সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ইসলামপুরে কৃষকবন্ধু প্রকল্পে মৃত্যুকালীন সহায়তা প্রদানে অনিয়মের তদন্ত রিপোর্ট হিমঘরে। প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে তিন সদস্যের কমিটি গঠন হয়েছিল। প্রায় দু’মাস পরও রিপোর্ট জমা না হওয়ায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
Advertisement
ইসলামপুর কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষকবন্ধু প্রকল্পে মৃত্যুকালীন সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে বহু ভুয়ো উপভোক্তার সন্ধান পান মহকুমা সহ কৃষি অধিকর্তা (প্রশাসন) শ্রীকান্ত সিনহা। এই বিষয়ে তদন্তের জন্য তিনি জেলায় আবেদন করেছিলেন। সেই ভিত্তিতে জেলা থেকে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। ডেপুটি ডিরেক্টর অফ এগ্রিকালচার বা কৃষি দপ্তরের জেলা অধিকারিক, মহকুমা সহ কৃষি অধিকর্তা এবং মহকুমা শাসকের প্রতিনিধি হিসেবে একজন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সেই দলে ছিলেন। প্রায় দেড় মাস পর সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তদন্ত শেষ হয়।
শ্রীকান্ত বলেন, প্রকল্পে অনিয়মে দপ্তরের কয়েকজন জড়িত বলে তদন্তে উঠে আসে। সেকথা রিপোর্টে উল্লেখ করেছি। তদন্ত রিপোর্ট জেলায় জমা করে দিয়েছি।
খোঁজখবর নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মহম্মদ নাসির। তাঁর মন্তব্য, শুনেছি ব্লক কৃষি দপ্তরে এসব হচ্ছে। এর জেরে মৃত্যুকালীন সহায়তা প্রদান বন্ধ থাকায় প্রকৃত উপভোক্তাও সুবিধা পাচ্ছেন না। আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব ব্যবস্থা নেব।
তদন্তের পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। কেন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না? কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বের হতে পারে বলেই কি তদন্ত রিপোর্ট হিমঘরে বন্দি? এমন নানা প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।
কৃষি দপ্তরের জেলা আধিকারিক প্রিয়নাথ দাস বলেন, ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্তের রিপোর্ট পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রক্রিয়া বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। এরপর নতুন করে নির্দেশ আসেনি। ফলে এই বিষয়ে বিশেষ কিছু বলতে পারব না।
শ্রীকান্ত বলেন, প্রকল্পে অনিয়মে দপ্তরের কয়েকজন জড়িত বলে তদন্তে উঠে আসে। সেকথা রিপোর্টে উল্লেখ করেছি। তদন্ত রিপোর্ট জেলায় জমা করে দিয়েছি।
খোঁজখবর নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মহম্মদ নাসির। তাঁর মন্তব্য, শুনেছি ব্লক কৃষি দপ্তরে এসব হচ্ছে। এর জেরে মৃত্যুকালীন সহায়তা প্রদান বন্ধ থাকায় প্রকৃত উপভোক্তাও সুবিধা পাচ্ছেন না। আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব ব্যবস্থা নেব।
তদন্তের পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। কেন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না? কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বের হতে পারে বলেই কি তদন্ত রিপোর্ট হিমঘরে বন্দি? এমন নানা প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।
কৃষি দপ্তরের জেলা আধিকারিক প্রিয়নাথ দাস বলেন, ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্তের রিপোর্ট পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রক্রিয়া বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। এরপর নতুন করে নির্দেশ আসেনি। ফলে এই বিষয়ে বিশেষ কিছু বলতে পারব না।



