নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: সাইবার অপরাধীদের এবার টার্গেট কৃষকরা। ‘পিএম কিষান’ যোজনার টাকা পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিচ্ছে তারা। নির্দিষ্ট অ্যাপ ডাউনলোড করলেই টাকা পাওয়া যাবে বলে আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। হোয়াটসঅ্যাপেও লিঙ্ক পাঠানো হচ্ছে। সেটা ডাউনলোড করলেই বিপদ অনিবার্য বলে আধিকারিকরা জানিয়েছেন। সম্প্রতি অনেকের কাছেই এমন টোপ আসতে শুরু করায় পুলিস সক্রিয় হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় লাগাতার প্রচার চালানো হচ্ছে।
Advertisement
পূর্ব বর্ধমানের অতিরিক্ত পুলিস সুপার অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সকলকেই সতর্ক থাকতে হবে। অপরিচিত নম্বর থেকে আসা কোনও লিঙ্ক ক্লিক করা উচিত নয়।
কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, পিএম কিষান প্রকল্পে টাকা পেতে হলে কোনও অ্যাপ ডাউনলোড করার দরকার হয় না। কৃষিদপ্তরে প্রয়োজনীয় নথি জমা করলে টাকা পাওয়া যায়। সংশ্লিষ্ট দপ্তর কখনোই কৃষকদের লিঙ্ক পাঠায় না।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সাইবার অপরাধীরা প্রায় প্রতিদিনই নতুন কৌশল সামনে আনছে। অনেকেই তা ঠাওর করতে পারছে না। সেই কারণে সরকারি আধিকারিকরাও প্রতারিত হচ্ছেন। পিএম কিষাণ প্রকল্পের টাকা বহু কৃষক পাননি। কীভাবে টাকা পাওয়া যাবে তা নিয়েও অনেকেই ধন্দে রয়েছেন। সেই সুযোগটাই কাজে লাগাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা। অধিকাংশ পরিবারেই অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল রয়েছে। এধরনের মেসেজ পেয়ে অনেকেই অ্যাপ ডাউনলোড করছেন। সম্প্রতি বর্ধমান সাইবার ক্রাইম থানায় তা নিয়ে অভিযোগও জমা পড়েছে। এরপরই পুলিস প্রচারে নেমেছে। বিভিন্ন গ্রামে গিয়েও তারা কর্মশালা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এক আধিকারিক বলেন, সচেতন না হলে এধরনের অপরাধ বাড়তেই থাকবে। কৃষি সংক্রান্ত কোনও তথ্য জানার দরকার হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে। সাইবার অপরাধীরা কৌশল বদলালেও টাকা হাতানোর ধরণ প্রায় একইরকম রয়েছে। অপরাধীরা নিজেদের তথ্য ব্যবহার করে এধরনের অপরাধ করে না। অন্যের নামে সিমকার্ড অন্যর নামে কেনে। মোবাইলও তাদের নিজের হয় না। সেকারণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা অধরা থেকে যাচ্ছে।
কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, পিএম কিষান প্রকল্পে টাকা পেতে হলে কোনও অ্যাপ ডাউনলোড করার দরকার হয় না। কৃষিদপ্তরে প্রয়োজনীয় নথি জমা করলে টাকা পাওয়া যায়। সংশ্লিষ্ট দপ্তর কখনোই কৃষকদের লিঙ্ক পাঠায় না।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সাইবার অপরাধীরা প্রায় প্রতিদিনই নতুন কৌশল সামনে আনছে। অনেকেই তা ঠাওর করতে পারছে না। সেই কারণে সরকারি আধিকারিকরাও প্রতারিত হচ্ছেন। পিএম কিষাণ প্রকল্পের টাকা বহু কৃষক পাননি। কীভাবে টাকা পাওয়া যাবে তা নিয়েও অনেকেই ধন্দে রয়েছেন। সেই সুযোগটাই কাজে লাগাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা। অধিকাংশ পরিবারেই অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল রয়েছে। এধরনের মেসেজ পেয়ে অনেকেই অ্যাপ ডাউনলোড করছেন। সম্প্রতি বর্ধমান সাইবার ক্রাইম থানায় তা নিয়ে অভিযোগও জমা পড়েছে। এরপরই পুলিস প্রচারে নেমেছে। বিভিন্ন গ্রামে গিয়েও তারা কর্মশালা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এক আধিকারিক বলেন, সচেতন না হলে এধরনের অপরাধ বাড়তেই থাকবে। কৃষি সংক্রান্ত কোনও তথ্য জানার দরকার হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে। সাইবার অপরাধীরা কৌশল বদলালেও টাকা হাতানোর ধরণ প্রায় একইরকম রয়েছে। অপরাধীরা নিজেদের তথ্য ব্যবহার করে এধরনের অপরাধ করে না। অন্যের নামে সিমকার্ড অন্যর নামে কেনে। মোবাইলও তাদের নিজের হয় না। সেকারণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা অধরা থেকে যাচ্ছে।



