নিজস্ব প্রতিনিধি কৃষ্ণনগর: মদ খাওয়ার টাকা না দেওয়ায় তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধর করল বিজেপি কর্মীরা। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূলের লোকজন পাল্টা চড়াও হয় বিজেপি কর্মীদের উপর। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে ভীমপুর থানার অন্তর্গত আসাননগরে। দুই রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নদীয়া জেলা। ঘটনায় উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দু’ দলই রবিবার রাতে ভীমপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিস।
Advertisement
কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার এক আধিকারিক বলেন, ‘উভয়পক্ষই অভিযোগ করেছে। মোট ছ’ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে। আমরা ঘটনার তদন্ত করছি।’
জানা গিয়েছে, ভীমপুর থানার অন্তর্গত পোড়াগাছা পঞ্চায়েতের বাসিন্দা আমানুল্লাহ মণ্ডল রবিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বাজার করে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় বিজেপি কর্মী রাজেশ মণ্ডল ও প্রভাত দাস তার বাইক আটকায়। তারা মদ খাওয়ার টাকা চেয়েছিল বলে জানিয়েছে আমানুল্লাহ। কিন্তু সে টাকা দিতে অস্বীকার করে। তারপরই তার ওপর চড়াও হয় বিজেপি কর্মীরা। আমানুল্লাহ কোনওরকমে পালিয়ে একটি মার্বেলের দোকানে ঢুকে পড়ে। কিন্তু তাতে রক্ষা পায়নি। বিজেপি কর্মীরা তাকে দোকান থেকে বের করে এনে মারতে শুরু করে। স্থানীয় লোকজন এসে আমানুল্লাহকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে আসাননগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
জানা গিয়েছে, এরপর তৃণমূল কিছু কর্মী সমর্থক আসাননগর বাজার এলাকায় রাজেশ মণ্ডলের বাবা গণেশ মণ্ডলকে বেধড়ক মারতে শুরু করে। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
জখম তৃণমূল কর্মী আমানুল্লাহ মণ্ডল বলে, ‘আমি আসাননগর থেকে বাজার করে বাড়ি ফিরছিলাম। তখন বাইক থামিয়ে কিছু ছেলে আমাকে মারধর করতে শুরু করে। ওরা আমার গলা টিপে ধরেছিল। ওরা আমার থেকে মদ খাওয়ার জন্য টাকা চাইছিল। কিন্তু আমি দিতে অস্বীকার করি। যার জন্যই ওরা আমার উপর চড়াও হয়।’
অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীর বাবা গণেশচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘বাড়িতে ছাদ করব। তাই জিনিসপত্র কিনতে একটি দোকানে গিয়েছিলাম। কিন্তু দোকান বন্ধ থাকার কারণে আমি মোটর সাইকেলে বাড়ি ফিরছিলাম। বুলেট গাড়িতে করে আমার পিছন দিক থেকে এসে দুজন ছেলে আমাকে খুব জোর থাপ্পড় মারে। সঙ্গে সঙ্গে আমি পড়ে যাই। ওদের সঙ্গে অনেক ছেলে ছিল। রড দিয়ে আমার মাজায় মারে। পার্থ, সুমিত এরা সকলে মিলে আমকে খুব মারধর করে। ওরা কেন আমাকে মারল, বলতে পারব না।’
উল্লেখ্য, ভীমপুর, আসাননগর এলাকা কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার অন্তর্গত। যেখানে বিগত কয়েকটি নির্বাচনে বিজেপি দাপট দেখিয়েছে। পঞ্চায়েত ভোট ও লোকসভা ভোটে বিজেপি এই এলাকায় লিড নেয়। আর এক বছর বাদেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে দুই রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে উত্তেজনার পারদ চড়ছে।
কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি দেবব্রত ঘোষ বলেন, ‘সামনে বিধানসভা নির্বাচন বলে বিজেপি এলাকায় অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে। ওরা আমাদের ছেলেকে মারধর করেছে। তারপর আমাদের দলকে বদনাম করতে রটাচ্ছে আমরাই নাকি মারধর করেছি।’
বিজেপির মণ্ডল সভাপতি পৃথ্বীরাজ চৌধুরী বলেন, ‘মানুষের উপর অত্যাচার করাই তৃণমূলের কালচার। ভীমপুরের ঘটনা তারই উদাহরণ। সমাজবিরোধীদের নিয়ে আমাদের দলের লোককে মারধর করেছে।’
জানা গিয়েছে, ভীমপুর থানার অন্তর্গত পোড়াগাছা পঞ্চায়েতের বাসিন্দা আমানুল্লাহ মণ্ডল রবিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বাজার করে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় বিজেপি কর্মী রাজেশ মণ্ডল ও প্রভাত দাস তার বাইক আটকায়। তারা মদ খাওয়ার টাকা চেয়েছিল বলে জানিয়েছে আমানুল্লাহ। কিন্তু সে টাকা দিতে অস্বীকার করে। তারপরই তার ওপর চড়াও হয় বিজেপি কর্মীরা। আমানুল্লাহ কোনওরকমে পালিয়ে একটি মার্বেলের দোকানে ঢুকে পড়ে। কিন্তু তাতে রক্ষা পায়নি। বিজেপি কর্মীরা তাকে দোকান থেকে বের করে এনে মারতে শুরু করে। স্থানীয় লোকজন এসে আমানুল্লাহকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে আসাননগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
জানা গিয়েছে, এরপর তৃণমূল কিছু কর্মী সমর্থক আসাননগর বাজার এলাকায় রাজেশ মণ্ডলের বাবা গণেশ মণ্ডলকে বেধড়ক মারতে শুরু করে। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
জখম তৃণমূল কর্মী আমানুল্লাহ মণ্ডল বলে, ‘আমি আসাননগর থেকে বাজার করে বাড়ি ফিরছিলাম। তখন বাইক থামিয়ে কিছু ছেলে আমাকে মারধর করতে শুরু করে। ওরা আমার গলা টিপে ধরেছিল। ওরা আমার থেকে মদ খাওয়ার জন্য টাকা চাইছিল। কিন্তু আমি দিতে অস্বীকার করি। যার জন্যই ওরা আমার উপর চড়াও হয়।’
অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীর বাবা গণেশচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘বাড়িতে ছাদ করব। তাই জিনিসপত্র কিনতে একটি দোকানে গিয়েছিলাম। কিন্তু দোকান বন্ধ থাকার কারণে আমি মোটর সাইকেলে বাড়ি ফিরছিলাম। বুলেট গাড়িতে করে আমার পিছন দিক থেকে এসে দুজন ছেলে আমাকে খুব জোর থাপ্পড় মারে। সঙ্গে সঙ্গে আমি পড়ে যাই। ওদের সঙ্গে অনেক ছেলে ছিল। রড দিয়ে আমার মাজায় মারে। পার্থ, সুমিত এরা সকলে মিলে আমকে খুব মারধর করে। ওরা কেন আমাকে মারল, বলতে পারব না।’
উল্লেখ্য, ভীমপুর, আসাননগর এলাকা কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার অন্তর্গত। যেখানে বিগত কয়েকটি নির্বাচনে বিজেপি দাপট দেখিয়েছে। পঞ্চায়েত ভোট ও লোকসভা ভোটে বিজেপি এই এলাকায় লিড নেয়। আর এক বছর বাদেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে দুই রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে উত্তেজনার পারদ চড়ছে।
কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি দেবব্রত ঘোষ বলেন, ‘সামনে বিধানসভা নির্বাচন বলে বিজেপি এলাকায় অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে। ওরা আমাদের ছেলেকে মারধর করেছে। তারপর আমাদের দলকে বদনাম করতে রটাচ্ছে আমরাই নাকি মারধর করেছি।’
বিজেপির মণ্ডল সভাপতি পৃথ্বীরাজ চৌধুরী বলেন, ‘মানুষের উপর অত্যাচার করাই তৃণমূলের কালচার। ভীমপুরের ঘটনা তারই উদাহরণ। সমাজবিরোধীদের নিয়ে আমাদের দলের লোককে মারধর করেছে।’



