সংবাদদাতা, কাটোয়া: তিন বছর ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের অত্যাধুনিক ‘স্প্রিঙ্কলার সিস্টেম’ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নষ্ট হতে বসেছে। পাইপলাইনে মরচে ধরেছে। অনেক প্যানেল বোর্ড ভেঙে গিয়েছে। ‘বর্তমান’ পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের জেরে শনিবার দমকল আধিকারিকরা পরিদর্শনে এসে এই পরিস্থিতি দেখলেন।
Advertisement
কোথাও পাইপলাইনে জল আসছে না। আবার কোথাও স্প্রিঙ্কলার প্যানেল বোর্ড ভাঙা। কোথাও পাইপলাইন লিক হয়ে রয়েছে। জল পড়ছে না। ২১ নভেম্বর ‘বর্তমান’ পত্রিকায় এবিষয়ে খবর প্রকাশিত হয়। তার জেরে দমকল বিভাগের স্টেশন অফিসার সঞ্জয় দত্ত, কাটোয়ার সাব অফিসার গোবিন্দ মণ্ডল সহ অন্যরা পরিদর্শনে আসেন।
কাটোয়া হাসপাতালের মূল জরুরি বিভাগ, পুরুষ, মহিলা, শিশু-সব বিভাগেই পাইপলাইন করা আছে। হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় প্যানেল বোর্ড বসানো রয়েছে। যাতে আগুন লাগলেই প্যানেল বোর্ড খুলে পাইপ বের করে আগুন নেভানো যায়। এদিন পরিদর্শনে এসে দমকলকর্তারা বহু প্যানেল বোর্ড ভাঙা অবস্থায় দেখেন। জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র বিভাগের কাছে পাইপলাইনে লিক রয়েছে। বেশ কিছু পাইপের মুখ দিয়ে জল পড়ছে না। আউটডোরের দরজার কাছেও একই হাল। হাসপাতালের পিছনের মাঠে জলের রির্জাভার রয়েছে। সেখানেও ত্রুটি ধরা পড়েছে। ফায়ার অ্যালার্ম সিস্টেমও অকেজো।
দমকল বিভাগের স্টেশন অফিসার সঞ্জয় দত্ত বলেন, জ্যাম হয়ে যাওয়ায় পাইপলাইনে জল আসছে না। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বহু ত্রুটি ধরা পড়েছে। আমরা সমস্ত ক্রটির তালিকা করেছি। সেসব যাতে মেরামত করা হয়-তা সুপারকে জানিয়েছি।
হাসপাতালের সুপার বিপ্লব মণ্ডল বলেন, তিন বছর ধরে কেন রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি-তা জানতে চেয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে চিঠি করতে বলেছি। পূর্তদপ্তরের আধিকারিকরাও এসেছিলেন। তাঁদেরও সংস্কার করার কথা বলেছি। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা চালুর জন্য দু’জন প্রশিক্ষিত অপারেটর লাগবে। সেটা আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।কাটোয়া হাসপাতালের মূল জরুরি বিভাগ, পুরুষ, মহিলা, শিশু-সব বিভাগেই পাইপলাইন করা আছে। হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় প্যানেল বোর্ড বসানো রয়েছে। যাতে আগুন লাগলেই প্যানেল বোর্ড খুলে পাইপ বের করে আগুন নেভানো যায়। এদিন পরিদর্শনে এসে দমকলকর্তারা বহু প্যানেল বোর্ড ভাঙা অবস্থায় দেখেন। জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র বিভাগের কাছে পাইপলাইনে লিক রয়েছে। বেশ কিছু পাইপের মুখ দিয়ে জল পড়ছে না। আউটডোরের দরজার কাছেও একই হাল। হাসপাতালের পিছনের মাঠে জলের রির্জাভার রয়েছে। সেখানেও ত্রুটি ধরা পড়েছে। ফায়ার অ্যালার্ম সিস্টেমও অকেজো।
দমকল বিভাগের স্টেশন অফিসার সঞ্জয় দত্ত বলেন, জ্যাম হয়ে যাওয়ায় পাইপলাইনে জল আসছে না। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বহু ত্রুটি ধরা পড়েছে। আমরা সমস্ত ক্রটির তালিকা করেছি। সেসব যাতে মেরামত করা হয়-তা সুপারকে জানিয়েছি।
রোগীর আত্মীয়রা জানান, বড়সড় অগ্নিকাণ্ড হয়নি। কিন্তু যা পরিস্থিতি, তাতে বিপদ হলে দমকলের অপেক্ষা ছাড়া কোনও উপায় থাকবে না। তাই হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ঠিক রাখা দরকার।



