নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: সবে অগ্রহায়ণ মাস শুরু হয়েছে। কিন্তু সন্ধ্যার পর বা ভোরের দিকে বেশ কুয়াশা পড়ছে। বেশকিছু দিন আগে থেকেই মাঠে মাঠে ধান হলুদ হয়ে পেকে উঠেছে। অধিকাংশ জায়গায় ধান কাটা শেষের পথে। তাই সকালের দিকে কাটা ধানের গোড়া, মাঠে পড়ে থাকা ধান গাছ শিশিরে একদম চুপচুপে ভিজে থাকে। এমনই যখন ভোরের গ্রামীণ চিত্র সেই সময়েই কোচবিহারের পাতলাখাওয়ার জঙ্গল থেকে বাইসন লোকালয়ে বেরিয়ে এসে দিনভর তাণ্ডব চালাচ্ছে।
Advertisement
বুধবার বেরিয়েছিল মাথাভাঙার প্রেমেরডাঙায়। বাইসনের আক্রমণে একজনের মৃত্যুও হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে পাতলাখাওয়ার জঙ্গল থেকে ফের বেরিয়ে এল তিনটি বাইসন! পুণ্ডিবাড়ির কালারায়ের কুঠির অষ্টমীর মাঠ এলাকায় বাইসনগুলিকে প্রথম দেখা যায়। বনদপ্তরের অনুমান, ভোরের কুয়াশায় পথভ্রষ্ট হয়ে বাইসনগুলি লোকালয়ে চলে এসেছে। পাতলাখাওয়ার জঙ্গল সেখান থেকে ৬ কিমি দূরে। ভোরে বাইসন বের হওয়ার খবর পেতেই বনদপ্তরের কর্মী আধিকারিকরা ট্রাঙ্কুলাইজ টিম সহ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। খবর দেওয়া হয় বক্সা ডিভিশন ও জলদাপাড়া ওয়াইল্ড লাইফ ডিভিশনকে। দিনভর চেষ্টা করে দুপুরে একে একে তিনটি বাইসনকেই ঘুমপাড়ানি গুলি করে বাগে আনা হয়।
কোচবিহারের ডিএফও অসিতাভ চট্টোপাধ্যায় বলেন, শীত পড়ার সঙ্গে সঙ্গে জঙ্গল থেকে বাইসন বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। ভোরবেলা কুয়াশা পড়ায় জঙ্গল ও আশপাশের এলাকা অস্পষ্ট হয়ে যায়। একই রকম দেখতে মনে হয়। সেই সময়ই পথভ্রষ্ট হয়ে চলে আসতে পারে। তবে নির্দিষ্ট করে কোনও কারণ বলা যায় না। বাইসনদের বের হওয়া রুখতে ফেন্সিং দেওয়ার বিষয়েও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করব। বনদপ্তরের এডিএফও বিজনকুমার নাথ বলেন, তিনটি বাইসনকেই ঘুমপাড়ানি গুলি করে বাগে আনা হয়েছে। তাদের পাতলাখাওয়ার জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার মাথাভাঙার প্রেমেরডাঙায় বাইসনের আক্রমণে একজনের মৃত্যু হয়েছে। কোচবিহার ও তার আশপাশের এলাকায় বাইসন, হাতি, চিতাবাঘ বের হওয়াটা নতুন কিছু নয়। কিন্তু কয়েক বছর ধরে বাইসনের লোকালয়ে চলে আসার ঘটনা প্রায়শই ঘটছে। এতে অনেকে জখম হচ্ছেন। মৃত্যুও হয়েছে। কিন্তু জঙ্গল থেকে বাইসন কেন লোকালয়ে চলে আসছে? একাধিক কারণ রয়েছে।
কোচবিহারের ডিএফও অসিতাভ চট্টোপাধ্যায় বলেন, শীত পড়ার সঙ্গে সঙ্গে জঙ্গল থেকে বাইসন বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। ভোরবেলা কুয়াশা পড়ায় জঙ্গল ও আশপাশের এলাকা অস্পষ্ট হয়ে যায়। একই রকম দেখতে মনে হয়। সেই সময়ই পথভ্রষ্ট হয়ে চলে আসতে পারে। তবে নির্দিষ্ট করে কোনও কারণ বলা যায় না। বাইসনদের বের হওয়া রুখতে ফেন্সিং দেওয়ার বিষয়েও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করব। বনদপ্তরের এডিএফও বিজনকুমার নাথ বলেন, তিনটি বাইসনকেই ঘুমপাড়ানি গুলি করে বাগে আনা হয়েছে। তাদের পাতলাখাওয়ার জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার মাথাভাঙার প্রেমেরডাঙায় বাইসনের আক্রমণে একজনের মৃত্যু হয়েছে। কোচবিহার ও তার আশপাশের এলাকায় বাইসন, হাতি, চিতাবাঘ বের হওয়াটা নতুন কিছু নয়। কিন্তু কয়েক বছর ধরে বাইসনের লোকালয়ে চলে আসার ঘটনা প্রায়শই ঘটছে। এতে অনেকে জখম হচ্ছেন। মৃত্যুও হয়েছে। কিন্তু জঙ্গল থেকে বাইসন কেন লোকালয়ে চলে আসছে? একাধিক কারণ রয়েছে।



