নিজস্ব প্রতিনিধি কৃষ্ণনগর: মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাঁর রাজধানী কৃষ্ণনগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রচলন করেছিলেন। এখান থেকেই জগদ্ধাত্রী পুজো ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাংলায়। সেই কৃষ্ণনগর শহর থেকেই কয়েক কিলোমিটার দূরে আসাননগর। কৃষ্ণনগরে ২৫টি ওয়ার্ডে প্রায় দেড়শটি জগদ্ধাত্রী পুজো হলেও আসাননগর পঞ্চায়েত এলাকায় পুজোর সংখ্যা একটিই। আসাননগরের সর্বজনীন শ্রীশ্রী জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির পুজো এ বছর ৪৭তম বর্ষে পদার্পণ করল। থিমের জাঁকজমক না থাকলেও এই পুজো এলাকাবাসীর মন করেছে।
Advertisement
এলাকার একমাত্র জগদ্ধাত্রী পুজো হওয়ায় একে কেন্দ্র করেই গ্রামবাসীরা আনন্দে মেতে ওঠেন। বিশেষ করে যাঁরা জগদ্ধাত্রী পুজোতে কৃষ্ণনগর আসতে পারেন না তাদের কাছে আসাননগরের পুজোর মাহাত্ম্য অনেকটাই বেশি। ‘রাঙা মা’ নামেই এখানকার দেবী জগদ্ধাত্রী বিখ্যাত। এবার এই পুজোর বাজেট সাড়ে তিন লক্ষ টাকা।
কৃষ্ণনগর শহর থেকে কয়েক বেশ কিলোমিটার দূরে আসাননগর পঞ্চায়েত এলাকা। ভীমপুর থানার অন্তর্গত ছোট্ট জনপদ। সেখানে দুর্গাপুজো, কালীপুজো বেশ জাঁকজমক করেই হয়। তবে জগদ্ধাত্রী পুজোয় আড়ম্বর সেরকম হয় না। শহর কৃষ্ণনগর প্রচারের আলো পুরোটাই নিজের দিকে টেনে নেয়। তারই মধ্যে গ্রামীণ এলাকার পুজো হিসেবে আসাননগরের সর্বজনীন শ্রীশ্রী জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির পুজো নজর কেড়েছে বিগত পঞ্চাশ বছরে। অনাড়ম্বর পুজো হলেও গ্রামের লোকজন এখানে ভিড় করেন। ১৯৭৮ সাল থেকে এই পুজো হয়ে আসছে। যদিও পুজো শুরুর ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের কাছে ধোঁয়াশার মতোই। মনে করা হয়, যেহেতু গ্রামের দিকের বহু মানুষ কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর স্বাদ গ্রহণ করতে পারেন না। তাই তাঁদের কথা মাথায় রেখে আসাননগর গ্রামে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু হয়েছিল। বিগত ১০-১৫ বছর ধরে এখানকার দেবী ‘রাঙা মা’ নামে খ্যাতিলাভ করেছে। ক্লাব কর্তাদের কথায়, দেবীর মুখ স্নিগ্ধ ও মিষ্টি হওয়ার কারণেই ‘রাঙা মা’ নাম রাখা হয়েছে।
পুজোর দিন এখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যারতির সময়ে গ্রামের লোকজন জড়ো হয় পুজো মণ্ডপে। গ্রামের সকলে মিলে আনন্দে মেতে ওঠেন।
কমিটির সদস্য সৌরভ সাহা বলেন, ‘আমাদের গ্রামে এটিই একমাত্র জগদ্ধাত্রী পুজো। তাই গোটা গ্রাম আমাদের এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। পুজোর ক’টা দিন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেই সঙ্গে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। বড় শোভাযাত্রা করে আমাদের প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়। এবছর ১৩ তারিখ আমাদের প্রতিমার ভাসান হবে।’
কৃষ্ণনগর শহর থেকে কয়েক বেশ কিলোমিটার দূরে আসাননগর পঞ্চায়েত এলাকা। ভীমপুর থানার অন্তর্গত ছোট্ট জনপদ। সেখানে দুর্গাপুজো, কালীপুজো বেশ জাঁকজমক করেই হয়। তবে জগদ্ধাত্রী পুজোয় আড়ম্বর সেরকম হয় না। শহর কৃষ্ণনগর প্রচারের আলো পুরোটাই নিজের দিকে টেনে নেয়। তারই মধ্যে গ্রামীণ এলাকার পুজো হিসেবে আসাননগরের সর্বজনীন শ্রীশ্রী জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির পুজো নজর কেড়েছে বিগত পঞ্চাশ বছরে। অনাড়ম্বর পুজো হলেও গ্রামের লোকজন এখানে ভিড় করেন। ১৯৭৮ সাল থেকে এই পুজো হয়ে আসছে। যদিও পুজো শুরুর ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের কাছে ধোঁয়াশার মতোই। মনে করা হয়, যেহেতু গ্রামের দিকের বহু মানুষ কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর স্বাদ গ্রহণ করতে পারেন না। তাই তাঁদের কথা মাথায় রেখে আসাননগর গ্রামে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু হয়েছিল। বিগত ১০-১৫ বছর ধরে এখানকার দেবী ‘রাঙা মা’ নামে খ্যাতিলাভ করেছে। ক্লাব কর্তাদের কথায়, দেবীর মুখ স্নিগ্ধ ও মিষ্টি হওয়ার কারণেই ‘রাঙা মা’ নাম রাখা হয়েছে।
পুজোর দিন এখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যারতির সময়ে গ্রামের লোকজন জড়ো হয় পুজো মণ্ডপে। গ্রামের সকলে মিলে আনন্দে মেতে ওঠেন।
কমিটির সদস্য সৌরভ সাহা বলেন, ‘আমাদের গ্রামে এটিই একমাত্র জগদ্ধাত্রী পুজো। তাই গোটা গ্রাম আমাদের এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। পুজোর ক’টা দিন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেই সঙ্গে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। বড় শোভাযাত্রা করে আমাদের প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়। এবছর ১৩ তারিখ আমাদের প্রতিমার ভাসান হবে।’



