সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়া, মঙ্গলকোট, আউশগ্রাম, ভাতারের বহু ফার্মে শত শত পোল্ট্রি মুরগির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চলতি সপ্তাহে কয়েকশো মুরগি মারা গিয়েছে বলে খবর। ফার্ম মালিকদের অনুমান, সংক্রামক কোনও রোগের কারণেই এই পরিস্থিতি। মুরগির মৃত্যুতে আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়তে হচ্ছে তাঁদের। আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণেই ব্রয়লার মুরগির মৃত্যু ঘটছে বলে দাবি প্রাণী বিশেষজ্ঞদের।
Advertisement
কাটোয়া ১ ব্লকের প্রাণী সম্পদ আধিকারিক সুদর্শন দাস বলেন, সাধারণত ব্রয়লার মুরগি ২৫ থেকে ২৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ভালো থাকে। কিন্তু এখন তাপমাত্রার দ্রুত পরিবর্তন ঘটায় ব্রয়লার মুরগি পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারছে না, তাই এভাবে মৃত্যু ঘটছে। জানা গিয়েছে, কাটোয়া ১ ব্লকের গাঙ্গুলিডাঙায় কয়েকদিন আগেই কয়েকশো মুরগি মারা গিয়েছিল। এখন আউশগ্রামের কয়রাপুর, মঙ্গলকোটের কল্যাণপুর, ভাতারের বেশ কয়েকটি ফার্মে শত শত মুরগি মারা যাচ্ছে। এভাবে মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধন্দে রয়েছেন সবাই। গ্রামের বাসিন্দা পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রথমে ঝিমুনি রোগ হচ্ছে। তারপরেই মারা যাচ্ছে। কারও দেড়শো, কারও দুশো মুরগি মারা গিয়েছে। এইসব ব্যবসায়ী মূলত ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিং’ পদ্ধতিতে চাষ করেন। তাতে বেসরকারি সংস্থার হাতেই সব কিছু ভার থাকে। দ্রুত প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাইয়ে ওজন বৃদ্ধি করার প্রবণতাও থাকে। এতে মুরগির ইমিউনিটি পাওয়ার কমে যায়। মঙ্গলকোটের কল্যাণপুরের এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ী বলেন, কয়েকদিন আগে একটা-দু’টো করে মুরগি মারা যাচ্ছিল। দু’-একটি মুরগি মারা যাওয়া খুবই সাধারণ বিষয় বলে তেমন গুরুত্ব দিইনি। কিন্তু শেষ কয়েকদিনে প্রতিদিন গড়ে দেড়শোটি মুরগি মারা যেতে থাকে। কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে ফার্ম। আরেক পোল্ট্রি ব্যবসায়ী বলেন, ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই গোটা ফার্মটাই ফাঁকা হয়ে গিয়েছে।
ব্লক প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণত ফার্ম করতে গেলে রেজিস্ট্রেশন করানোর নিয়ম না থাকলেও অনেকেই করিয়ে রাখেন। কিন্তু কাটোয়া, আউশগ্রাম জুড়ে বহু ফার্ম রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই চলছে। মূলত ফার্ম চাষিরা প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগও করেন না। কারণ তাঁরা অধিকাংশই ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিং’ করে থাকেন। এর ফলে সব কিছু বেসরকারি সংস্থার লোকজন করে থাকেন। কল্যাণপুরে মরা মুরগির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বেসরকারি সংস্থার ল্যাবেই তার পরীক্ষা হবে। বাসিন্দাদের দাবি, কন্ট্রাক্ট ফার্ম মালিকদের অবিলম্বে প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের বিশেষজ্ঞদের নজরদারিতে আনা দরকার।
বিশেষজ্ঞদের আরও দাবি, নদীয়ার কল্যাণীতে রাজ্য সরকারের বড় ফার্ম রয়েছে। সেখানে ব্রয়লার, হাঁস মিলে ৬ লক্ষ প্রতিপালন করা হচ্ছে। সেখানে বাতানুকুল সুবিধাও রয়েছে। ফলে সেখানে অ্যান্টোবায়োটিক ছাড়াই সেগুলি বেড়ে উঠছে। সেখানে অন্তত সংক্রমণ হওয়ার ভয় থাকে না।
ব্লক প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণত ফার্ম করতে গেলে রেজিস্ট্রেশন করানোর নিয়ম না থাকলেও অনেকেই করিয়ে রাখেন। কিন্তু কাটোয়া, আউশগ্রাম জুড়ে বহু ফার্ম রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই চলছে। মূলত ফার্ম চাষিরা প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগও করেন না। কারণ তাঁরা অধিকাংশই ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিং’ করে থাকেন। এর ফলে সব কিছু বেসরকারি সংস্থার লোকজন করে থাকেন। কল্যাণপুরে মরা মুরগির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বেসরকারি সংস্থার ল্যাবেই তার পরীক্ষা হবে। বাসিন্দাদের দাবি, কন্ট্রাক্ট ফার্ম মালিকদের অবিলম্বে প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের বিশেষজ্ঞদের নজরদারিতে আনা দরকার।
বিশেষজ্ঞদের আরও দাবি, নদীয়ার কল্যাণীতে রাজ্য সরকারের বড় ফার্ম রয়েছে। সেখানে ব্রয়লার, হাঁস মিলে ৬ লক্ষ প্রতিপালন করা হচ্ছে। সেখানে বাতানুকুল সুবিধাও রয়েছে। ফলে সেখানে অ্যান্টোবায়োটিক ছাড়াই সেগুলি বেড়ে উঠছে। সেখানে অন্তত সংক্রমণ হওয়ার ভয় থাকে না।



