নিজস্ব প্রতিনিধি, কেশপুর: মাটির বাড়ির উঠোনে বসে মাছের আঁশ কাঁচি দিয়ে কাটছেন কয়েকজন মহিলা। সেই আঁশ দিয়ে চলছে ময়ূর, বক, এমনকী দুর্গা প্রতিমার সাজসজ্জা তৈরির কাজ। মহিলাদের হাতের কাজ দেখে থমকে দাঁড়াচ্ছেন পথচলতি মানুষ। মাছের আঁশ দিয়ে তৈরি বিভিন্ন জিনিস মেলায় বিক্রি করা ছাড়াও বিদেশে রপ্তানির পরিকল্পনা হচ্ছে। ছবিটা কেশপুর ব্লকের উত্তরপাড়ার। আঁশ দিয়ে তৈরি জিনিস বিক্রি করে স্বনির্ভর হচ্ছেন মহিলারা। গ্রামবাসীদের কথায়, কিছু মাস আগে আঁশ দিয়ে হস্তশিল্প তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় প্রশাসন থেকে। প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরে গ্রামের মহিলারা বাজার থেকে মাছের আঁশ জোগাড় করে নিত্যনতুন জিনিস তৈরি শুরু করেন। প্রত্যন্ত গ্রামের মহিলাদের হাতের কাজ দেখে অবাক হচ্ছেন প্রশাসনের আধিকারিকরাও।
Advertisement
এদিন অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক মিশন ডিরেক্টর ও দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলাশাসক (কৃষি) গোবিন্দ হালদার বলেন, মহিলাদের হাতের কাজ দেখে ভালো লেগেছে। জেলার প্রত্যন্ত এলাকার মহিলারা যাতে আরও বেশি করে স্বনির্ভর হতে পারেন সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে ফের বিভিন্ন এলাকার মহিলাদের আঁশ দিয়ে জিনিস তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশাসনের তরফে সারা বছরই নানা ধরনের ট্রেনিং দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকার চাইছে জেলায় জেলায় মহিলাদের স্বনির্ভর করতে। সেইমতো জেলার মহিলাদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় প্রশাসনের উদ্যোগে। জেলা সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলার বার্তা দিয়েছেন। বেশকিছু বছর ধরেই প্রশাসনের তরফে নানা পদক্ষেপ করা হচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম ব্লকস্তরে মহিলাদের নানা ধরনের ট্রেনিং দেওয়া। এরফলে কর্মসংস্থান অনেকটাই বেড়েছে। একইসঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতির পরির্বতন হচ্ছে। সেই কথা মাথায় রেখেই আঁশ ব্যবহার করে নানা জিনিস তৈরির ট্রেনিং দেওয়া হয়।
জানা গিয়েছে, বাজার থেকে কাতলা মাছের আঁশ যোগাড় করেন মহিলারা। এরপর সেই আঁশ মিউরিক অ্যাসিডের সাহায্যে পরিষ্কার করা হয়। পরে সার্ফ দিয়ে ধোয়া হয়। ধোয়ার পর হালকা রোদে আঁশ শুকিয়ে শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষে নেওয়া হয়। তারপর কাঁচি দিয়ে সেই আঁশ কেটে নানা জিনিস তৈরি করা হয়। মাছের আঁশ দিয়ে তৈরি হস্তশিল্প দু’শো টাকা থেকে শুরু করে তিন-চার হাজার টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে।
কথা হচ্ছিল শিল্পী বুকুরানি দোলোই, লক্ষ্মী রায়বিশ্বাস, কবেরী ফৌজদারদের সঙ্গে। তাঁরা বলেন, আমরা সৃষ্টিশ্রী মেলাতেও ডাক পেয়েছি। আশা করছি বিক্রি ভালোই হবে। অনেকেই মাছের আঁশের তৈরি জিনিস দেখে অবাক হয়ে যান। বিদেশেও এইসব জিনিস পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশাসন নানা ভাবে সহযোগিতা করছে।
প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকার চাইছে জেলায় জেলায় মহিলাদের স্বনির্ভর করতে। সেইমতো জেলার মহিলাদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় প্রশাসনের উদ্যোগে। জেলা সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলার বার্তা দিয়েছেন। বেশকিছু বছর ধরেই প্রশাসনের তরফে নানা পদক্ষেপ করা হচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম ব্লকস্তরে মহিলাদের নানা ধরনের ট্রেনিং দেওয়া। এরফলে কর্মসংস্থান অনেকটাই বেড়েছে। একইসঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতির পরির্বতন হচ্ছে। সেই কথা মাথায় রেখেই আঁশ ব্যবহার করে নানা জিনিস তৈরির ট্রেনিং দেওয়া হয়।
জানা গিয়েছে, বাজার থেকে কাতলা মাছের আঁশ যোগাড় করেন মহিলারা। এরপর সেই আঁশ মিউরিক অ্যাসিডের সাহায্যে পরিষ্কার করা হয়। পরে সার্ফ দিয়ে ধোয়া হয়। ধোয়ার পর হালকা রোদে আঁশ শুকিয়ে শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষে নেওয়া হয়। তারপর কাঁচি দিয়ে সেই আঁশ কেটে নানা জিনিস তৈরি করা হয়। মাছের আঁশ দিয়ে তৈরি হস্তশিল্প দু’শো টাকা থেকে শুরু করে তিন-চার হাজার টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে।
কথা হচ্ছিল শিল্পী বুকুরানি দোলোই, লক্ষ্মী রায়বিশ্বাস, কবেরী ফৌজদারদের সঙ্গে। তাঁরা বলেন, আমরা সৃষ্টিশ্রী মেলাতেও ডাক পেয়েছি। আশা করছি বিক্রি ভালোই হবে। অনেকেই মাছের আঁশের তৈরি জিনিস দেখে অবাক হয়ে যান। বিদেশেও এইসব জিনিস পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশাসন নানা ভাবে সহযোগিতা করছে।



