সংবাদদাতা বেলদা: মণ্ডল সভাপতি কে হবেন, তাই নিয়ে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে। এমন পরিস্থিতি হল যে, মণ্ডল সভাপতি নির্বাচনের বৈঠকে একে অপরের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন দলীয় কর্মীরা। তীব্র উত্তেজনায় ভণ্ডুল হল নির্বাচন প্রক্রিয়া। দাঁতন ১ ব্লকের কেশিয়াড়ি ১ মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন ঘিরে ঘটল এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি। জেলা সভাপতির দিকে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুললেন নিচুতলার কর্মীরা। যদিও জেলা সভাপতির সাফাই, এটা কোনও মণ্ডল সভাপতি নির্বাচনের বৈঠক ছিল না। মণ্ডল সভাপতি আগেই নির্বাচিত হয়ে গিয়েছে।
Advertisement
শুক্রবার নারায়ণগড়ের পোক্তাপোলে কেলেঘাই নদীর চরে বিজেপির ডাকা পিকনিকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন নিয়ে দলীয় কর্মীরা যে আশঙ্কায় রয়েছেন, তা ব্যক্ত করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। আর সেই সভার অব্যবহিত পরেই শুক্রবার সন্ধ্যায় দাঁতনের কালীচণ্ডী এলাকায় এক দলীয় কর্মীর বাড়িতে কেশিয়াড়ি ১ মণ্ডলের মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন নিয়ে একটি বৈঠক আয়োজিত হয়। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে নতুন মণ্ডল সভাপতি হিসেবে কান্তিলাল বেরার নাম প্রস্তাব করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে বৈঠকে উপস্থিত বর্তমান মণ্ডল সভাপতি বিশ্বজিৎ ভুঁইয়ার সমর্থকরা প্রতিবাদ জানান। এরপর দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় তীব্র বাদানুবাদ। একে অপরের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। ভণ্ডুল হয়ে যায় বৈঠক। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয় তার ভিডিও। বর্তমান মণ্ডল সভাপতি বলেন, আমি এবং আমাদের মণ্ডলের সমস্ত কার্যকর্তাকে অন্ধকারে রেখে জেলা সভাপতি একতরফাভাবে সভাপতি নির্বাচন করছিলেন।
এদিন দলীয় কর্মীরা তার প্রতিবাদ জানান। নিয়ম মেনে এই প্রক্রিয়া করার কথা বলা হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। জেলা সভাপতির অঙ্গুলি হেলনে কতিপয় ব্যক্তিকে তুষ্ট করতে এই ধরনের একপেশে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। আমরা চাই সকলের সামনে জেলা সভাপতির উপস্থিতিতে মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন সম্পন্ন হোক। তবেই আমরা মানব।
জেলা সভাপতি সুদাম পণ্ডিত বলেন আমাদের মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন আগেই হয়ে গিয়েছে। এদিন তেমন কোনও বৈঠকের আয়োজনই ছিল না। যাঁরা করেছিলেন, তাঁদের দায় তাঁরাই নেবেন। দাঁতনের বিজেপি নেতা মোসাফ মল্লিক বলেন, সামান্য কয়েকজনকে নিয়ে জোর করে মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন করা হয়েছে, আমরা তা মানব না। দলীয় সূত্রে খবর, সুদাম পণ্ডিত দিলীপ ঘোষের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। অপরদিকে বর্তমান মণ্ডল সভাপতি বিশ্বজিত ভুঁইয়া বিরোধী দলনেতা ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। আর তাই তাঁদের বাদ দিয়ে জেলা সভাপতি ঘনিষ্ঠ কান্তিলালবাবুকে মণ্ডল সভাপতি করার ছক কষা হয়েছিল। আর তা জানতে পেরেই এদিন গণ্ডগোল হয়। জেলা তৃণমূল সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, এমনিতেই এরা জনবিচ্ছিন্ন, তার উপর এভাবে নিজেদের মধ্যে লড়াই করে ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাবে দলটি।
এদিন দলীয় কর্মীরা তার প্রতিবাদ জানান। নিয়ম মেনে এই প্রক্রিয়া করার কথা বলা হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। জেলা সভাপতির অঙ্গুলি হেলনে কতিপয় ব্যক্তিকে তুষ্ট করতে এই ধরনের একপেশে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। আমরা চাই সকলের সামনে জেলা সভাপতির উপস্থিতিতে মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন সম্পন্ন হোক। তবেই আমরা মানব।
জেলা সভাপতি সুদাম পণ্ডিত বলেন আমাদের মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন আগেই হয়ে গিয়েছে। এদিন তেমন কোনও বৈঠকের আয়োজনই ছিল না। যাঁরা করেছিলেন, তাঁদের দায় তাঁরাই নেবেন। দাঁতনের বিজেপি নেতা মোসাফ মল্লিক বলেন, সামান্য কয়েকজনকে নিয়ে জোর করে মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন করা হয়েছে, আমরা তা মানব না। দলীয় সূত্রে খবর, সুদাম পণ্ডিত দিলীপ ঘোষের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। অপরদিকে বর্তমান মণ্ডল সভাপতি বিশ্বজিত ভুঁইয়া বিরোধী দলনেতা ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। আর তাই তাঁদের বাদ দিয়ে জেলা সভাপতি ঘনিষ্ঠ কান্তিলালবাবুকে মণ্ডল সভাপতি করার ছক কষা হয়েছিল। আর তা জানতে পেরেই এদিন গণ্ডগোল হয়। জেলা তৃণমূল সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, এমনিতেই এরা জনবিচ্ছিন্ন, তার উপর এভাবে নিজেদের মধ্যে লড়াই করে ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাবে দলটি।



