নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেশপুরের চারটি নদীর গভীরতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এছাড়া, ওই সমস্ত নদীর বেশ কিছু অংশে পাড় বাঁধানো হবে। এবিষয়ে শুক্রবার জেলাশাসকের অফিসের কনফারেন্স হলে বিশেষ বৈঠক হয়। সেখানে মেদিনীপুরের মহকুমা শাসক মধুমিতা মুখোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী শিউলি সাহা, জেলা পরিষদের দলনেতা মহম্মদ রফিক সহ পুলিস ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানান, প্রকল্প রূপায়ণে কয়েকশো কোটি টাকা খরচ হবে। এনিয়ে দফায় দফায় বৈঠক হচ্ছে। বেশকিছু নদীর বাঁধ সংস্কার চলছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ ত্রাণ শিবির তৈরির পরিকল্পনাও করা হয়েছে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে কেশপুরকে যুক্ত করা যায় কিনা-তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
Advertisement
বৈঠক শেষে জেলা পরিষদের দলনেতা মহম্মদ রফিক বলেন, গতবছরও কেশপুর ব্লকে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছিল। চাষের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। সামনের সপ্তাহে ফের এনিয়ে পরিকল্পনা করতে বৈঠক হবে। সেচদপ্তরের তরফে সহযোগিতা করা হচ্ছে। গতবছর দুর্গাপুজোর আগে টানা বৃষ্টির জেরে কেশপুর ব্লকে হুহু করে জল ঢুকতে শুরু করে। কংসাবতী ছাড়াও ব্লকের কুবাই, তমাল ও পারাং নদী ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। একাধিক গ্রাম, কৃষিজমি জলের তলায় চলে যায়। বহু মানুষ বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন। অনেকেই বাঁধের উপর কিংবা স্থানীয় স্কুলে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কেশপুর ব্লকের কলাগ্রাম, ভীমপুর, কানপুর সহ একাধিক এলাকায় ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ছিল। ব্লকের ১৫টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ১১টিতে চাষের কমবেশি ক্ষতি হয়েছিল। বিশেষ করে কেশপুর ব্লকের কংসাবতী তীরবর্তী গ্রামে বহু বাড়ি বন্যার জলে ভেঙে পড়েছিল। এই পরিস্থিতি কেশপুরে পুজোর বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। কেশপুরের বাসিন্দা কিংশুক দাস বলেন, বন্যা কেশপুরের মানুষের কাছে অভিশাপ। অবশেষে সরকারের উদ্যোগে আশার আলো দেখা যাচ্ছে।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, নদীর বিভিন্ন বাঁকে বাঁকে গভীরতা বৃদ্ধির কাজ শুরু হবে। প্রায় দু’কোটি টাকা খরচ করে নদীর একপাশের বাঁধ সংস্কার চলছে। কেশপুর ব্লকে বৃষ্টির জল বাড়লেও যাতে তাড়াতাড়ি জল বেরিয়ে যেতে পারে, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে কেশপুর ব্লক লাগোয়া স্লুইস গেটগুলি সংস্কার করা হবে।
মেদিনীপুরের মহকুমা শাসক মধুমিতা মুখোপাধ্যায় বলেন, বৈঠকে নানা দিক উঠে এসেছে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে কেশপুরকে কীভাবে যুক্ত করা যায়, সেবিষয়ে আলোচনা চলছে।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, নদীর বিভিন্ন বাঁকে বাঁকে গভীরতা বৃদ্ধির কাজ শুরু হবে। প্রায় দু’কোটি টাকা খরচ করে নদীর একপাশের বাঁধ সংস্কার চলছে। কেশপুর ব্লকে বৃষ্টির জল বাড়লেও যাতে তাড়াতাড়ি জল বেরিয়ে যেতে পারে, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে কেশপুর ব্লক লাগোয়া স্লুইস গেটগুলি সংস্কার করা হবে।
মেদিনীপুরের মহকুমা শাসক মধুমিতা মুখোপাধ্যায় বলেন, বৈঠকে নানা দিক উঠে এসেছে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে কেশপুরকে কীভাবে যুক্ত করা যায়, সেবিষয়ে আলোচনা চলছে।



