সংবাদদাতা, কাটোয়া: গ্রামীণ মহিলাদের অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে রাজ্য সরকার নানা প্রকল্প চালু করেছে। বহু পঞ্চায়েতে পোল্ট্রি ফার্ম তৈরি করে দিয়েছে। কাটোয়ার হোগলা গ্রামে স্বনির্ভর গোষ্ঠীদের জন্য তৈরি করা পোল্ট্রি ফার্ম তিন বছর ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে। লক্ষ লক্ষ টাকায় তৈরি করা ফার্ম এখন আগাছায় ভরে গিয়েছে। প্রশাসনের পরিকল্পনা ও নজরদারির অভাবে এমন অবস্থা বলে অভিযোগ। আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন গ্রামের মহিলারা।
Advertisement
কাটোয়া-২ ব্লকের জগদানন্দপুর পঞ্চায়েতের হোগলা গ্রামজুড়ে নানা সরকারি প্রকল্প ১০০ দিনের কাজের টাকায় গড়ে তুলেছিল ব্লক প্রশাসন। যাতে করে গ্রামের মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর আওতায় এনে আয়ের সুনিশ্চিত রাস্তা তৈরি করা হয়েছিল। বছর ঘুরতেই একের পর এক প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। এখন সব বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আগে মহিলারা যে তিমিরে ছিল এখন সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছেন। আগে ১০০ দিনের কাজে গোলাপ বাগান তৈরি করা হয়েছিল। পরিচালনার ভার দেওয়া হয়েছিল স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের। সেই বাগান এখন আর নেই। ছাগল প্রতিপালন কেন্দ্র গড়েছিল ব্লক প্রশাসন। এখন সেটাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে নার্সারি গড়ে তুলেছিল। সেটাও এখন বন্ধ। আর পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
যদিও এসবের জন্য এখন কেন্দ্রীয় সরকারকেই দায়ী করছেন কাটোয়া-২ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ গৌতম ঘোষাল। তিনি বলছেন, ১০০ দিনের কাজের টাকায় পোল্ট্রি ফার্ম তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ১০০ দিনের কাজের টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়াতেই আর প্রকল্পগুলি চালানো যায়নি। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, হোগলা গ্রামে ২০১৭-১৮ বর্ষে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা খরচ করে পোল্ট্রি ফার্ম তৈরি করা হয়েছিল। ১০০ দিনের কাজের টাকাতেই এমন প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছিল। ২৫০টি লাল মুরগির ছানা দেওয়া হয়েছিল। প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর থেকে নিয়মিত মুরগির ছানার টিকাকরণ, ওষুধ দেওয়া হতো। বড় হলে বাজারে বিক্রি করে মহিলারা ভালো আয় করতে পারতেন। কিন্তু সেসব এখন আর নেই। তার দেখভালের দ্বায়িত্বে ছিল এক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের উপর। ওই দলের সদস্য বন্দনা রাজোয়াড় বলেন, মুরগির ছানাগুলি একে একে সব মরে গেল। আমাদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়নি। এখন প্রকল্প চললে আমাদের আয় বাড়ত। আমরা চাই ব্লক প্রশাসন আবার যদি ফার্ম চালু করে দিত তাহলে খুব ভালো হতো। প্রকল্প এলাকায় আগছায় ভরে গিয়েছে। শেডে অন্য জিনিসপত্রে ঠাসা। যেন গোডাউন হয়ে রয়েছে।
যদিও এসবের জন্য এখন কেন্দ্রীয় সরকারকেই দায়ী করছেন কাটোয়া-২ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ গৌতম ঘোষাল। তিনি বলছেন, ১০০ দিনের কাজের টাকায় পোল্ট্রি ফার্ম তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ১০০ দিনের কাজের টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়াতেই আর প্রকল্পগুলি চালানো যায়নি। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, হোগলা গ্রামে ২০১৭-১৮ বর্ষে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা খরচ করে পোল্ট্রি ফার্ম তৈরি করা হয়েছিল। ১০০ দিনের কাজের টাকাতেই এমন প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছিল। ২৫০টি লাল মুরগির ছানা দেওয়া হয়েছিল। প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর থেকে নিয়মিত মুরগির ছানার টিকাকরণ, ওষুধ দেওয়া হতো। বড় হলে বাজারে বিক্রি করে মহিলারা ভালো আয় করতে পারতেন। কিন্তু সেসব এখন আর নেই। তার দেখভালের দ্বায়িত্বে ছিল এক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের উপর। ওই দলের সদস্য বন্দনা রাজোয়াড় বলেন, মুরগির ছানাগুলি একে একে সব মরে গেল। আমাদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়নি। এখন প্রকল্প চললে আমাদের আয় বাড়ত। আমরা চাই ব্লক প্রশাসন আবার যদি ফার্ম চালু করে দিত তাহলে খুব ভালো হতো। প্রকল্প এলাকায় আগছায় ভরে গিয়েছে। শেডে অন্য জিনিসপত্রে ঠাসা। যেন গোডাউন হয়ে রয়েছে।



