সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসকের সঙ্গে অভব্য আচরণের অভিযোগ উঠল রোগী ও তার পরিজনদের বিরুদ্ধে। এমনকী, চিকিৎসককে তেড়ে মারতে যাওয়ার অভিযোগও ওঠে। সোমবার দুপুরের এই ঘটনায় কাটোয়া থানার পুলিস রোগীর দুই আত্মীয়কে আটক করেছে। পুলিস এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিন হাসপাতালে চিকিৎসক-রোগীর ঝামেলায় অন্যান্য রোগীরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ঘটনায় হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়ায়।
Advertisement
জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে নদীয়ার বল্লভপাড়ার বাসিন্দা আকবর মল্লিক কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হন। আকবর ঠিকভাবে কথা বলতে পারছিলেন না। হাসপাতালের পুরুষ বিভাগে তাঁকে ভর্তি করা হয়। এরপরই কর্তব্যরত নার্স ও চিকিৎসক আকবরকে স্যালাইন দেন। ওই রোগীকে সিটি স্ক্যান করার পরামর্শও দেওয়া হয়। অভিযোগ, ভোর ৫টা থেকেই নাকি ওই রোগী নিজের বেড থেকে উঠে পড়ে ছটফট শুরু করে। এমনকী, সিকিউরিটি গার্ডকে সকাল ৭টার আগেই দরজা খুলতে জোরাজুরি করে। এদিন বেলায় রাউন্ডে আসেন চিকিৎসক সুব্রত হালদার। সেসময় আকবরের স্ত্রী মিনা ও ছেলে মিলন মল্লিক আসে। ওই রোগী চিৎকার করে বলতে থাকে, তার নাকি ঠিকমতো চিকিৎসা হচ্ছে না। সুব্রতবাবু ওই রোগীকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, আকবর নিজের স্যালাইন খুলে, স্ট্যান্ড ফেলে দিয়ে চিকিৎসককে মারার চেষ্টা করেন। তাঁর স্ত্রী মিনা মল্লিকও ওই চিকিৎসককে তেড়ে মারতে যায়। এরপরই হাসপাতালে ঝামেলার সৃষ্টি হয়।
হাসপাতালের ক্যাম্প থেকে পুলিস এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পরে আকবরের স্ত্রী ও ছেলেকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক সুব্রত হালদার বলেন, চিকিৎসা পরিষেবা দিতে এসে গালাগালি শুনতে হবে, কখনও ভাবিনি। এমন আচরণ কেন করা হবে? আমাকে ওরা মারতে যায়। আমি বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করি। তবুও ওরা আমার কথা শোনেনি। পাল্টা হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে রোগীর বাড়ির আত্মীয়রা। আকবরের স্ত্রী মিনা মল্লিক বলেন, আমার স্বামীকে সিটি স্ক্যান করতে লিখে দিয়েছে। হাসপাতালের সিটি স্ক্যান মেশিন খারাপ। তাই আমরা বাইরে থেকে ওই পরীক্ষা করানোর জন্য নার্সদের বলেছিলাম। অসুস্থতায় আমার স্বামীর মুখের কথা বিকৃত হয়ে গিয়েছে। এসব দেখে আমরা ঘাবড়ে গিয়ে চিকিৎসককে বলেছিলাম, একটু ভালো করে দেখুন। আমরা ওই চিকিৎসককে মারতে যাইনি। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপার সুশান্তবরণ দত্ত বলেন, আমরা পুলিসকে সব জানিয়েছি।
হাসপাতালের ক্যাম্প থেকে পুলিস এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পরে আকবরের স্ত্রী ও ছেলেকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক সুব্রত হালদার বলেন, চিকিৎসা পরিষেবা দিতে এসে গালাগালি শুনতে হবে, কখনও ভাবিনি। এমন আচরণ কেন করা হবে? আমাকে ওরা মারতে যায়। আমি বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করি। তবুও ওরা আমার কথা শোনেনি। পাল্টা হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে রোগীর বাড়ির আত্মীয়রা। আকবরের স্ত্রী মিনা মল্লিক বলেন, আমার স্বামীকে সিটি স্ক্যান করতে লিখে দিয়েছে। হাসপাতালের সিটি স্ক্যান মেশিন খারাপ। তাই আমরা বাইরে থেকে ওই পরীক্ষা করানোর জন্য নার্সদের বলেছিলাম। অসুস্থতায় আমার স্বামীর মুখের কথা বিকৃত হয়ে গিয়েছে। এসব দেখে আমরা ঘাবড়ে গিয়ে চিকিৎসককে বলেছিলাম, একটু ভালো করে দেখুন। আমরা ওই চিকিৎসককে মারতে যাইনি। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপার সুশান্তবরণ দত্ত বলেন, আমরা পুলিসকে সব জানিয়েছি।



