নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: মাত্র এক মাসেই চা উৎপাদনে লোকসান ১০০০ কোটি টাকা! টি বোর্ডের নির্দেশে গত ডিসেম্বর মাসে পাতা তোলা বন্ধ থাকায় উত্তরবঙ্গের চা শিল্পে এমন লোকসান হয়েছে অভিযোগ করেছে ক্ষুদ্র চা চাষিরা। মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এ ব্যাপারে চিঠি পাঠিয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতি। তারা কৃষকদের মতো ফসল বিমা, কৃষকবন্ধু সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা চাইছে। এজন্য চা বাগানকে কৃষিদপ্তরের অধীনে আনার দাবি তুলেছে।
Advertisement
দীর্ঘ দু’মাসের বেশি সময় পাতা তোলা বন্ধ থাকায় চা শিল্পে ব্যাপক লোকসান হয়েছে বলে খবর। ২০২৩ সালে বাংলায় চা উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৪৩৩ মিলিয়ান ৫৪ কেজি। সেবার ডিসেম্বর পর্যন্ত পাতা তোলা হয়। ২০২৪ সালে পাতা তোলা হয় নভেম্বর পর্যন্ত। যার জেরে সংশ্লিষ্ট বর্ষে উৎপাদনের পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ৩৬৯ মিলিয়ান ১৭ কেজি। অর্থাৎ গতবছর চা উৎপাদনে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ শতাংশ।
পরিসংখ্যান তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে টি বোর্ডের বিরুদ্ধে নালিশ করেছেন ক্ষুদ্র চা চাষিরা। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান স্মল টি গ্রোয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিজয়গোপাল চক্রবর্তীর অভিযোগ, ’২৫ সালে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত পাতা তুলতে দিতে হবে। এই দাবি রাজ্য সরকারের কাছে জানানো হয়েছে।
কোচবিহার থেকে উত্তর দিনাজপুর পর্যন্ত ছয় জেলায় ছোট চা বাগান অসংখ্য। বাগানগুলি চার থেকে পাঁচ বিঘা জমির উপর। চাষের সঙ্গে যুক্ত প্রায় ৫০ হাজার চাষি। প্রত্যক্ষ ও পরক্ষভাবে জড়িত ১৫ লক্ষ মানুষ। পরিসংখ্যান দিয়ে সরকারিভাবে কৃষিদপ্তরের সুযোগ সুবিধ চাইছেন ক্ষুদ্র চা চাষিরা। বিজয়বাবু বলেন, ধান, পাট, আলু সহ বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষের সঙ্গে জড়িতরা অনেক রকম সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন। ফসল বিমা, ভাতা, কৃষকবন্ধু স্কিমের সুবিধা, চাষের জন্য আধুনিক সরঞ্জাম প্রভৃতি পাচ্ছেন। তাই ক্ষুদ্র চা চাষিদেরও সংশ্লিষ্ট সুযোগ সুবিধা প্রদান করতে হবে। এবার বাজেটে এ ব্যাপারে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিক, তা চাই। এজন্যই মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি।
পরিসংখ্যান তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে টি বোর্ডের বিরুদ্ধে নালিশ করেছেন ক্ষুদ্র চা চাষিরা। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান স্মল টি গ্রোয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিজয়গোপাল চক্রবর্তীর অভিযোগ, ’২৫ সালে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত পাতা তুলতে দিতে হবে। এই দাবি রাজ্য সরকারের কাছে জানানো হয়েছে।
কোচবিহার থেকে উত্তর দিনাজপুর পর্যন্ত ছয় জেলায় ছোট চা বাগান অসংখ্য। বাগানগুলি চার থেকে পাঁচ বিঘা জমির উপর। চাষের সঙ্গে যুক্ত প্রায় ৫০ হাজার চাষি। প্রত্যক্ষ ও পরক্ষভাবে জড়িত ১৫ লক্ষ মানুষ। পরিসংখ্যান দিয়ে সরকারিভাবে কৃষিদপ্তরের সুযোগ সুবিধ চাইছেন ক্ষুদ্র চা চাষিরা। বিজয়বাবু বলেন, ধান, পাট, আলু সহ বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষের সঙ্গে জড়িতরা অনেক রকম সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন। ফসল বিমা, ভাতা, কৃষকবন্ধু স্কিমের সুবিধা, চাষের জন্য আধুনিক সরঞ্জাম প্রভৃতি পাচ্ছেন। তাই ক্ষুদ্র চা চাষিদেরও সংশ্লিষ্ট সুযোগ সুবিধা প্রদান করতে হবে। এবার বাজেটে এ ব্যাপারে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিক, তা চাই। এজন্যই মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি।



