সংবাদদাতা, বালুরঘাট: কৃষি প্রধান দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রির সময় চাষিদের কাছ থেকে কুইন্টাল প্রতি ৫ থেকে ১০ কেজি ধলতা নিচ্ছেন রাইস মিলাররা বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যেকটি ধান ক্রয় কেন্দ্রে এমন ভাবে কৃষকদের কাছে ধলতার পাশাপাশি অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। কেউ প্রতিবাদ করলে রাইস মিলারদের কর্মীরা হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ। এমনকী ধান নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পুরো ঘটনা খাদ্যদপ্তরের সামনে ঘটলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। যার ফলে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে পারলেও কৃষকদের প্রচুর ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেক কৃষক সরকারি সহায়ক মূল্য কেন্দ্রগুলি থেকে মুখ ফিরিয়ে কম দামে ধান বিক্রি করছেন।
Advertisement
এনিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা খাদ্য নিয়ামক ফুরবা ভুটিয়া বলেন, কুইন্টাল প্রতি এভাবে ধলতা নেওয়ার নিয়ম নেই। তদন্ত করে বিষয়টি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করব।
জেলাজুড়ে ১৮টি কেন্দ্র থেকে ধান কিনছে খাদ্যদপ্তর। চলতি মরশুমে এখন পর্যন্ত তারা ১৬ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনেছে। খাদ্যদপ্তর ধান কেনার জন্য রাইস মিলারদের দায়িত্ব দিয়েছে। রাইস মিলারদের কর্মীরা প্রত্যেকটি কেন্দ্র থেকে ধান কিনছেন। তবে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে খাদ্যদপ্তর সহ রাইস মিলগুলির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ফড়েদের সুযোগ দিতে নানা অজুহাতে কৃষকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কোথাও জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে কাগজে ক্রুটি আছে, কোথাও আবার ধান ভেজা আছে বলা হচ্ছে। অন্যদিকে, কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি এক কুইন্টালে ৫-১০ কেজি ধান ধলতা নেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক কৃষকের কাছ থেকে ৯০ কুইন্টাল ধান কেনার কথা থাকলেও ১০ কুইন্টালের বেশি ধান নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। প্রত্যেক কৃষককে ধলতা হিসেবে এক কুইন্টাল ধান দিতে হচ্ছে। সেই ধলতা ধান জমা করে ফড়েদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে প্রত্যেক ক্যাম্প থেকে। একদিকে প্রশাসনের নজরদারির অভাব, অন্যদিকে খাদ্যদপ্তরের সঙ্গে রাইস মিল মালিকদের যোগসাজশে কৃষকদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। একাধিক ক্যাম্পে কৃষকদের এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে। আগামীতে খাদ্যদপ্তরের এই সমস্ত অনিয়ম বন্ধ না হলে কৃষকরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
জেলাজুড়ে ১৮টি কেন্দ্র থেকে ধান কিনছে খাদ্যদপ্তর। চলতি মরশুমে এখন পর্যন্ত তারা ১৬ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনেছে। খাদ্যদপ্তর ধান কেনার জন্য রাইস মিলারদের দায়িত্ব দিয়েছে। রাইস মিলারদের কর্মীরা প্রত্যেকটি কেন্দ্র থেকে ধান কিনছেন। তবে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে খাদ্যদপ্তর সহ রাইস মিলগুলির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ফড়েদের সুযোগ দিতে নানা অজুহাতে কৃষকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কোথাও জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে কাগজে ক্রুটি আছে, কোথাও আবার ধান ভেজা আছে বলা হচ্ছে। অন্যদিকে, কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি এক কুইন্টালে ৫-১০ কেজি ধান ধলতা নেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক কৃষকের কাছ থেকে ৯০ কুইন্টাল ধান কেনার কথা থাকলেও ১০ কুইন্টালের বেশি ধান নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। প্রত্যেক কৃষককে ধলতা হিসেবে এক কুইন্টাল ধান দিতে হচ্ছে। সেই ধলতা ধান জমা করে ফড়েদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে প্রত্যেক ক্যাম্প থেকে। একদিকে প্রশাসনের নজরদারির অভাব, অন্যদিকে খাদ্যদপ্তরের সঙ্গে রাইস মিল মালিকদের যোগসাজশে কৃষকদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। একাধিক ক্যাম্পে কৃষকদের এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে। আগামীতে খাদ্যদপ্তরের এই সমস্ত অনিয়ম বন্ধ না হলে কৃষকরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।



