সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: কৃষ্ণগঞ্জ থানা এলাকায় পৃথক ঘটনায় দুই গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়াল। প্রথম ঘটনাটি ঘটেছে কৃষ্ণগঞ্জ থানার তালদহ মাজদিয়ার মুসলিম পাড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতার নাম পায়েল দাস( ১৮)। মাস সাতেক আগে তাঁর বিয়ে হয়। স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতন করা হতো বলে পায়েলদেবীর বাপেরবাড়ির লোকজনের অভিযোগ। শনিবার রাতে শ্বশুরবাড়িতে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় পুলিস পায়েলদেবীর শ্বশুর ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করেছে। এদিনই কৃষ্ণগঞ্জ থানার বানপুর পূর্বপাড়া এলাকাতে আর এক গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিস। মৃতার নাম লিপিকা দাস( ১৯)। স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, চার বছর আগে লিপিকাদেবীর বিয়ে হয়। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি হলে লিপিকাদেবী বাপেরবাড়ি চলে আসেন। শনিবার লিপিকাদেবীর স্বামী তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য আসেন। রাতে এ নিয়ে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। রবিবার সকালে বাপেরবাড়ির একটি ঘর থেকে লিপিকাদেবীকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান পারিবারিক অশান্তির জেরেই দুটি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। দুটি দেহই শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হয়।



