নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: এবছর ১৯ তম বর্ষে পদার্পণ করল কৃষ্ণনগরের বনশ্রীপাড়া বারোয়ারির পুজো। যেখানে জগদ্ধাত্রী দেবী মা রূপে পূজিত হন। শুরুর দিকে পুজোয় সেরকম জাঁকজমক ছিল না। থিমের পুজোর বহরও ছিল না। এলাকার কিছু মানুষ উদ্যোগ নিয়েই পুজো শুরু করেন। বর্তমানে কৃষ্ণনগর শহরের বারোয়ারি পুজো কমিটিগুলির মধ্যে অন্যতম হল বনশ্রীপাড়া বারোয়ারি। এখানে দেবীর রূপ পুজো কমিটির মূল আকর্ষণ। যা দেখতেই শহরবাসী বনশ্রীপাড়ায় ভিড় জমান। এবার তাদের থিম দেবী-সর্বশক্তি একরূপ।
Advertisement
শঙ্খ, ত্রিশূলের মতো বিভিন্ন সামগ্রী দিয়ে থিমের ভাবনাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে দেবতার বিভিন্ন রূপ। যা মণ্ডপের গায়েই আঁকা হয়েছে রং তুলি দিয়ে। দেবাদিদেব মহাদেবের দর্শন করেই মণ্ডপে ঢুকতে হবে দর্শনার্থীদের। তারপর দর্শন পাওয়া যাবে মা জগদ্ধাত্রীর। দেবতাদের সর্বশক্তির এক রূপ এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
তাদের ভাবনা, সৃষ্টির আদিম সময় থেকে জগতের সকল শক্তির উৎস মা। পৃথিবী অন্যতম শক্তির আধার তিনি। আর সেই মাতৃবন্দনাই আমাদের সর্বকালের সেরা উৎসব। যার আরাধনা হয়ে আসছে আদি অনন্তকাল ধরে। তিনিই মা তিনি দেবী। সকল অভাব অভিযোগের একমাত্র আশ্রয়স্থলও তিনি। কিন্তু জগত সংসারের উত্থান পতন কখনও সেই মাকে করে তোলে দেবী দুর্গা, কখনও রণচণ্ডী মা কালী, কখনও লক্ষ্মী, কখনও বিদ্যাদেবী সরস্বতী, কখনও বা জগৎ জননী জগদ্ধাত্রী। এই সমস্ত কিছুই রয়েছে থিমের ভাবনায়। মায়ের মাতৃত্বে কোনও দিন ভাটা পড়ে না। রূপ বিশেষে মা আলাদা রূপে পূজিত হলেও তিনি দেবী, তিনি মা।
পুজো কমিটির সম্পাদক অর্পণ বিশ্বাস বলেন, মুষ্টিমেয় দিন গুনে মাতৃ আরাধনায় আমরা ব্রতী নই। আমরা ব্রতী এক আলোকিত ভবিষ্যতের লক্ষ্যে, যেখানে স্বর্গের বা মর্তের সকল মায়েরাই পূজিত হবেন দেবী রূপে। আমাদের এই পুজো শহরের অন্যতম পুজো। দেবীর রূপ আমাদের বারোয়ারির মূল আকর্ষণ।তাদের ভাবনা, সৃষ্টির আদিম সময় থেকে জগতের সকল শক্তির উৎস মা। পৃথিবী অন্যতম শক্তির আধার তিনি। আর সেই মাতৃবন্দনাই আমাদের সর্বকালের সেরা উৎসব। যার আরাধনা হয়ে আসছে আদি অনন্তকাল ধরে। তিনিই মা তিনি দেবী। সকল অভাব অভিযোগের একমাত্র আশ্রয়স্থলও তিনি। কিন্তু জগত সংসারের উত্থান পতন কখনও সেই মাকে করে তোলে দেবী দুর্গা, কখনও রণচণ্ডী মা কালী, কখনও লক্ষ্মী, কখনও বিদ্যাদেবী সরস্বতী, কখনও বা জগৎ জননী জগদ্ধাত্রী। এই সমস্ত কিছুই রয়েছে থিমের ভাবনায়। মায়ের মাতৃত্বে কোনও দিন ভাটা পড়ে না। রূপ বিশেষে মা আলাদা রূপে পূজিত হলেও তিনি দেবী, তিনি মা।



