Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কুসুম্বায় পানীয়জল প্রকল্পের কাজ শুরু, ব্যায় বরাদ্দ ১৩ কোটি, খুশি রামপুরহাটবাসী

কুসুম্বায় পানীয়জল প্রকল্পের কাজ শুরু, ব্যায় বরাদ্দ ১৩ কোটি, খুশি রামপুরহাটবাসী
  • ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটের কুসুম্বা পঞ্চায়েত এলাকায় পানীয় জলের সমস্যার সমাধানে জলপ্রকল্পের কাজ শুরু হল। জল জীবন মিশন প্রকল্পে প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে বাড়ি বাড়ি পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী মার্চের মধ্যেই কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের জেলা এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার দেশবন্ধু হাজরা। 
Advertisement
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবার বাড়ি রামপুরহাটের চাকাইপুর গ্রাম হলেও অধিকাংশ সময় তিনি থেকেছেন লাগোয়া কুসুম্বা গ্রামের মামাবাড়িতে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরও তিনি একাধিকবার মামাবাড়িতে এসেছেন। গত ৫মে বোলপুরে প্রচারে এসে স্মৃতিচারণায় তিনি বলেন, ‘চাকাইপুর আমার পিতৃভূমি। তবে আমার এখনও সেখানে যাওয়া হয়নি। আমি কুসম্বা গ্রামে জন্মেছি। সেখানে অনেকবার গিয়েছি।’ প্রসঙ্গত,এর আগে এখানকার বিভিন্ন গ্রামে পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন গ্রামে সাবমার্সিবল পাম্প ও টিউবওয়েল বসানো হয়। কিন্তু প্রখর গ্রীষ্মে ভূ-গর্ভস্থ জলস্তর নেমে যাওয়ায় অধিকাংশই বিকল হয়ে পড়ে। 
অবশেষে এই সমস্যা মিটতে চলেছে। জলজীবন মিশন প্রকল্পে প্রায় ৮ কোটি ৯৫লক্ষ টাকা ব্যয়ে পৃথক দু’টি জলপ্রকল্প গড়ে তোলার কাজ শুরু করল জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর। পিএইচই সূত্রে জানা গিয়েছে, কুসুম্বা ও আখিরা গ্রামে এই দু’টি প্রকল্প গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার তৃণমূল নেতারা প্রকল্পের কাজ ঘুরে দেখেছেন। জানা গিয়েছে, এই দু’টি প্রকল্পে ভূ-গর্ভস্থ জল তুলে পরিস্রুত করে কুসুম্বা, বলরামপুর, হিমাইয়েতপুর, কাঁদাসিন, মল্লিকপুর, আখিরা, রামরামপুর, সুঁদিপুর গ্রামের বাসিন্দাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে। দুটি গ্রামে ওভারহেড ওয়াটার রিজার্ভার তৈরি হবে। 
এই অঞ্চলের বড়পাহাড়ী গ্রামেও পৃথক আরও একটি জলপ্রকল্প গড়ে উঠছে। সেখানেও গড়ে উঠবে রিজার্ভার। এখান থেকে মুণ্ডলা, বড়পাহাড়ী, আরেন্দা, তম্বুনি, মোরলাডাঙাল, চাঁদপুর মৌজার একাংশে বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হবে।
পঞ্চায়েতের প্রধান তোতা শেখ বলেন, অধিকাংশ গ্রামেই সাবমার্সিবল পাম্প ও টিউবওয়েলের মাধ্যমে পর্যাপ্ত জল দেওয়া হতো। কিন্তু মাঝেমধ্যে সমস্যা দেখা দিত। এই তিনটি প্রকল্পের ফলে বেশিরভাগ গ্রামেই সমস্যা মিটবে। তবে প্রকল্প চালু হলে সাবমার্সিবল বা টিউবওয়েল বন্ধ করে দেওয়া হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত সরকার নেবে। দেশবন্ধুবাবু বলেন, শুধু কুসুম্বা নয়, বহু এলাকায় জল জীবন মিশন প্রকল্পের কাজ চলছে। মার্চের মধ্যেই প্রকল্পগুলির কাজ শেষ করে চালু করার লক্ষ্য রয়েছে। কোনও কারণে যদি না হয় তবে এপ্রিল অথবা মে মাসের মধ্যে চালু করতেই হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ