতে কাটোয়া মহকুমার এরকম অন্তত প্রায় ২০০জন রেজিস্ট্রি করিয়েছেন।
এক সরকারি কর্মী হাসিমুখে বলেন, স্ত্রীকে অগ্নিসাক্ষী করে বিয়ে করেছিলাম। আমাদের মনের মিল ছিল। তাই আর কাগুজে বিয়ে করিনি। কিন্তু আমি আর দু’মাস পর অবসর নেব। তাই এখন বুড়ো বয়সে স্ত্রীকে কাগুজে বিয়ে করতে হচ্ছে। কেতুগ্রামের অপর এক সরকারি কর্মী বলেন, আমি ৩০বছর আগে বিয়ে করেছি। রেজিস্ট্রি করানো হয়নি। কিন্তু এখন সরকারি নিয়ম তো মানতেই হবে। আমার পেনশন হয়তো চালু হয়ে যাবে। কিন্তু আমার পর আমার স্ত্রীকে পেনশনের আওতায় আনতে গেলে রেজিস্ট্রি করিয়ে রাখা দরকার। তাই কয়েকদিনের ছুটি নিয়ে ম্যারেজ রেজিস্ট্রি করাতে এসেছি।
সাধারণত সামাজিকভাবে বিয়ের পরই অনেকে রেজিস্ট্রি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নেন। কেউ কেউ আবার বিয়ের বহু বছর পরে রেজিস্ট্রি করান। কিন্তু সরকারি কর্মীদের বিয়ে রেজিস্ট্রি না করা থাকলে তাঁর স্ত্রীর পেনশন চালু করতে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। সেই নিয়মের গেরোয় এখন সরকারি কর্মীদের একটা বড় অংশ অবসরের মাত্র দু’মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে রেজিস্ট্রি অফিসে ছুটছেন। কয়েকমাস ধরে কয়েকশো সরকারি কর্মী এমন কাজ করেছেন। কাটোয়া রেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।
অনেক সরকারি কর্মী আবার কর্মসূত্রে কাটোয়ার বাইরে থাকেন। এবার কাটোয়ায় ছুটি কাটাতে এসে কাগুজে বিয়ে সেরে ফেলছেন। এমনটা দেখে অনেকে হাসি-মশকরাও করছেন। এবছর পুজোর ছুটিতে কাটোয়া মহকুমার এরকম অন্তত প্রায় ২০০জন রেজিস্ট্রি করিয়েছেন।
এক সরকারি কর্মী হাসিমুখে বলেন, স্ত্রীকে অগ্নিসাক্ষী করে বিয়ে করেছিলাম। আমাদের মনের মিল ছিল। তাই আর কাগুজে বিয়ে করিনি। কিন্তু আমি আর দু’মাস পর অবসর নেব। তাই এখন বুড়ো বয়সে স্ত্রীকে কাগুজে বিয়ে করতে হচ্ছে। কেতুগ্রামের অপর এক সরকারি কর্মী বলেন, আমি ৩০বছর আগে বিয়ে করেছি। রেজিস্ট্রি করানো হয়নি। কিন্তু এখন সরকারি নিয়ম তো মানতেই হবে। আমার পেনশন হয়তো চালু হয়ে যাবে। কিন্তু আমার পর আমার স্ত্রীকে পেনশনের আওতায় আনতে গেলে রেজিস্ট্রি করিয়ে রাখা দরকার। তাই কয়েকদিনের ছুটি নিয়ে ম্যারেজ রেজিস্ট্রি করাতে এসেছি।



