Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কুশলপুরে ঘুমন্ত দম্পতিকে অস্ত্রের কোপ, মৃত্যু বৃদ্ধের

কুশলপুরে ঘুমন্ত দম্পতিকে অস্ত্রের কোপ, মৃত্যু বৃদ্ধের
  • ১২ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: রাতে বাড়িতে ঢুকে ঘুমন্ত বৃদ্ধ ও তাঁর স্ত্রীকে এলোপাথাড়ি ধারালো অস্ত্রের কোপ। মৃত্যু বৃদ্ধের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মালদহ মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্ত্রী। শুক্রবার রাত ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুরের কুশলপুর গ্রামে। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তদন্তে নেমেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিস। তবে খুনের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুরের বহর গ্রামের ছোট জামাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্য সহ স্থানীয়রা। যদিও রুবেলের মায়ের দাবি, এক বছর ধরে ছেলে বাড়িতে নেই। 
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম জসিমুদ্দিন আহমেদ (৭৫)। জখম স্ত্রীর নাম সাহেনা বিবি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতে দম্পতি বাড়ির বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত ১১টা নাগাদ বাড়িতে ঢুকে কে বা কারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে দম্পতিকে একাধিকবার কোপায়। দম্পতির চিৎকারে দুই ছেলে ও প্রতিবেশীরা ছুটে এলে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় দম্পতিকে উদ্ধার করে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদেরকে মালদহ মেডিক্যালে পাঠানো হয়। রাতেই সেখানে বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, এক বছর আগে বৃদ্ধের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় কুশিদার বহর গ্রামের এক যুবকের। বিয়ের পর থেকেই সে পণের দাবিতে স্ত্রীকে মারধর করত বলে অভিযোগ। বিয়ের মাস খানেক সংসার করার পর মেয়ে বাবার বাড়ি চলে আসেন। এনিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিবাদ লেগেই ছিল। সম্প্রতি স্ত্রীর মোবাইলে ফোন করে যুবক প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। এরপর এই খুন। মৃতের ছেলে মইদুল ইসলাম বলেন, বাবা মা বাড়ির বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলেন। আমি পাশের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ চিৎকার শুনে বাইরে এসে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় মা বাবা পড়ে রয়েছে। আমার ছোট জামাইবাবুর প্রতি সন্দেহ হচ্ছে। ছোট জামাইয়ের মা বলেন, ছেলের এক বছর ধরে বাড়িতে নেই। ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার বলেন, পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের স্বার্থে বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ