সংবাদদাতা, কাটোয়া: এক মহিলার পাঁচ স্বামী। কাটোয়ার জগদানন্দপুর পঞ্চায়েতে আবাসের তালিকা দেখে চক্ষু চরকগাছ হয় সমীক্ষকদের। যার পরেই নড়েচড়ে বসল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। কাটোয়া-২ বিডিও-র কাছে এই ঘটনা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। কেন এমনটা ঘটল তা জানতে চেয়েছে জেলা প্রশাসন। কার গাফিলতিতে এতবড় কাণ্ড ঘটল তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন বিডিও। পাশাপাশি সোমবার নতুন করে বাড়ি পেতে পূর্বস্থলী-২ বিডিও অফিসে হঠাৎ আবেদন নিয়ে হাজির হন বাসিন্দারা। যা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।
Advertisement
কাটোয়া-২ বিডিও আসিফ আনসারি বলেন, ২০১৮ সালের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকাই সার্ভে করে দেখতে গিয়েই এমন তথ্য উঠে এসেছে। জেলা প্রশাসন আমার কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন। আমি যথা সময়েই জেলায় রিপোর্ট পাঠিয়ে দেব।ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সমীক্ষার সময় দেখা যায় কাটোয়ার জগদানন্দপুর পঞ্চায়েতে সুদেষ্ণা রায়ের আলাদা আলাদা ঠিকানায় পাঁচজন স্বামীর নাম দিয়ে আবাস তালিকা এসেছে। আদতে ওইসব গ্রামে ওই নামে কোনও মহিলা নেই। এমনকী জগদানন্দপুর পঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধান হারু দাস একবার আবাস প্রকল্পে বাড়ি পাওয়ার পরেও নতুন করে আবাসের তালিকায় নাম এসেছে।
বিরোধীদের দাবি, তৎকালীন প্রধানদের গাফিলতি ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখে থানায় এফআইআর করা উচিত।
এদিন পূর্বস্থলী-২ বিডিও অফিসে আবাস নিয়ে সিপিএমের ডেপুটেশন ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একদিন আগে ডেপুটেশন নিয়ে সিপিএমের পক্ষ থেকে প্রতিটি গ্রামে ঘুরে প্রচার করা হয়। সেখানে বলা হয় যাঁরা আবাস প্রকল্পে ঘর পাননি তাঁরা এসে আবেদন জানান। তাই এদিন সিপিএম নেতারা আসার আগেই প্রচুর মানুষ আবাস প্রকল্পে বাড়ি পাওয়ার জন্য আবেদন হাতে দীর্ঘ লাইন দেন। পিলা এলাকার বাসিন্দা আজমত শেখ বলেন, আমি তিন চারবার আবেদন করেও ঘর পাইনি। তাই মাইকে প্রচার শুনেই চলে এসেছি। বিশ্বরম্ভা এলাকার বাসিন্দা ঝর্না দেবনাথ বলেন, আমার টিনের ছাউনি দেওয়া মাটির বাড়ি। তাই এসেছি ঘরের আবেদন জানাতে।
পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যোগ্য ব্যক্তিদের ঘর দেওয়ার জন্যই সার্ভে করছেন। আর সিপিএম রাজনীতি করার সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ওরা ভালো করেই জানে ডেপুটেশন দিতে গেলে লোক হবে না। পাল্টা সিপিএমের এরিয়া কমিটির সম্পাদক বিন কাসেম শেখ বলেন, মানুষ ঘর না পেলে আমাদের বলছে। আমরা বলেছি বিডিওকে বলতে। তাই তো সাধারণ মানুষ এসেছেন। এর সঙ্গে আমাদের ডেপুটেশনের কোনও সম্পর্ক নেই।
বিরোধীদের দাবি, তৎকালীন প্রধানদের গাফিলতি ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখে থানায় এফআইআর করা উচিত।
এদিন পূর্বস্থলী-২ বিডিও অফিসে আবাস নিয়ে সিপিএমের ডেপুটেশন ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একদিন আগে ডেপুটেশন নিয়ে সিপিএমের পক্ষ থেকে প্রতিটি গ্রামে ঘুরে প্রচার করা হয়। সেখানে বলা হয় যাঁরা আবাস প্রকল্পে ঘর পাননি তাঁরা এসে আবেদন জানান। তাই এদিন সিপিএম নেতারা আসার আগেই প্রচুর মানুষ আবাস প্রকল্পে বাড়ি পাওয়ার জন্য আবেদন হাতে দীর্ঘ লাইন দেন। পিলা এলাকার বাসিন্দা আজমত শেখ বলেন, আমি তিন চারবার আবেদন করেও ঘর পাইনি। তাই মাইকে প্রচার শুনেই চলে এসেছি। বিশ্বরম্ভা এলাকার বাসিন্দা ঝর্না দেবনাথ বলেন, আমার টিনের ছাউনি দেওয়া মাটির বাড়ি। তাই এসেছি ঘরের আবেদন জানাতে।
পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যোগ্য ব্যক্তিদের ঘর দেওয়ার জন্যই সার্ভে করছেন। আর সিপিএম রাজনীতি করার সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ওরা ভালো করেই জানে ডেপুটেশন দিতে গেলে লোক হবে না। পাল্টা সিপিএমের এরিয়া কমিটির সম্পাদক বিন কাসেম শেখ বলেন, মানুষ ঘর না পেলে আমাদের বলছে। আমরা বলেছি বিডিওকে বলতে। তাই তো সাধারণ মানুষ এসেছেন। এর সঙ্গে আমাদের ডেপুটেশনের কোনও সম্পর্ক নেই।



