নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: অনুমতি ছাড়াই জলঙ্গী নদীর বাঁধ কেটে পুকুর তৈরির অভিযোগ উঠল কৃষ্ণনগরের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার পলাশ দাসের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, খনন করা মাটি অন্যত্র পাচারও করা হচ্ছিল। ওই তৃণমূল কাউন্সিলার অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অভিযোগ, শহরে জলঙ্গী নদীর পাড়েই পুকুর খনন করা হচ্ছিল। নদীর পাড়ে পুকুর খনন বেআইনি। পুরসভার চেয়ারম্যান রীতা দাস বলেন, এবিষয়ে আমাদের সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। কাউন্সিলার যদি ব্যক্তিগত উদ্যোগে এরকম করে থাকেন, সেটা তাঁর ব্যাপার। মাটির কাটার বিষয়ে পুরসভার তরফে কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও ভূমি সংস্কার) প্রলয় রায়চৌধুরী বলেন, নদীর পাড় সরকারি জমি। আমাদের অনুমতি ছাড়া সেখানে কেউ কিছু করতে পারে না। কথা বলছি বিএলএলআরও’র সঙ্গে। আমরা ঘটনার তদন্ত করে দেখব। কাউন্সিলার পলাশ দাস বলেন, ওখানে আমাদের স্নানের ঘাট ছিল। যা পরিস্থিতি ছিল, তাতে মানুষ স্নান করতে পারতেন না।



