নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের ভাজনঘাট পঞ্চায়েতে পদ্মশিবিরে বড়সড় ভাঙন দেখা দিল। সোমবার বিকেলে বিজেপির তিনজন পঞ্চায়েত সদস্য, একজন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও কিছু বিজেপি নেতারা তৃণমূলে যোগ দেন। ফলে বিজেপি পরিচালিত ওই পঞ্চায়েতে তৃণমূল ও বিজেপির সদস্য সংখ্যা সমান হয়েছে। জনপ্রতিনিধি ও বিজেপি নেতা ছাড়াও প্রায় ৩০০-৪০০ কর্মী-সমর্থক যোগদান করেছেন বলে ঘাসফুল শিবিরের দাবি। শাসকদলের নদীয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত ধরেই তাঁরা তৃণমূলে আসেন। এর জেরে গেরুয়া গড় কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার ভাজনঘাট পঞ্চায়েতে ব্যাকফুটে বিজেপি।
Advertisement
কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের ভাজনঘাট পঞ্চায়েতে বিজেপি এতদিন সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। পঞ্চায়েতের ১৮টি আসনের মধ্যে ১২টি আসনে বিজেপি ও ছ’টি আসনে তৃণমূল জয়ী হয়েছিল। পঞ্চায়েত সমিতির তিনটি আসনের মধ্যে একটিতে তৃণমূল ও দু’টি আসনে বিজেপি জয়ী হয়েছিল। কিন্তু পরে বিজেপি শিবিরের একাংশ পঞ্চায়েতের নানা অনিয়ম নিয়ে সরব হয়। যাকে কেন্দ্র করে গেরুয়া শিবিরে ব্যাপক অন্তর্দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এদিন সন্টু হালদার, লক্ষ্মী মল্লিক, তপন হালদার নামে তিন পঞ্চায়েত সদস্য এবং শ্যামল হালদার নামে পঞ্চায়েত সমিতির এক সদস্য তৃণমূলে যোগ দেন। বর্তমানে ভাজনঘাট পঞ্চায়েতে তৃণমূল ও বিজেপি-উভয় শিবিরেই নয়জন করে সদস্য রয়েছেন। পঞ্চায়েত সমিতিতে দু’জন তৃণমূল সদস্য হলেন। এছাড়া, বিজেপির বেশ কয়েকজন যুব নেতা, শিক্ষক সেলের নেতা ও বুথ সভাপতিরা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।
পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য শ্যামল হালদার বলেন, পঞ্চায়েতের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমি প্রতিবাদ করেছিলাম। কিন্তু পঞ্চায়েত কোনও কথাই শোনেনি। সেকারণে আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নে শামিল হতে তৃণমূলে যোগ দিলাম।’ পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রধান মানসী বিশ্বাস বলেন, অনিয়মের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তবে যোগদানের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।
কৃষ্ণগঞ্জ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সমীর বিশ্বাস বলেন, যোগদানকারীরা পঞ্চায়েতের দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। মানুষের পঞ্চায়েত তৈরি করতে চাইছিলেন। সেজন্য এদিন তৃণমূলে যোগ দেন।
পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য শ্যামল হালদার বলেন, পঞ্চায়েতের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমি প্রতিবাদ করেছিলাম। কিন্তু পঞ্চায়েত কোনও কথাই শোনেনি। সেকারণে আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নে শামিল হতে তৃণমূলে যোগ দিলাম।’ পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রধান মানসী বিশ্বাস বলেন, অনিয়মের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তবে যোগদানের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।
কৃষ্ণগঞ্জ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সমীর বিশ্বাস বলেন, যোগদানকারীরা পঞ্চায়েতের দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। মানুষের পঞ্চায়েত তৈরি করতে চাইছিলেন। সেজন্য এদিন তৃণমূলে যোগ দেন।



