সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: সীমান্তের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ ফের বাস পরিষেবার সুবিধা পেলেন। শনিবার কৃষ্ণনগর থেকে সীমান্তের তিনটি রুটে বাস পরিষেবা চালু হয়েছে। করোনা সঙ্কটের সময় থেকে এই সমস্ত জায়গায় বাস পরিষেবা বন্ধ ছিল। ফের পরিষেবা শুরু হওয়ায় যাত্রীরা খুশি। রোজই এই তিনটি রুটে বাস চলবে।
Advertisement
একটি রুট কৃষ্ণনগর থেকে কুলগাছি, গোবরাপোতা দিয়ে শিমুলিয়া যাবে। আরেকটি রুটে বাস কুলগাছি, আসাননগর দিয়ে শিমুলিয়ায় যাবে। তৃতীয় রুটটি কৃষ্ণনগর থেকে শাকদহ হয়ে আমঝুপি পর্যন্ত।
একসময় মাজদিয়া থেকে বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল করত। তবে বহুদিন ধরে মাজদিয়ায় স্থায়ী কোনও বাসস্ট্যান্ড ছিল না। দু’বছর আগে মাজদিয়ার কর্মতীর্থের সামনে একটি স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড হয়। মাজদিয়া থেকে কৃষ্ণনগর পর্যন্ত ৪২টি বাস চলে। কিন্তু শুধু মাজদিয়া অবধিই বাস চলাচল করায় ভাজনঘাট, বানপুর, গেদে ও কাদাঘাটা গ্রামের বাসিন্দাদের খুব সমস্যায় পড়তে হতো। তাঁদের কৃষ্ণনগর থেকে বাসে মাজদিয়া অবধি এসে তারপর অটো বা টোটোয় বাড়ি ফিরতে হতো। এতে বেশি টাকাও খরচ হতো। বাস চালু হওয়ায় যাত্রীরা অল্প খরচেই কৃষ্ণনগর যেতে পারবেন। সেইসঙ্গে বাস ব্যবসায়ীরাও লাভবান হবেন। করোনা সঙ্কটেই প্রত্যন্ত ভাজনঘাট, শিমুলিয়া, আমঝুপি এলাকায় বাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। এই সমস্ত গ্রামে যাওয়ার রাস্তাও খারাপ ছিল। কিন্তু সম্প্রতি বাসমালিক সমিতির উদ্যোগে এই তিনটি রুটে বাস পরিষেবা শুরু হয়েছে। বাস মালিক সমিতির তরফে দুর্জয় সিংহরায় বলেন, আমরা এই রুটে বাস চালানোর জন্য বাসমালিকদের সঙ্গে বারবার বৈঠক করেছি। এবার থেকে ওই সমস্ত প্রত্যন্ত এলাকাতেও বাস যাবে।
একসময় মাজদিয়া থেকে বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল করত। তবে বহুদিন ধরে মাজদিয়ায় স্থায়ী কোনও বাসস্ট্যান্ড ছিল না। দু’বছর আগে মাজদিয়ার কর্মতীর্থের সামনে একটি স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড হয়। মাজদিয়া থেকে কৃষ্ণনগর পর্যন্ত ৪২টি বাস চলে। কিন্তু শুধু মাজদিয়া অবধিই বাস চলাচল করায় ভাজনঘাট, বানপুর, গেদে ও কাদাঘাটা গ্রামের বাসিন্দাদের খুব সমস্যায় পড়তে হতো। তাঁদের কৃষ্ণনগর থেকে বাসে মাজদিয়া অবধি এসে তারপর অটো বা টোটোয় বাড়ি ফিরতে হতো। এতে বেশি টাকাও খরচ হতো। বাস চালু হওয়ায় যাত্রীরা অল্প খরচেই কৃষ্ণনগর যেতে পারবেন। সেইসঙ্গে বাস ব্যবসায়ীরাও লাভবান হবেন। করোনা সঙ্কটেই প্রত্যন্ত ভাজনঘাট, শিমুলিয়া, আমঝুপি এলাকায় বাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। এই সমস্ত গ্রামে যাওয়ার রাস্তাও খারাপ ছিল। কিন্তু সম্প্রতি বাসমালিক সমিতির উদ্যোগে এই তিনটি রুটে বাস পরিষেবা শুরু হয়েছে। বাস মালিক সমিতির তরফে দুর্জয় সিংহরায় বলেন, আমরা এই রুটে বাস চালানোর জন্য বাসমালিকদের সঙ্গে বারবার বৈঠক করেছি। এবার থেকে ওই সমস্ত প্রত্যন্ত এলাকাতেও বাস যাবে।



