সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়া মহকুমাজুড়ে ফের সক্রিয় জাল দলিল চক্র। বাড়ছে ভুয়ো কাগজপত্র তৈরি করে অন্যের জমি হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা। এমনই ভূরি ভূরি অভিযোগ তুলছেন মানুষ। জাল দলিল ঠেকাতে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে মহকুমা ভূমি সংস্কার দপ্তর। এফআইআর করা হচ্ছে, তবুও ঠেকানো যাচ্ছে না এই চক্রকে।
Advertisement
মৃত মানুষকে জ্যান্ত দেখিয়ে, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড জাল করে অন্যের জমি রেজিস্ট্রি করিয়ে নেওয়ার অভিযোগ প্রায়ই উঠছে। কাটোয়া মহকুমার পাঁচটি ব্লকজুড়েই প্রতি মাসে জাল দলিল ধরা পড়ে। এফআইআরও করা হয়, এমনকী গ্রেপ্তারও হয়। তবুও চক্র থামছে না। ভুক্তভোগীরা দাবি তুলছেন, জাল দলিল চক্রের মাথাকে খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করুক পুলিস। তা না হলে এই প্রবণতা কমবে না।
কাটোয়া মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিক অর্পিতা দাস বলেন, জাল দলিল ধরা পড়লেই আমরা সঙ্গে সঙ্গে তার রেকর্ড বাতিল করে দিই। থানায় এফআইআর দায়ের করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার ব্যবস্থা করি। ভূমি সংস্কার দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কেতুগ্রামে জাল দলিলের কারবার মহকুমায় বেশি। আধিকারিকদের সই ও স্ট্যাম্প জাল করে ভুয়ো দলিল তৈরি করা হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কাটোয়াজুড়ে এমন চক্রের দৌলতে জমি হাতিয়ে নেওয়ার চক্র যেভাবে কাজ করে তাতে বাধা দেওয়ার কেউ নেই। কারণ এরা প্রভাবশালী, মস্তান গোছের। কেউ কিছু বললেই তাকে মারধর করে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। বাসিন্দারা চাইছেন, প্রশাসন জাল দলিলের কারবার বন্ধ করার জন্য মূল মাথাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করুক। এর সঙ্গে এক মহিলাও জড়িত বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। ওই মহিলাই নাকি কলকাতায় গিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে জাল দলিল বানিয়ে এনে দেয়।
প্রসঙ্গত, কাটোয়া থানা এলাকাতে এর আগেও জাল দলিলের পর্দা ফাঁস হয়েছিল। পুলিস তদন্ত করে জানতে পেরেছিল রেজিস্ট্রির সময় ভাড়া করে লোককে সাক্ষী, ক্রেতা সাজাত জমি মাফিয়ারা। কাটোয়া শহরে পাল্লা দিয়ে গড়ে উঠছে ফ্ল্যাট বাড়ি। তাই বেড়ে চলেছে জমির দাম। আর সেই সঙ্গে সক্রিয় হচ্ছে জমি মাফিয়া রাজ। এসব করে রাতারাতি অন্যের জমি, বাড়ি দখল করার চক্রের রমরমা কাটোয়া শহরে দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে।
গতবছর ২৪ ফেব্রুয়ারি কাটোয়া থানায় কেতুগ্রামের রসুইয়ের বাসিন্দা বরেনকুমার পাল ও কাটোয়া শহরের বর্ধমান রোডের বাসিন্দা মহম্মদ সুজন আহমেদ দু’টি পৃথক অভিযোগ করে ছিলেন। দু’ জনেই একটা চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান। ওই চক্রটি মৃত মানুষকে জ্যান্ত সাজিয়ে জাল দলিল করে তাঁদের জমি ও বাড়ি দখল নেওয়ার চেষ্টা করছিল। পুলিস তদন্তে নেমে মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। যারা কেউ ক্রেতা, কেউ বিক্রেতা সেজেছিল।
কাটোয়া মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিক অর্পিতা দাস বলেন, জাল দলিল ধরা পড়লেই আমরা সঙ্গে সঙ্গে তার রেকর্ড বাতিল করে দিই। থানায় এফআইআর দায়ের করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার ব্যবস্থা করি। ভূমি সংস্কার দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কেতুগ্রামে জাল দলিলের কারবার মহকুমায় বেশি। আধিকারিকদের সই ও স্ট্যাম্প জাল করে ভুয়ো দলিল তৈরি করা হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কাটোয়াজুড়ে এমন চক্রের দৌলতে জমি হাতিয়ে নেওয়ার চক্র যেভাবে কাজ করে তাতে বাধা দেওয়ার কেউ নেই। কারণ এরা প্রভাবশালী, মস্তান গোছের। কেউ কিছু বললেই তাকে মারধর করে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। বাসিন্দারা চাইছেন, প্রশাসন জাল দলিলের কারবার বন্ধ করার জন্য মূল মাথাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করুক। এর সঙ্গে এক মহিলাও জড়িত বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। ওই মহিলাই নাকি কলকাতায় গিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে জাল দলিল বানিয়ে এনে দেয়।
প্রসঙ্গত, কাটোয়া থানা এলাকাতে এর আগেও জাল দলিলের পর্দা ফাঁস হয়েছিল। পুলিস তদন্ত করে জানতে পেরেছিল রেজিস্ট্রির সময় ভাড়া করে লোককে সাক্ষী, ক্রেতা সাজাত জমি মাফিয়ারা। কাটোয়া শহরে পাল্লা দিয়ে গড়ে উঠছে ফ্ল্যাট বাড়ি। তাই বেড়ে চলেছে জমির দাম। আর সেই সঙ্গে সক্রিয় হচ্ছে জমি মাফিয়া রাজ। এসব করে রাতারাতি অন্যের জমি, বাড়ি দখল করার চক্রের রমরমা কাটোয়া শহরে দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে।
গতবছর ২৪ ফেব্রুয়ারি কাটোয়া থানায় কেতুগ্রামের রসুইয়ের বাসিন্দা বরেনকুমার পাল ও কাটোয়া শহরের বর্ধমান রোডের বাসিন্দা মহম্মদ সুজন আহমেদ দু’টি পৃথক অভিযোগ করে ছিলেন। দু’ জনেই একটা চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান। ওই চক্রটি মৃত মানুষকে জ্যান্ত সাজিয়ে জাল দলিল করে তাঁদের জমি ও বাড়ি দখল নেওয়ার চেষ্টা করছিল। পুলিস তদন্তে নেমে মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। যারা কেউ ক্রেতা, কেউ বিক্রেতা সেজেছিল।



