নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: রাস্তার দৈর্ঘ্য মোটে দুই কিলোমিটার। শহর থেকে দূরে হলেও শান্তিপুরের অন্যতম লাইফলাইন সেই রাস্তা। যে গুপ্তিপাড়া ঘাট নদীয়া ও হুগলির মধ্যে ফেরি যোগাযোগ রক্ষা করে, সেখানে পৌঁছতে এই রাস্তাই ব্যবহৃত হয়। সেই রাস্তা তৈরিতেই এবার ঢালাও টাকা বরাদ্দ করল সরকার। শান্তিপুরের বিধায়কের চেষ্টায় পূর্তদপ্তরের তরফে প্রায় চার কোটি টাকা বরাদ্দ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
Advertisement
একদিকে কল্যাণীর ঈশ্বর গুপ্ত সেতু, আর অন্যদিকে নবদ্বীপ সেতু। মাঝের বিস্তীর্ণ নদীয়ায় গঙ্গা পারাপারে ভরসা ফেরি ও ভেসেল পরিষেবা। এর মধ্যে শান্তিপুরকে কেন্দ্র করেই নদী পারাপারের তিনটি ঘাট রয়েছে। সেগুলি হল-বলাগড়, কালনা ও গুপ্তিপাড়া। হুগলি জেলার সঙ্গে যোগাযোগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুপ্তিপাড়া ঘাট। প্রতিদিন নিত্যযাত্রী, প্রচুর গাড়ি, মোটরবাইক, লরি ভেসেল ও ফেরির মাধ্যমে নদী পারাপার করে। ফলে কৃষ্ণকালীতলা থেকে গুপ্তিপাড়া ঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত দুই কিলোমিটার রাস্তা মাঝেমধ্যেই খারাপ হয়ে যায়। ভারী মালবাহী গাড়ি অহরহ যাতায়াত করায় বড় বড় গর্ত, খানাখন্দ হয়ে প্রায় সারাবছরই রাস্তাটি বিপজ্জনক থাকে। প্রশাসনের তরফে একাধিকবার সংস্কার অথবা নতুন করে তৈরি হলেও, মালবাহী গাড়ির চাপে সেই রাস্তা কখনও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ভারী বৃষ্টিতে বেহাল রাস্তাটি যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়ে। সেজন্য এলাকার মানুষ বহুদিন ধরে চাইছিলেন, রাস্তাটি মজবুত করে তৈরি হোক। একাধিকবার শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামীর কাছে এই দাবি জানানো হয়েছে। তিনি রাজ্যের পূর্তদপ্তরকে বিষয়টি জানান। বিধায়কের আবেদনে সাড়া দিয়ে মাত্র দু’কিলোমিটার রাস্তার জন্য একলপ্তে চার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।



