নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: কারো চোখে ছানি, কারো দৃষ্টিশক্তি অতি দুর্বল। তাঁদের হাতেই ভারী গাড়ির স্টিয়ারিং। বড় লরি, ট্রলার, ডাম্পার জাতীয় ও রাজ্য সড়কে কিমির পর কিমি পার করছেন চোখে সমস্যা থাকা চালকরা। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে চালকদের চক্ষু পরীক্ষা শিবির থেকে। সোমবার কুলটি থানার রামপুরে এমভিআইয়ের চেকপোস্টে একটি চক্ষু শিবিরের আয়োজন করে প্রশাসন। সেখানেই ধরে বেঁধে মাত্র ৯৫ জন চালককে হাজির করাতে পারে প্রশাসন। তার মধ্যে দেখা গিয়েছে, চারজনের চোখে ছানি পড়ে গিয়েছে। এখনই অপারেশন প্রয়োজন। ১৬ জনের দৃষ্টিশক্তি অতি দুর্বল। হাইপাওয়ার চশমা প্রয়োজন। অথচ চশমা ছাড়াই ভগবানের ভরসায় গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। চালকদের শারীরিক দুর্বলতাও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে সর্বস্তরে।
Advertisement
পশ্চিম বর্ধমানের অতিরিক্ত জেলাশাসক সুবাসিনী ই বলেন, বহু চালকের চোখের সমস্যা এদিনের শিবিরে ধরা পড়েছে। আমরা ধারাবাহিকভাবে এই শিবির করার কথা ভাবছি। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্যদপ্তরের সঙ্গে কথা বলা হবে।
১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক যেন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার বেহাল দশা। এখন বিভিন্ন রাস্তায় জোড়াতাপ্পি দেওয়ার কাজ চলছে। পাশাপাশি বহু ফ্লাইওভারের বাতিস্তম্ভগুলি সঠিক সময়ে জ্বলে না বলে অভিযোগ রয়েছে। শীতের ভোর-সন্ধ্যায় কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে শিল্পাঞ্চল। এই পরিস্থিতিতেই চালকদের দৃষ্টিশক্তি নিয়ে চিন্তায় প্রশাসন। জাতীয় সড়কের পাশেই চক্ষু পরীক্ষা শিবিরে চোখ পরীক্ষার পাশাপাশি সুগার ও প্রেসার পরীক্ষারও ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু প্রশাসনের এই উদ্যোগে হওয়া ক্যাম্পে হাজির হতে চাননি বেশিরভাগ চালকই। গন্তব্যে যাওয়ার তাড়া দেখিয়ে অনেকেই এড়িয়ে গিয়েছেন। কেউ আবার প্রশাসনিক পদক্ষেপের ভয় পেয়েছেন। এই অবস্থায় কার্যত ধরে বেঁধে চালকদের আনা হয়। সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত জাতীয় সড়ক ধরে হাজার হাজার গাড়ি পার হলেও শিবিরে হাজির করা যায় ৯৫জনকে। তাতেই দেখা গিয়েছে, ২০ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ। ৫ জনের হাই সুগার ধরা পড়েছে। লরি চালক রহমত শেখ বলেন, সামনে আবছা দেখি। অনেক সময়ে সমস্যা হয়। কিন্তু আমাদের চোখ পরীক্ষা করানোর সময় নেই। এখানেও বলা হয়েছে চশমা করাতে হবে। রণজিৎ সিং বলেন, ছোট থেকেই ভারী গাড়ির স্টিয়ারিং হাতে নিয়েছি। চোখে কম দেখি জানি, তবু গাড়ি চালিয়ে নিচ্ছি। শ্রীকৃষ্ণ শুক্লা বলেন, ডাক্তার বললেন চোখের গুরুতর সমস্যা রয়েছে। তবু আমাদের চিকিৎসা করানোর সময় নেই।
১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক যেন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার বেহাল দশা। এখন বিভিন্ন রাস্তায় জোড়াতাপ্পি দেওয়ার কাজ চলছে। পাশাপাশি বহু ফ্লাইওভারের বাতিস্তম্ভগুলি সঠিক সময়ে জ্বলে না বলে অভিযোগ রয়েছে। শীতের ভোর-সন্ধ্যায় কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে শিল্পাঞ্চল। এই পরিস্থিতিতেই চালকদের দৃষ্টিশক্তি নিয়ে চিন্তায় প্রশাসন। জাতীয় সড়কের পাশেই চক্ষু পরীক্ষা শিবিরে চোখ পরীক্ষার পাশাপাশি সুগার ও প্রেসার পরীক্ষারও ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু প্রশাসনের এই উদ্যোগে হওয়া ক্যাম্পে হাজির হতে চাননি বেশিরভাগ চালকই। গন্তব্যে যাওয়ার তাড়া দেখিয়ে অনেকেই এড়িয়ে গিয়েছেন। কেউ আবার প্রশাসনিক পদক্ষেপের ভয় পেয়েছেন। এই অবস্থায় কার্যত ধরে বেঁধে চালকদের আনা হয়। সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত জাতীয় সড়ক ধরে হাজার হাজার গাড়ি পার হলেও শিবিরে হাজির করা যায় ৯৫জনকে। তাতেই দেখা গিয়েছে, ২০ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ। ৫ জনের হাই সুগার ধরা পড়েছে। লরি চালক রহমত শেখ বলেন, সামনে আবছা দেখি। অনেক সময়ে সমস্যা হয়। কিন্তু আমাদের চোখ পরীক্ষা করানোর সময় নেই। এখানেও বলা হয়েছে চশমা করাতে হবে। রণজিৎ সিং বলেন, ছোট থেকেই ভারী গাড়ির স্টিয়ারিং হাতে নিয়েছি। চোখে কম দেখি জানি, তবু গাড়ি চালিয়ে নিচ্ছি। শ্রীকৃষ্ণ শুক্লা বলেন, ডাক্তার বললেন চোখের গুরুতর সমস্যা রয়েছে। তবু আমাদের চিকিৎসা করানোর সময় নেই।



