সংবাদদাতা, ইসলামপুর: সহায়ক মূল্যে ক্রয়কেন্দ্রে (সিপিসি) ঝটপট ধান না কিনলে রাইস মিলের কর্মীদের ভুট্টা চাষের কাজে লাগানোর নিদান দিলেন মন্ত্রীর ভাই।
Advertisement
সোমবার গোয়ালপোখরের খাগোর পঞ্চায়েতের উল্টোদিকের সিপিসিতে অত্যন্ত শ্লথগতিতে ধান কেনার কাজ চলছিল। এর ফলে চাষিদের ধান বিক্রি করতে গিয়ে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। চাষিরা বার বার দ্রুতগতিতে ধান কেনার দাবি তুলছিলেন। কিন্তু রাইস মিলের কর্মীরা তাতে ভ্রূক্ষেপ করেননি বলে অভিযোগ চাষিদের। পাশাপাশি অভিযোগ ওঠে মিলকর্মীরা মান্ডির বাইরে থেকেও ধান ক্রয় করছেন। ফলে গ্রামের চাষিরা সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ত্রী গোলাম রব্বানির ভাই তথা উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি গোলাম রসুল সরাসরি সিপিসিতে গিয়ে পরিস্থিতি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এদিন।
মিলকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, চাষিরা এখন ভুট্টা ও আলু চাষে ব্যস্ত। চাষের কাজ ফেলে রেখে ধান বিক্রি করতে এসেছেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাষিদের উন্নয়নে সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় করছেন। কিন্তু মিলের কর্মীদের গাফিলতিতে চাষিদের দিনভর বসে থাকতে হচ্ছে। তাহলে চাষের কাজ কে করবে? চাষিদের বলব, এঁদের (মিল কর্মীদের) ধরে নিয়ে যান ভুট্টা চাষ করতে। ধান কিনতে দেরি করলে মিলের কর্মীদের দিয়ে কার্যত ভুট্টা চাষের কাজ করানোর নিদান দিয়েছেন মন্ত্রীর ভাই।
কেন্দ্রে আসা চাষি মহম্মদ নাসিমুদ্দিন বলেন, সকালে ধান নিয়ে সিপিসিতে পৌঁছয়। কিন্তু রাইস মিল কর্তৃপক্ষের গাড়ি না আসায় আমাদের ধান নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। এখন জমিতে কাজের সময়। দিনভর দাঁড়িয়ে থাকলে মাঠের কাজ পিছিয়ে যাবে। এই সময় একদিন দেরি করা মানে অনেক পিছিয়ে যাওয়া। রসুল সাহেব সমস্যার কথা শুনেছেন।
সিপিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, মিল কর্তৃপক্ষের ট্রাক নির্দিষ্ট সময়ে সিপিসিতে পৌঁছয়নি। মিলকর্মীরা চাষির ধান নিয়ে সরাসরি ট্রাকে লোড করে। সময়ে ট্রাক না আসায় কর্মীরা চাষিদের ধান আনলোড করেননি। এই পরিস্থিতিতে সিপিসি চত্বরে ধান বোঝাই গাড়ির ভিড় হয়ে যাওয়ায় আরও দেরি হয়।
গোলাম রসুল বলেন, চাষিরা সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মান্ডিতে বসে থাকলে তাঁর বাড়ির কাজ, চাষের কাজ কে করবে? সেজন্য মিলের কর্মীদের নিয়ম মেনে কাজ করতে বলা হয়েছে। ধান বিক্রি করতে গিয়ে দিনভর যেন চাষিদের আর বসে থাকতে না হয়। ঠিকভাবে কাজ না হলে মিলের নামে অভিযোগ করা হবে। মান্ডির বাইরে থেকে ধান কেনা হয়েছে শুনেছি। এবিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। একই কাজ করলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ করব।
মিলকর্মী তপন দাস বলেন, ধান নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়ি আসতে দেরি হয়েছিল। পরে সমস্যা মিটে গিয়েছে।
স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ত্রী গোলাম রব্বানির ভাই তথা উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি গোলাম রসুল সরাসরি সিপিসিতে গিয়ে পরিস্থিতি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এদিন।
মিলকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, চাষিরা এখন ভুট্টা ও আলু চাষে ব্যস্ত। চাষের কাজ ফেলে রেখে ধান বিক্রি করতে এসেছেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাষিদের উন্নয়নে সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় করছেন। কিন্তু মিলের কর্মীদের গাফিলতিতে চাষিদের দিনভর বসে থাকতে হচ্ছে। তাহলে চাষের কাজ কে করবে? চাষিদের বলব, এঁদের (মিল কর্মীদের) ধরে নিয়ে যান ভুট্টা চাষ করতে। ধান কিনতে দেরি করলে মিলের কর্মীদের দিয়ে কার্যত ভুট্টা চাষের কাজ করানোর নিদান দিয়েছেন মন্ত্রীর ভাই।
কেন্দ্রে আসা চাষি মহম্মদ নাসিমুদ্দিন বলেন, সকালে ধান নিয়ে সিপিসিতে পৌঁছয়। কিন্তু রাইস মিল কর্তৃপক্ষের গাড়ি না আসায় আমাদের ধান নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। এখন জমিতে কাজের সময়। দিনভর দাঁড়িয়ে থাকলে মাঠের কাজ পিছিয়ে যাবে। এই সময় একদিন দেরি করা মানে অনেক পিছিয়ে যাওয়া। রসুল সাহেব সমস্যার কথা শুনেছেন।
সিপিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, মিল কর্তৃপক্ষের ট্রাক নির্দিষ্ট সময়ে সিপিসিতে পৌঁছয়নি। মিলকর্মীরা চাষির ধান নিয়ে সরাসরি ট্রাকে লোড করে। সময়ে ট্রাক না আসায় কর্মীরা চাষিদের ধান আনলোড করেননি। এই পরিস্থিতিতে সিপিসি চত্বরে ধান বোঝাই গাড়ির ভিড় হয়ে যাওয়ায় আরও দেরি হয়।
গোলাম রসুল বলেন, চাষিরা সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মান্ডিতে বসে থাকলে তাঁর বাড়ির কাজ, চাষের কাজ কে করবে? সেজন্য মিলের কর্মীদের নিয়ম মেনে কাজ করতে বলা হয়েছে। ধান বিক্রি করতে গিয়ে দিনভর যেন চাষিদের আর বসে থাকতে না হয়। ঠিকভাবে কাজ না হলে মিলের নামে অভিযোগ করা হবে। মান্ডির বাইরে থেকে ধান কেনা হয়েছে শুনেছি। এবিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। একই কাজ করলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ করব।
মিলকর্মী তপন দাস বলেন, ধান নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়ি আসতে দেরি হয়েছিল। পরে সমস্যা মিটে গিয়েছে।



