নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: মঙ্গলবার বিভিন্ন আইসিডিএস সেন্টারে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটালেন জেলাশাসক এস অরুণ প্রসাদ। কৃষ্ণনগর সদর মহকুমাজুড়ে পালিত হল, ‘সিক্রেট সান্তা’ কর্মসূচি। দিনভর প্রায় ৪০০টি আইসিডিএস সেন্টারের শিশুদের সঙ্গে সময় কাটালেন সদর মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিকরা। যাকে কেন্দ্র করে বৎসরান্তে উৎসবের মেজাজ দেখা গেল সেন্টারগুলোতে। খুদেদের হাতে বিভিন্ন উপহার তুলে দেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, আইসিডিএস সেন্টারগুলিকেও ফুল, বেলুন সহ রংবেরঙের জিনিস দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়।
Advertisement
মঙ্গলবার সকালে নাকাশিপাড়ার সোনাডাঙা বাঙালপাড়া আইসিডিএস সেন্টারে আসেন জেলাশাসক। খুদেদের পাশাপাশি সান্তার টুপি মাথায় আনন্দে শামিল হন জেলাশাসক। সঙ্গে ছিলেন কৃষ্ণনগর সদরের মহকুমা শাসক শারদ্বতী চৌধুরী। সেন্টারের শিশুদের হাতে শিক্ষনীয় খেলার সামগ্রী, বইখাতা, খেলনা সহ বিভিন্ন জিনিস তুলে দেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। সেইসঙ্গে খুদেদের সঙ্গে চুটিয়ে ফোটোসেশনও হয়। জেলাশাসক বলেন, ‘বৎসরান্তে ছোটদের সঙ্গে খুব সুন্দর সময় কাটল।’
কালীগঞ্জ ব্লকেও ‘সিক্রেট সান্তা’ কর্মসূচি পালিত হয়। বিডিও অঞ্জন চৌধুরী, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শেফালী খাতুন, কালীগঞ্জ থানার ওসি সঞ্জয় রায় বিভিন্ন আইসিডিএস সেন্টার ভিজিট করেন। সেখানে শিশুদের সঙ্গে প্রশাসনের আধিকারিকরাও ক্রিসমাস উৎসবে মেতে ওঠেন। আনন্দের মধ্যেই খুদেরা গান, নাচ, কবিতা পরিবেশন করেন। কোরাস গাইতেও দেখা যায় শিশুদের। কৃষ্ণনগর সদর মহকুমা শাসক শারদ্বতী চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের সিক্রেট সান্তা কর্মসূচি খুব ভালোভাবে পালিত হয়েছে। প্রতিটা ব্লকের বিভিন্ন আইসিডিএস সেন্টারে এটি পালিত হয়। এর ফলে সেন্টারগুলোকে কিছুটা হলেও পড়াশোনার, খেলাধুলার সামগ্রী দিয়ে উন্নত করা গেল। শিশুরা বিশেষভাবে উপকৃত হবে।’
কালীগঞ্জ ব্লকেও ‘সিক্রেট সান্তা’ কর্মসূচি পালিত হয়। বিডিও অঞ্জন চৌধুরী, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শেফালী খাতুন, কালীগঞ্জ থানার ওসি সঞ্জয় রায় বিভিন্ন আইসিডিএস সেন্টার ভিজিট করেন। সেখানে শিশুদের সঙ্গে প্রশাসনের আধিকারিকরাও ক্রিসমাস উৎসবে মেতে ওঠেন। আনন্দের মধ্যেই খুদেরা গান, নাচ, কবিতা পরিবেশন করেন। কোরাস গাইতেও দেখা যায় শিশুদের। কৃষ্ণনগর সদর মহকুমা শাসক শারদ্বতী চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের সিক্রেট সান্তা কর্মসূচি খুব ভালোভাবে পালিত হয়েছে। প্রতিটা ব্লকের বিভিন্ন আইসিডিএস সেন্টারে এটি পালিত হয়। এর ফলে সেন্টারগুলোকে কিছুটা হলেও পড়াশোনার, খেলাধুলার সামগ্রী দিয়ে উন্নত করা গেল। শিশুরা বিশেষভাবে উপকৃত হবে।’



