সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকায় রায়গঞ্জ ও ইটাহার থানা এলাকা থেকে মোট ১০ পরীক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। উত্তর দিনাজপুর জেলা আদালতের গ্রুপ ডি’র পরীক্ষায় ধৃতদের মধ্যে এক মহিলাও রয়েছে। রায়গঞ্জ থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে রাজু কীর্তনীয়া, হৃদয় মণ্ডল, বিপ্লব দাস, অনুপ মণ্ডল। তাদের বাড়ি নদীয়া জেলায়। এছাড়া কালিয়াগঞ্জের প্রাণকৃষ্ণ বর্মন, মালদহের পার্থ চৌধুরী ও পূর্ণিমা কর্মকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল রাখার অভিযোগে। রবিবার রায়গঞ্জের বিভিন্ন স্কুলে আদালতের গ্রুপ ডি’র পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার মাঝেও অভিযুক্তরা মোবাইল, হেডফোন নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকে। সেই মোবাইল বেঞ্চের নীচে আটকে এবং কানে হেডফোন গুজে পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছিল কয়েকজন। বিষয়টি পরীক্ষকের নজরে আসতেই অভিযুক্তদের আটক করে তল্লাশি করা হয়। অভিযুক্তদের আটক করে রায়গঞ্জ থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিস এসে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার বলেন, অভিযুক্তদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে। ইটাহার থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বুদ্ধদেব বিশ্বাস, নরেশ বর্মন ও হিরেন মণ্ডলকে। বুদ্ধদেবের বাড়ি মুর্শিদাবাদে। নরেশ ও হিরেনের বাড়ি রায়গঞ্জ এবং মালদহে। এই তিনজনের পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল ইটাহারের একটি পাবলিক স্কুলে। অভিযুক্তদের কাছ থেকে কিপ্যাড ফোন উদ্ধার হয় পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে। এদিন ১০ জনকে রায়গঞ্জ জেলা আদালতে তোলা হয়। রায়গঞ্জ জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী নীলাদ্রি সরকার বলেন, রায়গঞ্জ থানার ৭ জন অভিযুক্তকে ৫ দিনের পুলিস হেফাজত এবং ইটাহার থানার ৩ জনকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।



